একসাথে, আরও শক্তিশালী—জলাতঙ্কমুক্ত বিশ্ব গড়ি" প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জয়পুরহাটে পালিত হয়েছে বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) জয়পুরহাট ৪০০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে দিনটি উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়।
দিবসটি উপলক্ষ্যে সকালে হাসপাতাল প্রাঙ্গণ থেকে একটি সচেতনতামূলক র্যালি বের করা হয়। র্যালি শেষে হাসপাতালের সম্মেলন কক্ষে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তারা জলাতঙ্কের মারাত্মক ঝুঁকি এবং এর প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ জোর দেন।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. সরদার রাশেদ মোবারক জুয়েলের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আশিক আহমদ জেবাল (বাপ্পী), সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রতিনিধি সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা সহকারী চৈতি রায়, জেলা পাবলিক হেলথ ইন্সট্রাক্টর, হাসপাতালের সুপারভাইজার, জলাতঙ্ক ওয়ার্ডের ইনচার্জসহ বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা।
সভাপতির বক্তব্যে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. সরদার রাশেদ মোবারক বলেন, হাসপাতালের ১০১ নম্বর কক্ষে প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৮টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত জলাতঙ্কের টিকা প্রদান করা হয়। শুধু গত আগস্ট মাসেই ৩ হাজার ৪০৫ জনকে এই টিকা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ১০১ নম্বর কক্ষে পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন মজুদ রয়েছে এবং ভবিষ্যতে যাতে কোনো সংকট তৈরি না হয়, সে বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে।
তিনি পোষা বিড়াল ও কুকুরকে নিয়মিত রেবিস ভ্যাকসিন দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আরও বলেন, যেকোনো বন্য বা পোষা প্রাণীর আক্রমণের শিকার হলে বাসায় বসে না থেকে দ্রুত হাসপাতালে এসে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক ভ্যাকসিন গ্রহণ করা উচিত।

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
একসাথে, আরও শক্তিশালী—জলাতঙ্কমুক্ত বিশ্ব গড়ি" প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জয়পুরহাটে পালিত হয়েছে বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) জয়পুরহাট ৪০০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে দিনটি উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়।
দিবসটি উপলক্ষ্যে সকালে হাসপাতাল প্রাঙ্গণ থেকে একটি সচেতনতামূলক র্যালি বের করা হয়। র্যালি শেষে হাসপাতালের সম্মেলন কক্ষে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তারা জলাতঙ্কের মারাত্মক ঝুঁকি এবং এর প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ জোর দেন।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. সরদার রাশেদ মোবারক জুয়েলের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আশিক আহমদ জেবাল (বাপ্পী), সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রতিনিধি সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা সহকারী চৈতি রায়, জেলা পাবলিক হেলথ ইন্সট্রাক্টর, হাসপাতালের সুপারভাইজার, জলাতঙ্ক ওয়ার্ডের ইনচার্জসহ বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা।
সভাপতির বক্তব্যে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. সরদার রাশেদ মোবারক বলেন, হাসপাতালের ১০১ নম্বর কক্ষে প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৮টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত জলাতঙ্কের টিকা প্রদান করা হয়। শুধু গত আগস্ট মাসেই ৩ হাজার ৪০৫ জনকে এই টিকা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ১০১ নম্বর কক্ষে পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন মজুদ রয়েছে এবং ভবিষ্যতে যাতে কোনো সংকট তৈরি না হয়, সে বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে।
তিনি পোষা বিড়াল ও কুকুরকে নিয়মিত রেবিস ভ্যাকসিন দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আরও বলেন, যেকোনো বন্য বা পোষা প্রাণীর আক্রমণের শিকার হলে বাসায় বসে না থেকে দ্রুত হাসপাতালে এসে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক ভ্যাকসিন গ্রহণ করা উচিত।

আপনার মতামত লিখুন