গ্রেপ্তার রাজ্জাক হোসেন জয়পুরহাট সদর উপজেলার দুধিয়াপাড়া গ্রামের মো. মোয়াজ্জেম হোসেনের ছেলে।
র্যাব-৫, সিপিসি-৩ জয়পুরহাটের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ক্ষেতলাল থানায় করা হত্যা মামলার তদন্তে রাজ্জাক হোসেনকে ২ নম্বর আসামি হিসেবে শনাক্ত করা হয়। এরপর তিনি পলাতক ছিলেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ আগস্ট রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাদীর ছেলে বাদশা মিয়া ও তাঁর বন্ধু মাজেদুল মেসার্স জামালগঞ্জ ফিলিং স্টেশনের বাসের ওপর উঠলে পাম্পের কয়েকজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি তাঁদের চোর সন্দেহে আটক করেন। এ সময় তাঁদের মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করা হয়।
পরে মোটরসাইকেলে করে বাদশা মিয়া ও মাজেদুলকে ক্ষেতলাল থানার মামুদপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মহব্বতপুর গ্রামের পদ্মপুকুর সরদারের চড়া এলাকার একটি কাঁচা রাস্তায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আবারও তাঁদের মারধর করা হয়। একপর্যায়ে বাদশা মিয়া মারা যান। পরে তাঁর লাশ কাদামাটিতে ফেলে রেখে আসামিরা পালিয়ে যান।
পরদিন ১৫ আগস্ট সকাল ৭টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ পাওয়া সংবাদের ভিত্তিতে ক্ষেতলাল থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বাদশা মিয়ার লাশ উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় বাদশা মিয়ার মা মোছা. জীবন নেছা বাদী হয়ে ক্ষেতলাল থানায় মামলা করেন। মামলায় দণ্ডবিধির ১৪৩, ৩২৩, ৩২৪, ৩২৫, ৩২৬, ৩০৭, ৩০২, ২০১ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
র্যাব জানায়, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার অধিযাচনের ভিত্তিতে পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় শনিবার রাতে পূর্ব মাতাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকায় অভিযান চালিয়ে রাজ্জাক হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার রাজ্জাক হোসেনকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ক্ষেতলাল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গ্রেপ্তার রাজ্জাক হোসেন জয়পুরহাট সদর উপজেলার দুধিয়াপাড়া গ্রামের মো. মোয়াজ্জেম হোসেনের ছেলে।
র্যাব-৫, সিপিসি-৩ জয়পুরহাটের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ক্ষেতলাল থানায় করা হত্যা মামলার তদন্তে রাজ্জাক হোসেনকে ২ নম্বর আসামি হিসেবে শনাক্ত করা হয়। এরপর তিনি পলাতক ছিলেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ আগস্ট রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাদীর ছেলে বাদশা মিয়া ও তাঁর বন্ধু মাজেদুল মেসার্স জামালগঞ্জ ফিলিং স্টেশনের বাসের ওপর উঠলে পাম্পের কয়েকজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি তাঁদের চোর সন্দেহে আটক করেন। এ সময় তাঁদের মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করা হয়।
পরে মোটরসাইকেলে করে বাদশা মিয়া ও মাজেদুলকে ক্ষেতলাল থানার মামুদপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মহব্বতপুর গ্রামের পদ্মপুকুর সরদারের চড়া এলাকার একটি কাঁচা রাস্তায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আবারও তাঁদের মারধর করা হয়। একপর্যায়ে বাদশা মিয়া মারা যান। পরে তাঁর লাশ কাদামাটিতে ফেলে রেখে আসামিরা পালিয়ে যান।
পরদিন ১৫ আগস্ট সকাল ৭টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ পাওয়া সংবাদের ভিত্তিতে ক্ষেতলাল থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বাদশা মিয়ার লাশ উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় বাদশা মিয়ার মা মোছা. জীবন নেছা বাদী হয়ে ক্ষেতলাল থানায় মামলা করেন। মামলায় দণ্ডবিধির ১৪৩, ৩২৩, ৩২৪, ৩২৫, ৩২৬, ৩০৭, ৩০২, ২০১ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
র্যাব জানায়, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার অধিযাচনের ভিত্তিতে পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় শনিবার রাতে পূর্ব মাতাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকায় অভিযান চালিয়ে রাজ্জাক হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার রাজ্জাক হোসেনকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ক্ষেতলাল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।

আপনার মতামত লিখুন