ভুয়া ডিবি পুলিশ পরিচয়ে গ্রেপ্তারের ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। স্থানীয়রা আটকের পর ৯৯৯ নম্বরে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম। এর আগে, রোববার রাত ১১টার দিকে সদর উপজেলার কীর্তিপুর ইউনিয়নে কাদিমপুর গ্রাম থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন, জেলার বদলগাছী উপজেলার বাসিন্দা মো. সারোয়ার হোসেন অপু (৩২) ও মো. শামীম হোসেন (৩১)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রোববার রাতে গ্রেপ্তার ওই দুই যুবক নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দেন। এ সময় তাদের সাথে থাকা একটি সোনালি রঙের মেডেল (পদক) ও হ্যান্ডকাফসদৃশ বস্তু দেখিয়ে স্থানীয়দের গ্রেপ্তারের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে টাকা দাবি করেন। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে স্থানীয় লোকজন তাদের আটক করেন। পরে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে বিষয়টি জানানো হলে সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় কাদিমপুর গ্রামের জলিল সরদার বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন।
পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম বলেন, গত এক মাস ধরে ওই দুই ব্যক্তি বিভিন্ন সময়ে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে কাদিমপুর গ্রামের একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। জিজ্ঞাসাবাদে তারা দুজনও ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ভুয়া পুলিশ পরিচয়ে প্রতারণা, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা অর্থ আদায়ের সঙ্গে জড়িত যেকোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভুয়া ডিবি পুলিশ পরিচয়ে গ্রেপ্তারের ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। স্থানীয়রা আটকের পর ৯৯৯ নম্বরে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম। এর আগে, রোববার রাত ১১টার দিকে সদর উপজেলার কীর্তিপুর ইউনিয়নে কাদিমপুর গ্রাম থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন, জেলার বদলগাছী উপজেলার বাসিন্দা মো. সারোয়ার হোসেন অপু (৩২) ও মো. শামীম হোসেন (৩১)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রোববার রাতে গ্রেপ্তার ওই দুই যুবক নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দেন। এ সময় তাদের সাথে থাকা একটি সোনালি রঙের মেডেল (পদক) ও হ্যান্ডকাফসদৃশ বস্তু দেখিয়ে স্থানীয়দের গ্রেপ্তারের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে টাকা দাবি করেন। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে স্থানীয় লোকজন তাদের আটক করেন। পরে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে বিষয়টি জানানো হলে সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় কাদিমপুর গ্রামের জলিল সরদার বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন।
পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম বলেন, গত এক মাস ধরে ওই দুই ব্যক্তি বিভিন্ন সময়ে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে কাদিমপুর গ্রামের একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। জিজ্ঞাসাবাদে তারা দুজনও ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ভুয়া পুলিশ পরিচয়ে প্রতারণা, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা অর্থ আদায়ের সঙ্গে জড়িত যেকোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন