হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় ফুলবাড়িয়া গ্রামের যৌথ পুকুরে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার ফুলবাড়িয়া গ্রামে বরকত আলী ও সালিম উদ্দিনের লোকজনের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গ্রামের যৌথ পুকুরে বরকত আলীর পক্ষের লোকজন মাছ ধরতে গেলে সালিম উদ্দিনের পক্ষের লোকজন বাধা দেন। এ নিয়ে প্রথমে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী চলা এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক লোক আহত হন।
গুরুত্বর আহতদের মধ্যে বরকত আলী (৩৫), নাঈম (১৯), ইমন (১৮), নুর উদ্দিন (২৮), আরজান (৪৭), ফুল মিয়া (৬০), ফাহিম (১৬), মহিউদ্দিন (৪২), বায়েজিদ (৫০),গিয়াস উদ্দিন (৪০) ও মিজাম উদ্দিন (৫০) লাখাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন। অন্য আহতদের ঢাকা ও হবিগঞ্জের সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া কয়েকজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফ আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই গ্রামবাসীর সহায়তায় সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আসে।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি।

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ অক্টোবর ২০২৬
হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় ফুলবাড়িয়া গ্রামের যৌথ পুকুরে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার ফুলবাড়িয়া গ্রামে বরকত আলী ও সালিম উদ্দিনের লোকজনের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গ্রামের যৌথ পুকুরে বরকত আলীর পক্ষের লোকজন মাছ ধরতে গেলে সালিম উদ্দিনের পক্ষের লোকজন বাধা দেন। এ নিয়ে প্রথমে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী চলা এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক লোক আহত হন।
গুরুত্বর আহতদের মধ্যে বরকত আলী (৩৫), নাঈম (১৯), ইমন (১৮), নুর উদ্দিন (২৮), আরজান (৪৭), ফুল মিয়া (৬০), ফাহিম (১৬), মহিউদ্দিন (৪২), বায়েজিদ (৫০),গিয়াস উদ্দিন (৪০) ও মিজাম উদ্দিন (৫০) লাখাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন। অন্য আহতদের ঢাকা ও হবিগঞ্জের সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া কয়েকজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফ আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই গ্রামবাসীর সহায়তায় সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আসে।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন