পাবনার ফরিদপুর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় চায়না রাইফেলের ১৫ রাউন্ড তাজা গুলি ও দেশীয় অস্ত্র জব্দ করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে প্রেস ব্রিফিংয়ে বিষয়টি জানান ফরিদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুরুল হাসান মাসুদ।
তিনি বলেন, রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার হাদল ইউনিয়নের কুচলিয়া গ্রামের একটি বটগাছের নিচে লুকিয়ে রাখা বস্তা থেকে এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়।
ওসি মঞ্জুরুল হাসান মাসুদ জানান, হাদল ইউনিয়নের প্রত্যন্ত ও বিল অধ্যুষিত এলাকায় সর্বহারা-নকশালপন্থী একটি সশস্ত্র চরমপন্থী গোষ্ঠীর তৎপরতা নিয়ে গোয়েন্দা তথ্য ছিল। ওই এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, গোলাগুলি ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ধারাবাহিক গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়।
তিনি আরও বলেন, গত ২৯ আগস্ট ফরিদপুর থানায় যোগদানের পর হাদল ইউনিয়নের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সক্রিয় হন। প্রত্যন্ত বিল অধ্যুষিত হওয়ায় ওই এলাকায় সশস্ত্র কয়েকটি গ্রুপের তৎপরতা রয়েছে। তারা সাধারণ মানুষকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে খাল-বিল ও জলাশয় দখল, ভূমি দখল, চাঁদাবাজি, লুটতরাজ, চুরি ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত।
তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, একটি সশস্ত্র গ্রুপ অস্ত্র ও গোলাবারুদ মজুত করছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে রবিবার রাতে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় কুচলিয়া এলাকায় ব্যাপক তল্লাশি ও অভিযান চালানো হয়।
রাত সাড়ে ১১টার দিকে বটগাছের নিচে লুকিয়ে রাখা একটি বস্তা থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ করা হয়। আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকার একটি নৌকাবাইচও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
পুলিশের দাবি, হাদল এলাকায় এর আগেও কয়েক দফা গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া ওই এলাকায় হত্যা ও গুমের ঘটনাও ঘটেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। এসব ঘটনায় ফরিদপুর থানায় অস্ত্র ও হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
জব্দকৃত সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে—চায়না রাইফেলের ১৫ রাউন্ড তাজা গুলি, একটি চাপাতি, বাট, একটি ছুরি এবং বিভিন্ন আকারের তিনটি ধারালো দা।
প্রেস ব্রিফিংয়ে এসআই আরিফুল ইসলাম, আশরাফুল ইসলামসহ পুলিশের অন্যান্য সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পাবনার ফরিদপুর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় চায়না রাইফেলের ১৫ রাউন্ড তাজা গুলি ও দেশীয় অস্ত্র জব্দ করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে প্রেস ব্রিফিংয়ে বিষয়টি জানান ফরিদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুরুল হাসান মাসুদ।
তিনি বলেন, রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার হাদল ইউনিয়নের কুচলিয়া গ্রামের একটি বটগাছের নিচে লুকিয়ে রাখা বস্তা থেকে এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়।
ওসি মঞ্জুরুল হাসান মাসুদ জানান, হাদল ইউনিয়নের প্রত্যন্ত ও বিল অধ্যুষিত এলাকায় সর্বহারা-নকশালপন্থী একটি সশস্ত্র চরমপন্থী গোষ্ঠীর তৎপরতা নিয়ে গোয়েন্দা তথ্য ছিল। ওই এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, গোলাগুলি ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ধারাবাহিক গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়।
তিনি আরও বলেন, গত ২৯ আগস্ট ফরিদপুর থানায় যোগদানের পর হাদল ইউনিয়নের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সক্রিয় হন। প্রত্যন্ত বিল অধ্যুষিত হওয়ায় ওই এলাকায় সশস্ত্র কয়েকটি গ্রুপের তৎপরতা রয়েছে। তারা সাধারণ মানুষকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে খাল-বিল ও জলাশয় দখল, ভূমি দখল, চাঁদাবাজি, লুটতরাজ, চুরি ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত।
তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, একটি সশস্ত্র গ্রুপ অস্ত্র ও গোলাবারুদ মজুত করছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে রবিবার রাতে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় কুচলিয়া এলাকায় ব্যাপক তল্লাশি ও অভিযান চালানো হয়।
রাত সাড়ে ১১টার দিকে বটগাছের নিচে লুকিয়ে রাখা একটি বস্তা থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ করা হয়। আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকার একটি নৌকাবাইচও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
পুলিশের দাবি, হাদল এলাকায় এর আগেও কয়েক দফা গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া ওই এলাকায় হত্যা ও গুমের ঘটনাও ঘটেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। এসব ঘটনায় ফরিদপুর থানায় অস্ত্র ও হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
জব্দকৃত সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে—চায়না রাইফেলের ১৫ রাউন্ড তাজা গুলি, একটি চাপাতি, বাট, একটি ছুরি এবং বিভিন্ন আকারের তিনটি ধারালো দা।
প্রেস ব্রিফিংয়ে এসআই আরিফুল ইসলাম, আশরাফুল ইসলামসহ পুলিশের অন্যান্য সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন