জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার সোনাকুল মৌজার জমি জবর দখলের চেষ্টার প্রতিবাদে কুয়াতপুর গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত সেনাপ্রকৌশলী সার্জেন্ট মোঃ আমিনুর রহমান ৫ই অক্টোবর সোমবার বিকেলে শালাইপুর বাজারে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।
উক্ত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আমিনুর রহমান বলেন, সোনাকুল মৌজার সাবেক দাগ ১০৫ হাল দাগ ৮০ এর ২৫ শতক জমির মধ্যে তিনি পৌনে ৮ শতক ( ৭.৭৫ )শতাংশ জমি ক্রয় করে দীর্ঘ ২২ বছর ধরে ভোগ দখল করে আসছি।
সে জমিতে আমি লিচু পেঁপে কাঁঠাল সহ বিভিন্ন ধরনের গাছ গাছালি রোপন করেছি। এমত:বস্থায় পার্শ্ববর্তী গোহারা গ্রামের বাসিন্দা প্রতিপক্ষ জহুরুল ইসলাম (ওসমান) সে জমি নিজের বলে দাবি করে। বিষয়টি সমাধানের জন্য স্থানীয় সরকার আমীন দ্বারা একাধিকবার মাপযোগ করা হয়।
এই মাপযোগে তিনি বারবার হেরে গেলেও তিনি তা মানেননা,দাবিও ছারেন না।।কিছুদিন পূর্বে সে আমার লাগানো গাছ ও টিনের ঘরের পিলার ভেঙে দেয় এবং আমার আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। প্রতিকার চেয়ে জেলা লিগাল এইড আদালতে একটি মামলা করি।
মামলার প্রেক্ষিতে বিজ্ঞ বিচারক ৩ গত অক্টোবর-২৬ এডভোকেট মোঃ হাফিজার ও মোঃ আব্দুর রউফ নামের দুইজন কোর্ট কমিশনারকে ঘটনাস্থলে মাপযোগের জন্য পাঠায়।
মাপযোগ শেষে বিবাদী ওসমান ও রুহুলসহ তার দলবল কোর্ট কমিশনারদ্বয়কে তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করে । কোর্ট কমিশনারদ্বয় তাকে বলেন, আমার প্রতিবেদন আমি আদালতে দাখিল করব বললে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে মোটরসাইকেল থেকে তাদের টেনে হিচড়ে নামায় এবং শার্টের কলার ধরে লাঞ্চিত করে।
তিনি আরো বলেন,এই ঘটনায় আমি ভীত সন্ত্রস্ত। গভীর নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আজ এই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতের নিকট এ ঘটনায় সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন তিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিপক্ষ মোঃ জহুরুল ইসলাম ওসমান বলেন, ২৫ শতক জমির ক্রয় বিক্রয় ও অধিগ্রহণের পর অবশিষ্ট রয়েছে পোণে ২ শতক। এই জমিটি ইউনিয়ন পরিষদে বৈঠকের মাধ্যমে আমাকে দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
কিন্তু রাতের আঁধারে বাদী আমিনুর ঐ সম্পত্তিটি বেড়া দিয়ে ঘিরে নিয়ে এখন নিজের দাবি করে।এছাড়াও পক্ষপাত মূলক আচরণের কারণে সার্ভারের নামে ইতিমধ্যেই আমি লিগাল এইডসে অনস্থাপত্র দিয়েছি।আমাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার সোনাকুল মৌজার জমি জবর দখলের চেষ্টার প্রতিবাদে কুয়াতপুর গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত সেনাপ্রকৌশলী সার্জেন্ট মোঃ আমিনুর রহমান ৫ই অক্টোবর সোমবার বিকেলে শালাইপুর বাজারে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।
উক্ত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আমিনুর রহমান বলেন, সোনাকুল মৌজার সাবেক দাগ ১০৫ হাল দাগ ৮০ এর ২৫ শতক জমির মধ্যে তিনি পৌনে ৮ শতক ( ৭.৭৫ )শতাংশ জমি ক্রয় করে দীর্ঘ ২২ বছর ধরে ভোগ দখল করে আসছি।
সে জমিতে আমি লিচু পেঁপে কাঁঠাল সহ বিভিন্ন ধরনের গাছ গাছালি রোপন করেছি। এমত:বস্থায় পার্শ্ববর্তী গোহারা গ্রামের বাসিন্দা প্রতিপক্ষ জহুরুল ইসলাম (ওসমান) সে জমি নিজের বলে দাবি করে। বিষয়টি সমাধানের জন্য স্থানীয় সরকার আমীন দ্বারা একাধিকবার মাপযোগ করা হয়।
এই মাপযোগে তিনি বারবার হেরে গেলেও তিনি তা মানেননা,দাবিও ছারেন না।।কিছুদিন পূর্বে সে আমার লাগানো গাছ ও টিনের ঘরের পিলার ভেঙে দেয় এবং আমার আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। প্রতিকার চেয়ে জেলা লিগাল এইড আদালতে একটি মামলা করি।
মামলার প্রেক্ষিতে বিজ্ঞ বিচারক ৩ গত অক্টোবর-২৬ এডভোকেট মোঃ হাফিজার ও মোঃ আব্দুর রউফ নামের দুইজন কোর্ট কমিশনারকে ঘটনাস্থলে মাপযোগের জন্য পাঠায়।
মাপযোগ শেষে বিবাদী ওসমান ও রুহুলসহ তার দলবল কোর্ট কমিশনারদ্বয়কে তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করে । কোর্ট কমিশনারদ্বয় তাকে বলেন, আমার প্রতিবেদন আমি আদালতে দাখিল করব বললে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে মোটরসাইকেল থেকে তাদের টেনে হিচড়ে নামায় এবং শার্টের কলার ধরে লাঞ্চিত করে।
তিনি আরো বলেন,এই ঘটনায় আমি ভীত সন্ত্রস্ত। গভীর নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আজ এই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতের নিকট এ ঘটনায় সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন তিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিপক্ষ মোঃ জহুরুল ইসলাম ওসমান বলেন, ২৫ শতক জমির ক্রয় বিক্রয় ও অধিগ্রহণের পর অবশিষ্ট রয়েছে পোণে ২ শতক। এই জমিটি ইউনিয়ন পরিষদে বৈঠকের মাধ্যমে আমাকে দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
কিন্তু রাতের আঁধারে বাদী আমিনুর ঐ সম্পত্তিটি বেড়া দিয়ে ঘিরে নিয়ে এখন নিজের দাবি করে।এছাড়াও পক্ষপাত মূলক আচরণের কারণে সার্ভারের নামে ইতিমধ্যেই আমি লিগাল এইডসে অনস্থাপত্র দিয়েছি।আমাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।

আপনার মতামত লিখুন