দিনাজপুরে ১১ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের মামলার প্রধান আসামি মো. নাইমুল ইসলামকে (২৪) চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে এসআরবি।
গতকাল বিকেল ৫টার দিকে চট্টগ্রাম মহানগরীর চকবাজার থানাধীন চন্দনপুরা বাজারের দীন মোহাম্মদের দোকানে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার নাইমুল ইসলাম দিনাজপুর সদর থানাধীন বিশ্বনাথপুর (সুখানপুকুর) গ্রামের বাবলু হোসেনের ছেলে।
এসআরবির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী ঈদগাহ বস্তি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী। মামলার এজাহার অনুযায়ী, নাইমুল দীর্ঘদিন ধরে স্কুলে যাতায়াতের পথে ওই ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত ও প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানালে তারা নাইমুলকে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে বলেন। তবে তিনি তা উপেক্ষা করেন।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত ২৮ আগস্ট সন্ধ্যা ৭টার দিকে ওই শিক্ষার্থী মুদি দোকান থেকে প্রয়োজনীয় মালামাল কিনে বাড়ি ফিরছিল। এ সময় নাইমুল তার মুখ চেপে ধরে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দক্ষিণ-পশ্চিম পাশের একটি জঙ্গলে নিয়ে যান।
সেখানে তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে বিষয়টি কাউকে জানালে তার বাবা-মাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।
পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে খুঁজতে থাকেন। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে শিশুটি বাড়িতে ফিরে পরিবারের কাছে ঘটনার কথা জানায়। এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে গত ৩০ আগস্ট দিনাজপুর কোতয়ালী থানায় ধর্ষণ মামলা করেন। মামলাটির নম্বর ৮৪।
মামলা হওয়ার পর আসামিকে গ্রেপ্তারে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি এসআরবিও গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে। পরে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে সিপিসি-১, এসআরবি-১৩, দিনাজপুর ও সদর কোম্পানি,এসআরবি-৭, চট্টগ্রামের যৌথ দল চন্দনপুরা বাজারে অভিযান চালিয়ে নাইমুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারের পর নাইমুল ইসলামকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এসআরবি।
এসআরবি আরও জানিয়েছে, নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা, হত্যা, অপহরণ, ধর্ষণসহ গুরুতর অপরাধ দমনে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দিনাজপুরে ১১ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের মামলার প্রধান আসামি মো. নাইমুল ইসলামকে (২৪) চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে এসআরবি।
গতকাল বিকেল ৫টার দিকে চট্টগ্রাম মহানগরীর চকবাজার থানাধীন চন্দনপুরা বাজারের দীন মোহাম্মদের দোকানে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার নাইমুল ইসলাম দিনাজপুর সদর থানাধীন বিশ্বনাথপুর (সুখানপুকুর) গ্রামের বাবলু হোসেনের ছেলে।
এসআরবির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী ঈদগাহ বস্তি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী। মামলার এজাহার অনুযায়ী, নাইমুল দীর্ঘদিন ধরে স্কুলে যাতায়াতের পথে ওই ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত ও প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানালে তারা নাইমুলকে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে বলেন। তবে তিনি তা উপেক্ষা করেন।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত ২৮ আগস্ট সন্ধ্যা ৭টার দিকে ওই শিক্ষার্থী মুদি দোকান থেকে প্রয়োজনীয় মালামাল কিনে বাড়ি ফিরছিল। এ সময় নাইমুল তার মুখ চেপে ধরে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দক্ষিণ-পশ্চিম পাশের একটি জঙ্গলে নিয়ে যান।
সেখানে তাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে বিষয়টি কাউকে জানালে তার বাবা-মাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।
পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে খুঁজতে থাকেন। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে শিশুটি বাড়িতে ফিরে পরিবারের কাছে ঘটনার কথা জানায়। এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে গত ৩০ আগস্ট দিনাজপুর কোতয়ালী থানায় ধর্ষণ মামলা করেন। মামলাটির নম্বর ৮৪।
মামলা হওয়ার পর আসামিকে গ্রেপ্তারে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি এসআরবিও গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে। পরে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে সিপিসি-১, এসআরবি-১৩, দিনাজপুর ও সদর কোম্পানি,এসআরবি-৭, চট্টগ্রামের যৌথ দল চন্দনপুরা বাজারে অভিযান চালিয়ে নাইমুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারের পর নাইমুল ইসলামকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এসআরবি।
এসআরবি আরও জানিয়েছে, নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা, হত্যা, অপহরণ, ধর্ষণসহ গুরুতর অপরাধ দমনে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন