জয়পুরহাট    মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
Daily Joypur Barta

প্রবাসীর পাঠানো ৩৫ লাখ টাকা ও স্বর্ণ নিয়ে পালালেন স্ত্রী



প্রবাসীর পাঠানো ৩৫ লাখ টাকা ও স্বর্ণ নিয়ে পালালেন স্ত্রী
ছবি- প্রতিনিধি

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় আট বছরের প্রবাস জীবনের সমস্ত সঞ্চয়, স্বর্ণালংকার ও সন্তানদের ভবিষ্যৎ হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন এক মালয়েশিয়া প্রবাসী। স্ত্রীর ব্যাংকে পাঠানো ৩৫ লাখ টাকা এবং ২০ লাখ টাকা মূল্যের ১০ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার পর, প্রথম স্বামীকে তালাক না দিয়েই অন্য এক যুবকের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্ত্রীর বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগী প্রবাসীর নাম মোঃ জসিম (৪০)। তিনি গজারিয়া উপজেলার কালীপুরা এনএস কান্দি গ্রামের মোঃ এস্তেজ আলা সরকারের ছেলে। এ ঘটনায় তিনি গত সোমবার গজারিয়া থানায় ৩ জনের নাম উল্লেখ করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্তরা হলেন- ভুক্তভোগীর স্ত্রী মোর্শেদা আক্তার মুন্নি (৩০), শশুর হযরত আলী (৫৫), উভয় সাং-চেঙ্গারকান্দি এবং চর বাউশিয়া এলাকার মোঃ রাসেল (৩০)।

অভিযোগ সূত্র ও ভুক্তভোগীর পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৫ বছর পূর্বে ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক গজারিয়া উপজেলার চেঙ্গারকান্দি গ্রামের হযরত আলীর মেয়ে মোর্শেদা আক্তার মুন্নির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন মোঃ জসিম। তাদের সংসারে মোছাঃ জেরিন (১৪) নামের এক কন্যা এবং মোঃ ইয়াসিন (১২) নামের এক পুত্র সন্তান রয়েছে। বিবাহের পরপরই পরিবারের স্বচ্ছলতা ফেরাতে মালয়েশিয়া পাড়ি জমান জসিম।

প্রবাসে থাকা অবস্থায় কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে উপার্জিত প্রায় ৩৫ লাখ টাকা স্ত্রী মুন্নির ব্যাংক একাউন্টে পাঠান তিনি। চার বছর আগে জসিম দেশে ফিরে স্ত্রীর নিকট জমাকৃত টাকার হিসাব চাইলে মুন্নি কোনো হিসাব না দিয়ে টালবাহানা শুরু করেন। একপর্যায়ে গত দুই বছর আগে জসিমের নাতিদীর্ঘ অনুপস্থিতির সুযোগে ঘরের রক্ষিত ১০ ভরি স্বর্ণালংকার (যার আনুমানিক বাজারমূল্য ২০ লাখ টাকা) ও নগদ অর্থ নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে যান মুন্নি।

ভুক্তভোগী জসিম জানান, "গত ১৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টার দিকে আমি স্ত্রীকে বাড়ি ফিরে আসতে বললে স্ত্রী ও তার বাবা আমাকে বিভিন্ন ধরণের ভয়ভীতিসহ প্রাণনাশের হুমকি দেয়। তারা আমাকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করারও হুমকি দেয়। এরপর গত ৪ অক্টোবর আমাকে কোনো আইনি ডিভোর্স না দিয়েই ১ নং বিবাদী মুন্নি ৩ নং বিবাদী রাসেলের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়।" এ বিষয়ে গজারিয়া থানার কর্মকর্তা জানান, ভুক্তভোগী প্রবাসীর লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Daily Joypur Barta

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬


প্রবাসীর পাঠানো ৩৫ লাখ টাকা ও স্বর্ণ নিয়ে পালালেন স্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় আট বছরের প্রবাস জীবনের সমস্ত সঞ্চয়, স্বর্ণালংকার ও সন্তানদের ভবিষ্যৎ হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন এক মালয়েশিয়া প্রবাসী। স্ত্রীর ব্যাংকে পাঠানো ৩৫ লাখ টাকা এবং ২০ লাখ টাকা মূল্যের ১০ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার পর, প্রথম স্বামীকে তালাক না দিয়েই অন্য এক যুবকের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্ত্রীর বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগী প্রবাসীর নাম মোঃ জসিম (৪০)। তিনি গজারিয়া উপজেলার কালীপুরা এনএস কান্দি গ্রামের মোঃ এস্তেজ আলা সরকারের ছেলে। এ ঘটনায় তিনি গত সোমবার গজারিয়া থানায় ৩ জনের নাম উল্লেখ করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্তরা হলেন- ভুক্তভোগীর স্ত্রী মোর্শেদা আক্তার মুন্নি (৩০), শশুর হযরত আলী (৫৫), উভয় সাং-চেঙ্গারকান্দি এবং চর বাউশিয়া এলাকার মোঃ রাসেল (৩০)।

অভিযোগ সূত্র ও ভুক্তভোগীর পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৫ বছর পূর্বে ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক গজারিয়া উপজেলার চেঙ্গারকান্দি গ্রামের হযরত আলীর মেয়ে মোর্শেদা আক্তার মুন্নির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন মোঃ জসিম। তাদের সংসারে মোছাঃ জেরিন (১৪) নামের এক কন্যা এবং মোঃ ইয়াসিন (১২) নামের এক পুত্র সন্তান রয়েছে। বিবাহের পরপরই পরিবারের স্বচ্ছলতা ফেরাতে মালয়েশিয়া পাড়ি জমান জসিম।

প্রবাসে থাকা অবস্থায় কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে উপার্জিত প্রায় ৩৫ লাখ টাকা স্ত্রী মুন্নির ব্যাংক একাউন্টে পাঠান তিনি। চার বছর আগে জসিম দেশে ফিরে স্ত্রীর নিকট জমাকৃত টাকার হিসাব চাইলে মুন্নি কোনো হিসাব না দিয়ে টালবাহানা শুরু করেন। একপর্যায়ে গত দুই বছর আগে জসিমের নাতিদীর্ঘ অনুপস্থিতির সুযোগে ঘরের রক্ষিত ১০ ভরি স্বর্ণালংকার (যার আনুমানিক বাজারমূল্য ২০ লাখ টাকা) ও নগদ অর্থ নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে যান মুন্নি।

ভুক্তভোগী জসিম জানান, "গত ১৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টার দিকে আমি স্ত্রীকে বাড়ি ফিরে আসতে বললে স্ত্রী ও তার বাবা আমাকে বিভিন্ন ধরণের ভয়ভীতিসহ প্রাণনাশের হুমকি দেয়। তারা আমাকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করারও হুমকি দেয়। এরপর গত ৪ অক্টোবর আমাকে কোনো আইনি ডিভোর্স না দিয়েই ১ নং বিবাদী মুন্নি ৩ নং বিবাদী রাসেলের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়।" এ বিষয়ে গজারিয়া থানার কর্মকর্তা জানান, ভুক্তভোগী প্রবাসীর লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


Daily Joypur Barta



কপিরাইট © ২০২৬ Daily Joypur Barta । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত