প্রকাশের তারিখ : ২৫ অক্টোবর ২০২৬
শিক্ষকের জমি দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
বগুড়ার ধুনট উপজেলায় এক স্কুলশিক্ষক ও তাঁর পরিবারের ৬ শতক জমি অবৈধভাবে দখল করে রাখার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় হাসান আলীর বিরুদ্ধে। এ ছাড়া আদালতে মামলা ও গণমাধ্যমে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে হয়রানি করার অভিযোগও করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার। জমি উদ্ধার ও প্রতিকার পেতে প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছেন তাঁরা।রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল ১১টায় উপজেলার পাকুড়ীহাটা বাজার এলাকায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন শিক্ষক রফিকুল ইসলাম। তিনি উপজেলার কাদাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং পাকুড়ীহাটা গ্রামের বাসিন্দা।সংবাদ সম্মেলনে রফিকুল ইসলাম জানান, পাকুড়ীহাটা গ্রামের মৃত কাবিল প্রামাণিকের ধুনট মৌজার ৫০১ নম্বর দাগে মোট ১৩৩ শতক জমি ছিল। আশির দশকে কাবিল প্রামাণিকের সন্তান ও নাতিদের কাছ থেকে ছয় দফায় মোট ৭৭ শতক জমি কেনেন একই গ্রামের মৃত রুস্তম আলীর ছেলে হাসান আলী। তবে তাঁর অভিযোগ, কেনা জমির বাইরে অতিরিক্ত ৬ শতকসহ বর্তমানে ৮৩ শতক জমি ভোগদখল করছেন হাসান আলী।তিনি বলেন, সম্প্রতি কাবিল প্রামাণিকের ওয়ারিশরা জমির সীমানা বুঝে নিতে গেলে অতিরিক্ত জমি দখলের বিষয়টি সামনে আসে। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হলে স্থানীয়ভাবে একাধিক সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।রফিকুল ইসলামের দাবি, গত ১৭ সেপ্টেম্বর গ্রামের দুই শতাধিক মানুষের উপস্থিতিতে আমিনের মাধ্যমে হাসান আলীর কেনা ৭৭ শতক জমির সীমানা নির্ধারণ করা হয়। ওই বৈঠকে হাসান আলী সীমানা মেনে নিয়ে অতিরিক্ত দখলে থাকা জমি ছেড়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু পরে তিনি সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করে আদালতে মামলা করেন বলে অভিযোগ করেন রফিকুল ইসলাম।সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, সম্প্রতি আব্দুল জলিল গং নিজেদের জমিতে গাছের চারা রোপণ করলে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ১৪৪ ধারা ভঙ্গের অভিযোগ তুলে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত সংবাদকে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর দাবি করে এর প্রতিবাদ জানান তাঁরা।রফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা আমাদের ন্যায্য জমি ফিরে পেতে চাই। অবৈধ দখল থেকে ৬ শতক জমি উদ্ধার এবং হয়রানি বন্ধে গণমাধ্যম, স্থানীয় প্রশাসন, আদালত ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করছি।সংবাদ সম্মেলনে জমির অন্যান্য অংশীদার ও স্থানীয় গ্রামবাসী উপস্থিত ছিলেন।
কপিরাইট © ২০২৬ Daily Joypur Barta । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত