সোমবার (১২ ই অক্টোবর ২০২৬)বগুড়ার কাহালুতে নিজ ঘরের তীরের সঙ্গে গলায় রশি প্যাঁচানো অবস্থায় মোঃ আব্দুল কুদ্দুস (৫৫) নামে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ ।
সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার ছোট ভাদাহার গ্রামের নিজ বাড়িতে এ ঘটনা জানাজানি হয়। নিহত আব্দুল কুদ্দুস ওই গ্রামের মৃত আব্দুল জব্বার খানের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার (১১ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে আব্দুল কুদ্দুস নিজ ঘরে ঘুমাতে যান। পরদিন সোমবার সকালে তাঁর ভাতিজা আব্দুর রশিদ খানের স্ত্রী রাজিয়া খাতুন ভাত নিয়ে ঘরের সামনে গিয়ে ডাকাডাকি করেন। তবে কোনো সাড়া না পেয়ে তিনি তাঁর স্বামীকে ডাকেন। পরে আব্দুর রশিদ খান জানালা দিয়ে দেখতে পান, তাঁর চাচা আব্দুল কুদ্দুস ঘরের তীরের সঙ্গে গলায় রশি দিয়ে ঝুলে আছেন।
এ সময় তাঁদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। পরে উপস্থিত লোকজনের সামনে নিহতের ভাগিনা আব্দুল হান্নান ঘরের দরজা খুলে দেন এবং পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে কাহালু থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন। এ ঘটনায় মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো ও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬
সোমবার (১২ ই অক্টোবর ২০২৬)বগুড়ার কাহালুতে নিজ ঘরের তীরের সঙ্গে গলায় রশি প্যাঁচানো অবস্থায় মোঃ আব্দুল কুদ্দুস (৫৫) নামে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ ।
সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার ছোট ভাদাহার গ্রামের নিজ বাড়িতে এ ঘটনা জানাজানি হয়। নিহত আব্দুল কুদ্দুস ওই গ্রামের মৃত আব্দুল জব্বার খানের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার (১১ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে আব্দুল কুদ্দুস নিজ ঘরে ঘুমাতে যান। পরদিন সোমবার সকালে তাঁর ভাতিজা আব্দুর রশিদ খানের স্ত্রী রাজিয়া খাতুন ভাত নিয়ে ঘরের সামনে গিয়ে ডাকাডাকি করেন। তবে কোনো সাড়া না পেয়ে তিনি তাঁর স্বামীকে ডাকেন। পরে আব্দুর রশিদ খান জানালা দিয়ে দেখতে পান, তাঁর চাচা আব্দুল কুদ্দুস ঘরের তীরের সঙ্গে গলায় রশি দিয়ে ঝুলে আছেন।
এ সময় তাঁদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। পরে উপস্থিত লোকজনের সামনে নিহতের ভাগিনা আব্দুল হান্নান ঘরের দরজা খুলে দেন এবং পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে কাহালু থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন। এ ঘটনায় মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো ও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন