প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬
ঘোড়াঘাটে আশ্বিনের শিশিরভেজা সবুজ ধানক্ষেতে বদলে যাচ্ছে প্রকৃতির রুপ
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে আশ্বিনের শুরুতেই প্রকৃতিতে বইতে শুরু করেছে শীতের আগমনী হাওয়া। ভোরের বাতাসে অনুভূত হচ্ছে শিন শিন শীতল পরশ। সেইসঙ্গে যাস, গাছের পাতা ও সবুজ ধানক্ষেতে জমছে শিশির। ভোরের আলো ফুটতেই শিশিরভেজা সবুজ ধানক্ষেত যেনো প্রভৃতির এক অপূর্ব সৌন্দর্য হাড়িয়ে দিচ্ছে। কয়েকদিন আগেও ভোরের সময় গরমের অনুভূতি থাকলেও এখন প্রকৃতির চিত্রে এসেছে পরিবর্তন।ভোরের বাতাসে হালকা শীতের আমেজ মিলছে। দিনের বেলায় গরম থাকলেও মাঠ-ঘাটে দেখা যাচ্ছে ঋতু পরিবর্তনের নানা চিত্র। সবুজ ধানগাছের পাতায় জমে থাকা শিশির সূর্যের আলোয় ঝলমল করছে। ভোরের স্নিগ্ধ পরিবেশে পান্ত ও মনোরম আবহায়া। আর বিদায় নিচ্ছে গরমের তীব্রতা, ধীরে ও ধীরে এগিয়ে আসছে শীত। আশ্বিনের শিন শিন হাওয়া ও ও শিশিরভেজা সবুজ ধানক্ষেত তাই গ্রামবাংলায় শীতের আগমনী বার্তা নিয়ে এসেছে। এই পরিবর্তন প্রকৃতির চিরন্তন নিয়ম। সময়ের সঙ্গে বদলে যায় প্রকৃতি, বদলে যায় মানুষের জীবনযাত্রাও। আর সেই পরিবর্তনের সাক্ষী হয়ে আশ্বিনের ভোরে শিশিরভেজা সবুজ ধানক্ষেত যেনো নতুন ঋতুকে বরণ করে নিচ্ছে। ঘোড়াঘাট উপজেলার ভেলামারি গ্রামের রফিকুল ইসলাম বলেন, এসো আশ্বিন গা করে শিন শিন, ভোরের হিমেল হাওয়ায় শীতের আগমনী যাত্রী। শিশির ভেজা খাল, গাছের পাতা ও সবুজ ধানক্ষেত যেনো প্রকৃতির অপূর্ব এক চিত্রপট। গ্রামবাংলার সৌন্দর্য মনকে প্রশান্তিতে ভরিয়ে দেয়। আমি এই সৌন্দর্য দেখেই বড় হয়েছি। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রফিকুজ্জামান বলেন, উপজেলার ৪টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় মোট ১৭,৩৫০ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল।মৌসুমের শুরুতে কিছুটা খরা ও অনাবৃষ্টি থাকলেও পরবর্তীতে পর্যাপ্ত বৃষ্টির কারণে খেতের অবস্থা ভালো রয়েছে এবং বাম্পার ফলনের আশা করছেন স্থানীয় কৃষক ও কৃষি বিভাগ।আমরা এখন মাঠে বেশি সময় দিচ্ছি, যাতে কৃষকরা প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা পান। ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি হলে কৃষকরাই সবচেয়ে বেশি লাভবান হতে পারে। পাশাপাশি ফসলের উৎপাদন দেশের খাদ্যচাহিনা পুরণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই আশা করছি, এবার আমন ধানের ভালো ফলন পাওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ।
কপিরাইট © ২০২৬ Daily Joypur Barta । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত