অবশেষে দিনাজপুরের হাকিমপুর (হিলি) থানার বিতর্কিত, দুর্নীতিবাজ এবং বিভাগীয় মামলায় অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকির হোসেনকে বদলি করা হয়েছে। গত সোমবার মধ্যরাতে তিনি হাকিমপুর থানা ছেড়ে চলে যান।
গত রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ (বিপিএম-সেবা) স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ বদলির আদেশ দেওয়া হয়।
আদেশে বলা হয়েছে, পুলিশ পরিদর্শক মো. জাকির হোসেনকে দিনাজপুর জেলা থেকে লালমনিরহাট জেলায় বদলি করা হয়েছে।
এদিকে, ওসি জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে ঘুষ-বাণিজ্য,ক্ষমতার অপব্যবহার এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে নিরীহ ব্যক্তিদের হয়রানির অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগ নিয়ে সম্প্রতি জাতীয় দৈনিক জয়পুরর্বাতাসহ বিভিন্ন পত্রিকা,অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও টেলিভিশন চ্যানেলে একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হয়।
অভিযোগকারীদের দাবি, থানায় সেবা নিতে আসা বিভিন্ন ব্যক্তি ও স্থানীয়দের মধ্যে কয়েকজনকে মামলা ও পুলিশি হয়রানির ভয় দেখানো হয়েছে। সরকারি গাছ অন্যত্র বিক্রির চেষ্টা। পাশাপাশি বিভিন্ন ঘটনায় অর্থ লেনদেনের অভিযোগও ওঠে তার বিরুদ্ধে।
এছাড়া সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও হয়রানির চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিক। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকরা ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের কাছে লিখিত অভিযোগ ও প্রতিকার চেয়ে আবেদন করেন। যা অভিযোগ গুলোর তদন্ত ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তার কার্যালয়ে চলমান রয়েছে।
অন্যদিকে, স্থানীয় দুলালি বেগমসহ কয়েকজন অভিযোগকারীও ওসি জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ এনে দিনাজপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন বলে জানা গেছে। অভিযোগগুলোতে পুলিশি হয়রানি, ক্ষমতার অপব্যবহারসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হয়।
ওসি জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগের মধ্যেই তাকে দিনাজপুর থেকে লালমনিরহাট জেলায় বদলি করা হলো। তবে বদলির আদেশে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি।
পুলিশ সহ বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ওসি জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে তিনটি বিভাগীয় মামলা চলমান রয়েছে। এরমধ্যে একটি বিভাগীয় মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন বলেও সূত্রগুলো দাবি করেন।
এ বিষয়ে দিনাজপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আনোয়ার হোসেন জানান, হাকিমপুর থানার ওসি মো. জাকির হোসেনকে লালমনিরহাটে বদলি করা হয়েছে। তবে বদলি কারণ সম্পর্কে তিনি কোন মন্তব্য করতে চাননি।

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অবশেষে দিনাজপুরের হাকিমপুর (হিলি) থানার বিতর্কিত, দুর্নীতিবাজ এবং বিভাগীয় মামলায় অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকির হোসেনকে বদলি করা হয়েছে। গত সোমবার মধ্যরাতে তিনি হাকিমপুর থানা ছেড়ে চলে যান।
গত রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ (বিপিএম-সেবা) স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ বদলির আদেশ দেওয়া হয়।
আদেশে বলা হয়েছে, পুলিশ পরিদর্শক মো. জাকির হোসেনকে দিনাজপুর জেলা থেকে লালমনিরহাট জেলায় বদলি করা হয়েছে।
এদিকে, ওসি জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে ঘুষ-বাণিজ্য,ক্ষমতার অপব্যবহার এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে নিরীহ ব্যক্তিদের হয়রানির অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগ নিয়ে সম্প্রতি জাতীয় দৈনিক জয়পুরর্বাতাসহ বিভিন্ন পত্রিকা,অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও টেলিভিশন চ্যানেলে একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হয়।
অভিযোগকারীদের দাবি, থানায় সেবা নিতে আসা বিভিন্ন ব্যক্তি ও স্থানীয়দের মধ্যে কয়েকজনকে মামলা ও পুলিশি হয়রানির ভয় দেখানো হয়েছে। সরকারি গাছ অন্যত্র বিক্রির চেষ্টা। পাশাপাশি বিভিন্ন ঘটনায় অর্থ লেনদেনের অভিযোগও ওঠে তার বিরুদ্ধে।
এছাড়া সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও হয়রানির চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিক। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকরা ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের কাছে লিখিত অভিযোগ ও প্রতিকার চেয়ে আবেদন করেন। যা অভিযোগ গুলোর তদন্ত ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তার কার্যালয়ে চলমান রয়েছে।
অন্যদিকে, স্থানীয় দুলালি বেগমসহ কয়েকজন অভিযোগকারীও ওসি জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ এনে দিনাজপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন বলে জানা গেছে। অভিযোগগুলোতে পুলিশি হয়রানি, ক্ষমতার অপব্যবহারসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হয়।
ওসি জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগের মধ্যেই তাকে দিনাজপুর থেকে লালমনিরহাট জেলায় বদলি করা হলো। তবে বদলির আদেশে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি।
পুলিশ সহ বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ওসি জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে তিনটি বিভাগীয় মামলা চলমান রয়েছে। এরমধ্যে একটি বিভাগীয় মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন বলেও সূত্রগুলো দাবি করেন।
এ বিষয়ে দিনাজপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আনোয়ার হোসেন জানান, হাকিমপুর থানার ওসি মো. জাকির হোসেনকে লালমনিরহাটে বদলি করা হয়েছে। তবে বদলি কারণ সম্পর্কে তিনি কোন মন্তব্য করতে চাননি।

আপনার মতামত লিখুন