জয়পুরহাট    বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
Daily Joypur Barta

দিনাজপুর-ঠাকুরগাঁওয়ে যৌথ অভিযানে উদ্ধার প্রত্নবস্তু



দিনাজপুর-ঠাকুরগাঁওয়ে যৌথ অভিযানে উদ্ধার প্রত্নবস্তু
ছবি- প্রতিনিধি

দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁওয়ে পৃথক অভিযানে ১ কোটি ২৯ লাখ ৯০ হাজার টাকা মূল্যমানের দুষ্প্রাপ্য কষ্টি, বেলে ও শ্বেত পাথরের খণ্ডাংশ উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। 

উদ্ধার হওয়া এসব প্রত্নবস্তু বিদেশে পাচারের অপচেষ্টা নস্যাৎ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে বিজিবির পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও চোরাচালান প্রতিরোধে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি) একাধিক অভিযান পরিচালনা করে। 

এর অংশ হিসেবে গত ৩০ সেপ্টেম্বর রাত ২টা ১৫ মিনিটে দিনাজপুর জেলার সেতাবগঞ্জ উপজেলার তেনাপাড়া এলাকায় ৪২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন হাসানের নেতৃত্বে বিজিবি, এসআরবি ও এলআই বিজিবির একটি যৌথ দল অভিযান চালায়। 

এ সময় ৩৫ কেজি ৬০০ গ্রাম ওজনের একটি দুষ্প্রাপ্য কষ্টি পাথরের খণ্ডাংশ উদ্ধার করা হয়। এরপর ভোর ৪টা ৩০ মিনিটে ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার চান্দোহর এলাকায় আরেকটি অভিযান পরিচালনা করা হয়। 

এ অভিযানে ৮৭ কেজি ১০০ গ্রাম ওজনের একটি বেলে পাথরের খণ্ডাংশ, ৩০ কেজি ৭০০ গ্রাম ওজনের একটি শ্বেত পাথরের খণ্ডাংশ, ৩৫ কেজি ৬০০ গ্রাম, ১৬ কেজি ৮০০ গ্রাম এবং ১৮ কেজি ৬০০ গ্রাম ওজনের তিনটি দুষ্প্রাপ্য কষ্টি পাথরের খণ্ডাংশ উদ্ধার করা হয়।

বিজিবি জানায়, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর উদ্ধারকৃত বস্তুগুলোকে প্রত্নতাত্ত্বিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে নিশ্চিত করেছে। ১৯৬৮ সালের পুরাকীর্তি সংরক্ষণ আইন (১৯৭৬ সালে সংশোধিত) অনুযায়ী এ ধরনের প্রত্নসম্পদ সংরক্ষণের দায়িত্ব প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের ওপর ন্যস্ত।

উদ্ধার হওয়া দুষ্প্রাপ্য কষ্টি, বেলে ও শ্বেত পাথরের খণ্ডাংশগুলোর মোট সিজার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ কোটি ২৯ লাখ ৯০ হাজার টাকা। তবে প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব বিবেচনায় এসব নিদর্শনের প্রকৃত মূল্য আরও অনেক বেশি বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

দিনাজপুর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন হাসান বলেন, দেশের প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্য রক্ষা এবং প্রত্নসম্পদ পাচার প্রতিরোধে বিজিবি ভবিষ্যতেও গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক অভিযান অব্যাহত রাখবে। পাশাপাশি মাদক, মানবপাচার, অস্ত্র ও অন্যান্য আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনেও বিজিবি সর্বদা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

আপনার মতামত লিখুন

Daily Joypur Barta

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬


দিনাজপুর-ঠাকুরগাঁওয়ে যৌথ অভিযানে উদ্ধার প্রত্নবস্তু

প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁওয়ে পৃথক অভিযানে ১ কোটি ২৯ লাখ ৯০ হাজার টাকা মূল্যমানের দুষ্প্রাপ্য কষ্টি, বেলে ও শ্বেত পাথরের খণ্ডাংশ উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। 

উদ্ধার হওয়া এসব প্রত্নবস্তু বিদেশে পাচারের অপচেষ্টা নস্যাৎ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে বিজিবির পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও চোরাচালান প্রতিরোধে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি) একাধিক অভিযান পরিচালনা করে। 

এর অংশ হিসেবে গত ৩০ সেপ্টেম্বর রাত ২টা ১৫ মিনিটে দিনাজপুর জেলার সেতাবগঞ্জ উপজেলার তেনাপাড়া এলাকায় ৪২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন হাসানের নেতৃত্বে বিজিবি, এসআরবি ও এলআই বিজিবির একটি যৌথ দল অভিযান চালায়। 

এ সময় ৩৫ কেজি ৬০০ গ্রাম ওজনের একটি দুষ্প্রাপ্য কষ্টি পাথরের খণ্ডাংশ উদ্ধার করা হয়। এরপর ভোর ৪টা ৩০ মিনিটে ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার চান্দোহর এলাকায় আরেকটি অভিযান পরিচালনা করা হয়। 

এ অভিযানে ৮৭ কেজি ১০০ গ্রাম ওজনের একটি বেলে পাথরের খণ্ডাংশ, ৩০ কেজি ৭০০ গ্রাম ওজনের একটি শ্বেত পাথরের খণ্ডাংশ, ৩৫ কেজি ৬০০ গ্রাম, ১৬ কেজি ৮০০ গ্রাম এবং ১৮ কেজি ৬০০ গ্রাম ওজনের তিনটি দুষ্প্রাপ্য কষ্টি পাথরের খণ্ডাংশ উদ্ধার করা হয়।

বিজিবি জানায়, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর উদ্ধারকৃত বস্তুগুলোকে প্রত্নতাত্ত্বিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে নিশ্চিত করেছে। ১৯৬৮ সালের পুরাকীর্তি সংরক্ষণ আইন (১৯৭৬ সালে সংশোধিত) অনুযায়ী এ ধরনের প্রত্নসম্পদ সংরক্ষণের দায়িত্ব প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের ওপর ন্যস্ত।

উদ্ধার হওয়া দুষ্প্রাপ্য কষ্টি, বেলে ও শ্বেত পাথরের খণ্ডাংশগুলোর মোট সিজার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ কোটি ২৯ লাখ ৯০ হাজার টাকা। তবে প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব বিবেচনায় এসব নিদর্শনের প্রকৃত মূল্য আরও অনেক বেশি বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

দিনাজপুর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন হাসান বলেন, দেশের প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্য রক্ষা এবং প্রত্নসম্পদ পাচার প্রতিরোধে বিজিবি ভবিষ্যতেও গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক অভিযান অব্যাহত রাখবে। পাশাপাশি মাদক, মানবপাচার, অস্ত্র ও অন্যান্য আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনেও বিজিবি সর্বদা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।


Daily Joypur Barta



কপিরাইট © ২০২৬ Daily Joypur Barta । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত