জয়পুরহাট    বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
Daily Joypur Barta

রাজশাহীতে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ শিক্ষক দম্পতি গ্রেপ্তার, উদ্ধারসংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন?



রাজশাহীতে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ শিক্ষক দম্পতি গ্রেপ্তার, উদ্ধারসংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন?
ছবি- প্রতিনিধি

রাজশাহী মহানগরীতে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ ১ শিক্ষক দম্পতিকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসিসি)। বুধবার রাত ১১টার দিকে মহানগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানাধীন হারপুর এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। 

গ্রেপ্তার মাদক কারবারিরা হলেন,রাজশাহী সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক মো. আল আমিন (৪৩) ও তাঁর স্ত্রী মোসা. সীমা খাতুন (৩৮)। আল আমিন কাশিয়াডাঙ্গা থানার গোলজারবাগ গুড়িপাড়া এলাকার মৃত কাবিলের ছেলে। তাঁর স্ত্রী সীমা খাতুন একই এলাকার মো. আমিনুল ইসলামের মেয়ে এবং স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. আলী আসলাম হোসেন।

তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিদর্শক (এসআই) আল-আমিনের নেতৃত্বে কাশিয়াডাঙ্গা থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ওই শিক্ষক দম্পতিকে আটক করে তাঁদের কাছ থেকে দুই হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার এবং একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।

এদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক প্রত্যক্ষদর্শী দাবি করেন, শিক্ষক দম্পতিকে আটকের সময় তাঁদের কাছ থেকে প্রায় পাঁচ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়েছিল। তবে প্রত্যক্ষদর্শীর এ দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিদর্শক (এসআই) আল-আমিনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি পাঁচ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধারের দাবি অস্বীকার করেন।

এসআই আল-আমিন বলেন, ‘রাস্তার ওপর তাঁদের আটকের সময় আশপাশে তেমন কাউকে আমরা দেখতে পাইনি। আটকের সময় ওই শিক্ষিকার হাতে থাকা শপিং ব্যাগ থেকে ১০টি জিপার প্যাকেট পাওয়া যায়। যার মধ্যে দুই হাজার পিস ইয়াবা ছিল।

এ বিষয়ে কাশিয়াডাঙ্গা থানার তদন্ত ওসি বলেন, গতকাল রাতে এক শিক্ষক দম্পতিকে ২ হাজার পিস অবৈধ ইয়াবাসহ ডিএনসিসি কর্মকর্তারা তাদের আটক করে। পরবর্তীতে থানায় মামলা হয়েছে। 

আটককৃ দম্পত্তি চিন্হিত মাদক কারবারি কি, না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে ডিএনসিসি বলতে পারবে, কারণ আটককৃত আসামীরা তাদের হেফাজতে থাকে, মামলা শুধু থানায় হয়।

উদ্ধার করা ইয়াবার সংখ্যা নিয়ে প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বক্তব্যে ভিন্নতা থাকলেও এ বিষয়ে কোনো অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তার শিক্ষক দম্পতির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে তাঁদের আদালতে সোপর্দ করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন

Daily Joypur Barta

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


রাজশাহীতে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ শিক্ষক দম্পতি গ্রেপ্তার, উদ্ধারসংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন?

প্রকাশের তারিখ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

রাজশাহী মহানগরীতে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ ১ শিক্ষক দম্পতিকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসিসি)। বুধবার রাত ১১টার দিকে মহানগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানাধীন হারপুর এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। 

গ্রেপ্তার মাদক কারবারিরা হলেন,রাজশাহী সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক মো. আল আমিন (৪৩) ও তাঁর স্ত্রী মোসা. সীমা খাতুন (৩৮)। আল আমিন কাশিয়াডাঙ্গা থানার গোলজারবাগ গুড়িপাড়া এলাকার মৃত কাবিলের ছেলে। তাঁর স্ত্রী সীমা খাতুন একই এলাকার মো. আমিনুল ইসলামের মেয়ে এবং স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. আলী আসলাম হোসেন।

তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিদর্শক (এসআই) আল-আমিনের নেতৃত্বে কাশিয়াডাঙ্গা থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ওই শিক্ষক দম্পতিকে আটক করে তাঁদের কাছ থেকে দুই হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার এবং একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।

এদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক প্রত্যক্ষদর্শী দাবি করেন, শিক্ষক দম্পতিকে আটকের সময় তাঁদের কাছ থেকে প্রায় পাঁচ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়েছিল। তবে প্রত্যক্ষদর্শীর এ দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিদর্শক (এসআই) আল-আমিনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি পাঁচ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধারের দাবি অস্বীকার করেন।

এসআই আল-আমিন বলেন, ‘রাস্তার ওপর তাঁদের আটকের সময় আশপাশে তেমন কাউকে আমরা দেখতে পাইনি। আটকের সময় ওই শিক্ষিকার হাতে থাকা শপিং ব্যাগ থেকে ১০টি জিপার প্যাকেট পাওয়া যায়। যার মধ্যে দুই হাজার পিস ইয়াবা ছিল।

এ বিষয়ে কাশিয়াডাঙ্গা থানার তদন্ত ওসি বলেন, গতকাল রাতে এক শিক্ষক দম্পতিকে ২ হাজার পিস অবৈধ ইয়াবাসহ ডিএনসিসি কর্মকর্তারা তাদের আটক করে। পরবর্তীতে থানায় মামলা হয়েছে। 

আটককৃ দম্পত্তি চিন্হিত মাদক কারবারি কি, না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে ডিএনসিসি বলতে পারবে, কারণ আটককৃত আসামীরা তাদের হেফাজতে থাকে, মামলা শুধু থানায় হয়।

উদ্ধার করা ইয়াবার সংখ্যা নিয়ে প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বক্তব্যে ভিন্নতা থাকলেও এ বিষয়ে কোনো অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তার শিক্ষক দম্পতির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে তাঁদের আদালতে সোপর্দ করা হয়।


Daily Joypur Barta



কপিরাইট © ২০২৬ Daily Joypur Barta । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত