প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
সান্তাহারে বিএনপি নেতা ইকবালকে হত্যা চেষ্টা, ১৩ জনের নামে মামলা
বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহার পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি ইকবাল হোসেনকে (৬২) হত্যা চেষ্টার মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা এসএম সামার রাজুসহ ১৩ জনের নাম উল্লেখপূর্বক অজ্ঞাত আরো ২৫ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের হয়েছে।রবিবার রাতে সান্তাহার রেলওয়ে থানায় আহত ইকবালের ভাই আজিজুল হক রাজা বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছেন।মামলা ও স্থানিয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুরে উপজেলার সান্তাহার রেলগেট থেকে স্টেশনে যাওয়ার পথে রেলওয়ে সুইচকেবিন সংলগ্ন এলাকায় শহিদ নামের এক দোকানদারের ছেলে নীরব চলাচলের পথে আগের চেয়ে আরও সামনে খুঁটি পোঁতার কাজ শুরু করলে রেলওয়ে পুলিশ তাকে বাধা দেয়। পুলিশের নিষেধ সত্বেও নীরব কাজ চালিয়ে যাওয়ায় বিএনপি নেতা ইকবাল হোসেন তাকে খুঁটিটি কিছুটা পিছিয়ে বসাতে বলেন। এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে নীরব। বাগবিতন্ডার একপর্যায়ে নীরবের ডাকে মুহূর্তেই ২৫-৩০ জন যুবক সেখানে উপস্থিত হন। তারা ইকবাল হোসেনকে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করেন এবং একপর্যায়ে তার পেটে অস্ত্রের আঘাত করে পালিয়ে যান।রবিবার রাতে আহত ইকবালের আপন ছোট ভাই আজিজুল হক রাজা বাদী হয়ে সান্তাহার পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহ সংগঠনিক সম্পাদক এস.এম সামার রাজু, শুভ, নীরবসহ ১৩ জনের নামে এবং অজ্ঞাত আরও ২৫ জনের নামে মামলা দায়ের করেন।এদিকে শনিবার ঘটনার পর পরই সান্তাহার পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র তোফাজ্জল হোসেন ভুট্টুর উপস্থিেিত রেল বিভাগের লোকজন ঘটনাস্থলের অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ করেন। রাতে ওই স্থান থেকে বিএনপির লোকজন এস.এম সামার রাজুর একটি বিলবোর্ড অপসরণ করেন।সান্তাহার রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, মামলা দায়েরের পর থেকেই আসামীদের গ্রেপ্তারে জোর তৎপরতা চালানো হচ্ছে। এছাড়া স্টেশনে চলাচলের রাস্তার ধারে আর কোনো দোকান বসতে দেওয়া হবে না।
কপিরাইট © ২০২৬ Daily Joypur Barta । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত