প্রকাশের তারিখ : ২৭ অক্টোবর ২০২৬
মাদকের বিরুদ্ধে সাহসী উদ্যোগকে উৎসাহিত করুন
মাদকের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে একজন প্রতিমন্ত্রীকেও পদত্যাগ করতে হয়েছে—এ থেকেই বোঝা যায়, মাদকবিরোধী অবস্থান কতটা কঠিন হতে পারে। সেখানে মাদকের বিরুদ্ধে সাহসী ভূমিকা রাখা একজন পুলিশ কর্মকর্তার ইতিবাচক উদ্যোগগুলো কেন আড়ালে থাকবে?দিরাই থানার ওসি শেখ আমিনুল ইসলাম দায়িত্ব নেওয়ার পর গ্রামগঞ্জ ও শহরে মাদকবিরোধী কমিটি গঠন, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা এবং সাধারণ মানুষের জন্য থানার দরজা উন্মুক্ত রেখে জনবান্ধব পুলিশিং প্রতিষ্ঠার যে উদ্যোগ নিয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে, তা অবশ্যই গুরুত্বের সঙ্গে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা হোক। একই সঙ্গে তাঁর মাদকবিরোধী উদ্যোগ ও জনসেবামূলক কার্যক্রমও বস্তুনিষ্ঠভাবে তুলে ধরা হোক। একপাক্ষিক বা তথ্য-প্রমাণহীন সংবাদ কখনোই জনস্বার্থে সহায়ক হতে পারে না।মাদক ও অনলাইন অপরাধের বিরুদ্ধে যাঁরা কাজ করছেন, তাঁদের কার্যক্রমের যথাযথ মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। অপরাধের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া যেমন জরুরি, তেমনি সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রেও সত্য, নিরপেক্ষতা ও দায়িত্বশীলতা বজায় রাখা জরুরি।ওসি শেখ আমিনুল ইসলাম সাহেবের প্রতি শুভকামনা রইল। দিরাইকে মাদকমুক্ত, অপরাধমুক্ত ও নিরাপদ জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে আপনার উদ্যোগ অব্যাহত থাকুক।
কপিরাইট © ২০২৬ Daily Joypur Barta । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত