ফরিদপুরের ঐতিহ্যবাহী ভাঙ্গা সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের দুই প্রবীণ ও শ্রদ্ধেয় শিক্ষক দিলীপ কুমার বিশ্বাস এবং মজিবর রহমান খানের রাজসিক অবসরজনিত বিদায় সংর্বধনা অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।
দীর্ঘ কর্মজীবন শেষে এই দুই গুণী শিক্ষকের বিদায়লগ্নে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এক অভূতপূর্ব আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। প্রিয় শিক্ষকদের বিদায় জানাতে গিয়ে সহকর্মী এবং ছাত্র-ছাত্রীদের অশ্রুসিক্ত নয়নে একাকার হতে দেখা যায়।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ হায়দার হোসেনের সভাপতিত্বে এবং ফাইজুর রহমানের সঞ্চালনায় আয়োজিত এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ মুক্তার হোসেন।
অনুষ্ঠানে বিদায়ী শিক্ষকদের লাল গালিচায় রাজসিক অভ্যর্থনা জানানো হয়। এতে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্যবৃন্দ, সহকারী শিক্ষকবৃন্দ এবং বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বিদায়ী দুই সহকর্মীকে নিয়ে আবেগঘন স্মৃতিচারণ করেন বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকেরা ।
পরে শিক্ষক দিলীপ কুমার বিশ্বাস ও মজিবর রহমান খান তাঁদের দীর্ঘ কর্মস্থলের কাটানো সোনালী দিনগুলোর কথা বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন ।
এ সময় উপস্থিত শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝেও এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়।
বক্তারা বলেন, এই দুই শিক্ষক শুধু শ্রেণিকক্ষের পাঠদানই করেননি, বরং সুদীর্ঘ সময় ধরে তাঁদের জ্ঞান, আদর্শ ও নিষ্ঠার মাধ্যমে হাজারো শিক্ষার্থীর জীবন গড়ার কারিগর হিসেবে কাজ করেছেন। ভাঙ্গা অঞ্চলের শিক্ষার আলো ছড়াতে তাঁদের এই গৌরবময় অবদান প্রাতিষ্ঠানিক ইতিহাসের পাতায় চিরকাল অম্লান থাকবে।
সংবর্ধনা শেষে বিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিদায়ী শিক্ষকদের হাতে সম্মাননা স্মারক, মানপত্র এবং বিভিন্ন ভালোবাসার উপহার তুলে দেওয়া হয়। শিক্ষকদের বিদায় বেলাকে স্মরণীয় করে রাখতে তাঁদের বিশেষভাবে সজ্জিত ঘোড়ার গাড়িতে তোলা হয় ।
এ সময় চারপাশ থেকে ফুল ছিটিয়ে তাঁদের রাজসিক বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয় । পরে ওই সুসজ্জিত ঘোড়ার গাড়িতে করেই অত্যন্ত মর্যাদার সাথে তাঁদের নিজ নিজ বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়।

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ফরিদপুরের ঐতিহ্যবাহী ভাঙ্গা সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের দুই প্রবীণ ও শ্রদ্ধেয় শিক্ষক দিলীপ কুমার বিশ্বাস এবং মজিবর রহমান খানের রাজসিক অবসরজনিত বিদায় সংর্বধনা অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।
দীর্ঘ কর্মজীবন শেষে এই দুই গুণী শিক্ষকের বিদায়লগ্নে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এক অভূতপূর্ব আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। প্রিয় শিক্ষকদের বিদায় জানাতে গিয়ে সহকর্মী এবং ছাত্র-ছাত্রীদের অশ্রুসিক্ত নয়নে একাকার হতে দেখা যায়।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ হায়দার হোসেনের সভাপতিত্বে এবং ফাইজুর রহমানের সঞ্চালনায় আয়োজিত এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ মুক্তার হোসেন।
অনুষ্ঠানে বিদায়ী শিক্ষকদের লাল গালিচায় রাজসিক অভ্যর্থনা জানানো হয়। এতে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্যবৃন্দ, সহকারী শিক্ষকবৃন্দ এবং বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বিদায়ী দুই সহকর্মীকে নিয়ে আবেগঘন স্মৃতিচারণ করেন বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকেরা ।
পরে শিক্ষক দিলীপ কুমার বিশ্বাস ও মজিবর রহমান খান তাঁদের দীর্ঘ কর্মস্থলের কাটানো সোনালী দিনগুলোর কথা বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন ।
এ সময় উপস্থিত শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝেও এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়।
বক্তারা বলেন, এই দুই শিক্ষক শুধু শ্রেণিকক্ষের পাঠদানই করেননি, বরং সুদীর্ঘ সময় ধরে তাঁদের জ্ঞান, আদর্শ ও নিষ্ঠার মাধ্যমে হাজারো শিক্ষার্থীর জীবন গড়ার কারিগর হিসেবে কাজ করেছেন। ভাঙ্গা অঞ্চলের শিক্ষার আলো ছড়াতে তাঁদের এই গৌরবময় অবদান প্রাতিষ্ঠানিক ইতিহাসের পাতায় চিরকাল অম্লান থাকবে।
সংবর্ধনা শেষে বিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিদায়ী শিক্ষকদের হাতে সম্মাননা স্মারক, মানপত্র এবং বিভিন্ন ভালোবাসার উপহার তুলে দেওয়া হয়। শিক্ষকদের বিদায় বেলাকে স্মরণীয় করে রাখতে তাঁদের বিশেষভাবে সজ্জিত ঘোড়ার গাড়িতে তোলা হয় ।
এ সময় চারপাশ থেকে ফুল ছিটিয়ে তাঁদের রাজসিক বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয় । পরে ওই সুসজ্জিত ঘোড়ার গাড়িতে করেই অত্যন্ত মর্যাদার সাথে তাঁদের নিজ নিজ বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়।

আপনার মতামত লিখুন