প্রকাশের তারিখ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬
রাজশাহীতে জমি ও দোকানঘর দখলচেষ্টা,প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন
রাজশাহী মহানগরীর কাশিয়াডাঙ্গা এলাকায় জমি ও দোকানঘর জোরপূর্বক দখলচেষ্টার অভিযোগ তুলেছেন মোঃ মাহবুব হাসান (৪৪) নামে এক ব্যক্তি। এ ঘটনায় নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তিনি।শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টায় (১৬ অক্টোবর) রাজশাহী মহানগরীর মতিহার থানাধীন রিভার সিটি প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মাহবুব হাসান জানান, তিনি রাজশাহী মহানগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানার উত্তর বালিয়া এলাকার বাসিন্দা। তাঁর দাবি, কাঠালবাড়িয়া এলাকার মোসাঃ আফরোজা খাতুন, তাঁর স্বামী শহীদুল ইসলাম ও ছেলে তানিমসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা গত ১০ দিন ধরে তাঁর ক্রয়কৃত পৌনে তিন শতক জমি এবং ওই জমির ওপর নির্মিত আটটি দোকানঘর জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করছেন।লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও অভিযোগ করেন, চলতি মাসের ১০ অক্টোবর ২৫ থেকে ৩০ জন লোক নিয়ে তাঁর জমি ও দোকানঘর দখলের চেষ্টা করা হয়। এ ঘটনায় তিনি আইনের আশ্রয় নেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, রাজশাহীর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারায় পিটিশন মামলা নং ৩৪৩পি/২০২৬ দায়ের করা হয়। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে উভয় পক্ষকে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার এবং সম্পত্তিতে কোনো ধরনের কার্যক্রম না চালানোর বিষয়ে সতর্ক করে।মাহবুব হাসানের অভিযোগ, আদালতের নির্দেশনা ও পুলিশের সতর্কতা সত্ত্বেও গত ১৪ অক্টোবর প্রতিপক্ষের লোকজন তাঁর বসতঘর ও দোকানের তালা ভেঙে নতুন তালা লাগিয়ে দেন। একই সঙ্গে তাঁর লাগানো সাইনবোর্ড ভাঙচুর করা হয়। এ সময় বাড়িতে বসবাসরত শিশুসহ ছয়জনকে আটকে রাখা এবং খাবার পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি। পরে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় তাঁদের উদ্ধার করা হয় বলে জানান মাহবুব হাসান।তিনি আরও দাবি করেন, বর্তমানে তাঁকে, তাঁর পরিবারের সদস্যদের এবং বাড়ি ও দোকানের ভাড়াটিয়াদের প্রাণনাশসহ বিভিন্ন ধরনের ক্ষয়ক্ষতির হুমকি দেওয়া হচ্ছে। জমি নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, জমি ক্রয়ের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তাঁর কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।সংবাদ সম্মেলনে মাহবুব হাসান নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রাজশাহী মহানগর পুলিশ কমিশনার, জেলা প্রশাসক ও ভূমিমন্ত্রীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত আফরোজা খাতুন, শহীদুল ইসলাম ও তানিমের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী সময়ে প্রকাশ করা হবে।#
কপিরাইট © ২০২৬ Daily Joypur Barta । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত