হবিগঞ্জের মাধবপুর পৌরসভায় বাসাবাড়িতে নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের জন্য নির্মাণ করা ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টটি কোনো কাজে আসছে না। দীর্ঘ পাঁচ বছর নির্মাণকাজ চলার পর ২০২২ সালের জুনে প্ল্যান্টটি পৌরসভাকে হস্তান্তর করা হয়েছে।
কিন্তু এর মধ্যেই প্ল্যান্টের তিনটি গভীর নলকূপের সবকটিই নষ্ট হয়ে গেছে। তা ছাড়া এই প্ল্যান্ট থেকে পৌরবাসীকে পানি সরবরাহ করার মতো পাইপলাইনও পৌরসভার নেই। নতুন পাইপ লাইন স্থাপনের কোনো পরিকল্পনা বা উদ্যোগও নেই। ফলে প্রায় ৫ কোটি টাকায় নির্মিত এই প্ল্যান্ট পৌরসভার কোনো কাজে আসছে না।
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, পৌরবাসীকে আয়রনমুক্ত বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের লক্ষ্যে অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে দেশের প্রায় ৪০টি পৌরসভার সঙ্গে মাধবপুরেও ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপনের কাজ শুরু হয়।
পৌরসভার শ্যামলীপাড়ার উত্তরে স্টেডিয়ামের পূর্বপাশে প্ল্যান্টটির অবস্থান। ভূ-গর্ভস্থ পানি উত্তোলন ও বিশুদ্ধকরণের পর ৪৫০ ঘনমিটার ধারণক্ষমতার সুপরিসর ওভারহেড ট্যাংকে (রিজার্ভেয়ার) সংরক্ষণ করে পাইপলাইনের মাধ্যমে পৌরবাসীকে সরবরাহ করা হবে।
৫ কোটি ৮ লাখ ১২ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টটি ২০২২ সালের ২৮ জুন মাধবপুর পৌরসভার কাছে হস্তান্তর করে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর।
জানা যায়, প্ল্যান্টটি বুঝে পাওয়ার পর পৌরসভা এটি ব্যবহারের ন্যূনতম উদ্যোগ নেয়নি। এতে ২৫ হাজার পৌরবাসী আয়রনমুক্ত বিশুদ্ধ পানি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ঘণ্টায় ২ লাখ লিটার পানি পরিশোধন ক্ষমতার এ ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট থেকে পৌরবাসীকে পানি সরবরাহ করার মতো পাইপলাইন সংযোগও পৌরসভায় নেই।
পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আমিনুল ইসলাম এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজী হননি।
পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মেহেদী হাসান জানান, 'আমি এখানে যোগ দিয়েছি বেশী দিন হয়নি। যোগদানের কিছুদিন পরেই ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট ও ওভারহেড ট্যাংক পরিদর্শ করে জানতে পারি যে এটি কখনোই রান করেনি যা রীতিমতো বিস্ময়কর।

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হবিগঞ্জের মাধবপুর পৌরসভায় বাসাবাড়িতে নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের জন্য নির্মাণ করা ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টটি কোনো কাজে আসছে না। দীর্ঘ পাঁচ বছর নির্মাণকাজ চলার পর ২০২২ সালের জুনে প্ল্যান্টটি পৌরসভাকে হস্তান্তর করা হয়েছে।
কিন্তু এর মধ্যেই প্ল্যান্টের তিনটি গভীর নলকূপের সবকটিই নষ্ট হয়ে গেছে। তা ছাড়া এই প্ল্যান্ট থেকে পৌরবাসীকে পানি সরবরাহ করার মতো পাইপলাইনও পৌরসভার নেই। নতুন পাইপ লাইন স্থাপনের কোনো পরিকল্পনা বা উদ্যোগও নেই। ফলে প্রায় ৫ কোটি টাকায় নির্মিত এই প্ল্যান্ট পৌরসভার কোনো কাজে আসছে না।
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, পৌরবাসীকে আয়রনমুক্ত বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের লক্ষ্যে অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে দেশের প্রায় ৪০টি পৌরসভার সঙ্গে মাধবপুরেও ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপনের কাজ শুরু হয়।
পৌরসভার শ্যামলীপাড়ার উত্তরে স্টেডিয়ামের পূর্বপাশে প্ল্যান্টটির অবস্থান। ভূ-গর্ভস্থ পানি উত্তোলন ও বিশুদ্ধকরণের পর ৪৫০ ঘনমিটার ধারণক্ষমতার সুপরিসর ওভারহেড ট্যাংকে (রিজার্ভেয়ার) সংরক্ষণ করে পাইপলাইনের মাধ্যমে পৌরবাসীকে সরবরাহ করা হবে।
৫ কোটি ৮ লাখ ১২ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টটি ২০২২ সালের ২৮ জুন মাধবপুর পৌরসভার কাছে হস্তান্তর করে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর।
জানা যায়, প্ল্যান্টটি বুঝে পাওয়ার পর পৌরসভা এটি ব্যবহারের ন্যূনতম উদ্যোগ নেয়নি। এতে ২৫ হাজার পৌরবাসী আয়রনমুক্ত বিশুদ্ধ পানি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ঘণ্টায় ২ লাখ লিটার পানি পরিশোধন ক্ষমতার এ ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট থেকে পৌরবাসীকে পানি সরবরাহ করার মতো পাইপলাইন সংযোগও পৌরসভায় নেই।
পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আমিনুল ইসলাম এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজী হননি।
পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মেহেদী হাসান জানান, 'আমি এখানে যোগ দিয়েছি বেশী দিন হয়নি। যোগদানের কিছুদিন পরেই ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট ও ওভারহেড ট্যাংক পরিদর্শ করে জানতে পারি যে এটি কখনোই রান করেনি যা রীতিমতো বিস্ময়কর।

আপনার মতামত লিখুন