প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ ও ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা
কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সে ছয় বছরে জমা পড়েছে ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ ও ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা। পাশাপাশি পাওয়া গেছে ১৭টি দেশের বৈদেশিক মুদ্রা। এসব স্বর্ণ, রুপা ও মুদ্রার ওজন নির্ধারণ এবং গণনা শেষে সোমবার (১২ অক্টোবর) রাতে এ তথ্য জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, দানবাক্সে পাওয়া বৈদেশিক মুদ্রার মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ৮ হাজার ৫৭ ডলার, সৌদি আরবের ৫৭ হাজার ৪১৪ রিয়াল, মালয়েশিয়ার ২৯ হাজার ৬৬২ রিঙ্গিত, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ১৪ হাজার ২৪০ দিরহাম এবং কুয়েতের ৭৬৭ দশমিক ৫ দিনার। এ ছাড়া ওমানের ৮৮৮ রিয়াল ৩৪৮ বাইসা, কাতারের ৭ হাজার ৯৭৩ রিয়াল, বাহরাইনের ৩৩৩ দিনার ও সিঙ্গাপুরের ১ হাজার ৭১৮ ডলার পাওয়া গেছে।অন্যান্য মুদ্রার মধ্যে রয়েছে যুক্তরাজ্যের ১ হাজার ২২০ পাউন্ড, ইউরোপীয় ইউনিয়নের ৫ হাজার ২৪৫ ইউরো, অস্ট্রেলিয়ার ৫৫৫ ডলার, কানাডার ২৫ ডলার, মালদ্বীপের ৯০০ রুফিয়া, জর্ডানের ৯২ দিনার, ভারতের ৩৭ হাজার ৮৭৭ রুপি ও চীনের ৩০৫ ইউয়ান।সোমবার সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে স্বর্ণ ও রুপার ওজন নির্ধারণ এবং বৈদেশিক মুদ্রা গণনার কাজ শুরু হয়। জেলা জুয়েলারি সমিতির ১০ সদস্য স্বর্ণ ও রুপার ওজন নির্ধারণ করেন। অন্যদিকে, রূপালী ব্যাংকের ১০ কর্মকর্তা বৈদেশিক মুদ্রা গণনার দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, পুলিশ ও আনসার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. এরশাদুল আহমেদ জানান, দানবাক্সে পাওয়া স্বর্ণ ও রুপা পত্রিকায় গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর নিলামে বিক্রি করা হবে। আর বৈদেশিক মুদ্রা বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ বিনিময় হার অনুযায়ী নগদায়ন করা হবে।এর আগে, ২০২০ সালের ১১ মার্চ পাগলা মসজিদের দানবাক্সে পাওয়া ৪১৫ ভরি স্বর্ণ ও ১৬৪ ভরি রুপা নিলামে বিক্রি করা হয়েছিল। সেগুলো বিক্রি করে পাওয়া যায় ১ কোটি ১৫ লাখ ৪ হাজার ১০০ টাকা। একই সময়ে বৈদেশিক মুদ্রা নগদায়ন করে আয় হয়েছিল ১ লাখ ২৭ হাজার ৬৫১ টাকা। জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে পাগলা মসজিদের তহবিলে জমা রয়েছে ১৩১ কোটি ৪১ লাখ ৪৪ হাজার ৮১০ টাকা।
কপিরাইট © ২০২৬ Daily Joypur Barta । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত