বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার উনাহত সিংড়া আলিম মাদ্রাসার পরিচালনা পর্ষদের কমিটি বিলুপ্ত হওয়ার পরদিনই ব্যাংক থেকে ৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা উত্তোলনের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ ও সাবেক সভাপতির বিরুদ্ধে ওঠা এই অনিয়মের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)।
লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি করে গত ২৯ সেপ্টেম্বর উনাহত সিংড়া আলিম মাদ্রাসার পরিচালনা পর্ষদের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। তবে অভিযোগ রয়েছে, প্রজ্ঞাপনের পরদিনই (৩০ সেপ্টেম্বর) মাদ্রাসার অধ্যক্ষ রেজাউল সরদার ও তৎকালীন পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি হারুন রশিদ পরস্পর যোগসাজশে দুটি চেকের মাধ্যমে ব্যাংক থেকে ৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা তুলে নেন।
কমিটি বিলুপ্তির পর তড়িঘড়ি করে এভাবে বিপুল পরিমাণ অর্থ উত্তোলনের বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে নানা প্রশ্ন ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করেন মাদ্রাসার বিদ্যোৎসাহী সদস্য লুৎফর রহমান।
অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দুপচাঁচিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহরুখ খান উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাকির হোসেনকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন।
অর্থ উত্তোলনের বিষয়ে জানতে চাইলে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ রেজাউল সরদার দাবি করেন, ছাত্রীদের নামাজ কক্ষের সংস্কারকাজ এবং প্রতিষ্ঠানের প্রধান ফটকে টাইলস বসানোর খরচের জন্যই ব্যাংক থেকে ওই টাকা উত্তোলন করা হয়েছিল।
তবে তদন্ত কর্মকর্তা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাকির হোসেন জানান, "মাদ্রাসার কমিটি বিলুপ্ত হওয়ার পরও ব্যাংক থেকে টাকা তোলার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে।"
এ বিষয়ে দুপচাঁচিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহরুখ খান বলেন, "অভিযোগ পাওয়ার পরপরই মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬
বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার উনাহত সিংড়া আলিম মাদ্রাসার পরিচালনা পর্ষদের কমিটি বিলুপ্ত হওয়ার পরদিনই ব্যাংক থেকে ৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা উত্তোলনের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ ও সাবেক সভাপতির বিরুদ্ধে ওঠা এই অনিয়মের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)।
লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি করে গত ২৯ সেপ্টেম্বর উনাহত সিংড়া আলিম মাদ্রাসার পরিচালনা পর্ষদের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। তবে অভিযোগ রয়েছে, প্রজ্ঞাপনের পরদিনই (৩০ সেপ্টেম্বর) মাদ্রাসার অধ্যক্ষ রেজাউল সরদার ও তৎকালীন পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি হারুন রশিদ পরস্পর যোগসাজশে দুটি চেকের মাধ্যমে ব্যাংক থেকে ৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা তুলে নেন।
কমিটি বিলুপ্তির পর তড়িঘড়ি করে এভাবে বিপুল পরিমাণ অর্থ উত্তোলনের বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে নানা প্রশ্ন ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করেন মাদ্রাসার বিদ্যোৎসাহী সদস্য লুৎফর রহমান।
অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দুপচাঁচিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহরুখ খান উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাকির হোসেনকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন।
অর্থ উত্তোলনের বিষয়ে জানতে চাইলে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ রেজাউল সরদার দাবি করেন, ছাত্রীদের নামাজ কক্ষের সংস্কারকাজ এবং প্রতিষ্ঠানের প্রধান ফটকে টাইলস বসানোর খরচের জন্যই ব্যাংক থেকে ওই টাকা উত্তোলন করা হয়েছিল।
তবে তদন্ত কর্মকর্তা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাকির হোসেন জানান, "মাদ্রাসার কমিটি বিলুপ্ত হওয়ার পরও ব্যাংক থেকে টাকা তোলার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে।"
এ বিষয়ে দুপচাঁচিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহরুখ খান বলেন, "অভিযোগ পাওয়ার পরপরই মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন