নেত্রকোনার পূর্বধলায় দোকানে কাজ করা এক শিশুকে নিজ শোবার ঘরে ডেকে নিয়ে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে একটি মাদ্রাসার পরিচালকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ আব্দুল্লাহ আল মামুন দুলাল (৫২) নামে এই ব্যক্তিকে রাতে নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার করেছে।
রোববার (১৮ অক্টোবর/ ২৬) রাত নয়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী শিশুর বাবা মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার আব্দুল্লাহ আল মামুন দুলাল পূর্বধলা উপজেলার গোহালাকাদা ইউনিয়নের জালশুকা গ্রামের রওজাতুল আতফাল নূরানী ও হিফযুল কোরআন মাদ্রাসার পরিচালক। পাশাপাশি মা মেডিকল নামে একটি ঔষধের দোকান রয়েছে, যেখানে কাজ করত ভুক্তভোগী ১০ থেকে ১ বছরের শিশুটি। জানা যায় এই মাদ্রাসায় বাচ্চাটি লেখা পড়া করতো। পরে আর্থিক দুরঅবস্হার জন্য লেখা পড়া বন্ধ করে দুলালের ফার্মেসীতে কাজ শুরু করে। যেটি শিশু শ্রমের মধ্যে পড়ে।
থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে শিশুটির বাবা উল্লেখ করেন,ঘটনার দিন রাতে ফার্মেসির কাজ শেষে বাড়ি ফিরে ঘুমিয়ে পড়ে তার সন্তান। রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে অভিযুক্ত তাকে ডেকে নিজের শোবার ঘরে নিয়ে যান। সেখানে শিশুটির ইচ্ছার বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতন চালানো হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনার পর শিশুটি অসুস্থ্য হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যদের কাছে নির্যাতনের বিষয়টি বাচ্চা জানায়। পরে ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্তকে আটক করেন এবং পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে রাতেই উপজেলা প্রশাসন ও পূর্বধলা থানা পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। নির্যাতনের শিকার শিশুটিকে চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য রাতে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পূর্বধলা উপজেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক এম এ মনসুর খোকন আকন্দ বলেন,আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল,তাই কোন অপ্রীতিকর ঘটনা জনতাকে করতে দেই নাই।আশা করি উপজেলা প্রশাসন আইনি যথাযথ পদক্ষেপ নিবেন এবং ভুক্তভোগী পরিবারের পাশে থাকবেন।
পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে আদালতে হাজির করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো:শফিকুল ইসলাম বলেন,আমি নিজে রাতে ঘটনাস্হলে গিয়েছি শিশুসহ তার পরিবারের সাথে কথা বলেছি ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। আইনি ব্যবস্থা গ্রহণে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।

সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ অক্টোবর ২০২৬
নেত্রকোনার পূর্বধলায় দোকানে কাজ করা এক শিশুকে নিজ শোবার ঘরে ডেকে নিয়ে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে একটি মাদ্রাসার পরিচালকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ আব্দুল্লাহ আল মামুন দুলাল (৫২) নামে এই ব্যক্তিকে রাতে নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার করেছে।
রোববার (১৮ অক্টোবর/ ২৬) রাত নয়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী শিশুর বাবা মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার আব্দুল্লাহ আল মামুন দুলাল পূর্বধলা উপজেলার গোহালাকাদা ইউনিয়নের জালশুকা গ্রামের রওজাতুল আতফাল নূরানী ও হিফযুল কোরআন মাদ্রাসার পরিচালক। পাশাপাশি মা মেডিকল নামে একটি ঔষধের দোকান রয়েছে, যেখানে কাজ করত ভুক্তভোগী ১০ থেকে ১ বছরের শিশুটি। জানা যায় এই মাদ্রাসায় বাচ্চাটি লেখা পড়া করতো। পরে আর্থিক দুরঅবস্হার জন্য লেখা পড়া বন্ধ করে দুলালের ফার্মেসীতে কাজ শুরু করে। যেটি শিশু শ্রমের মধ্যে পড়ে।
থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগে শিশুটির বাবা উল্লেখ করেন,ঘটনার দিন রাতে ফার্মেসির কাজ শেষে বাড়ি ফিরে ঘুমিয়ে পড়ে তার সন্তান। রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে অভিযুক্ত তাকে ডেকে নিজের শোবার ঘরে নিয়ে যান। সেখানে শিশুটির ইচ্ছার বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতন চালানো হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনার পর শিশুটি অসুস্থ্য হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যদের কাছে নির্যাতনের বিষয়টি বাচ্চা জানায়। পরে ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্তকে আটক করেন এবং পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে রাতেই উপজেলা প্রশাসন ও পূর্বধলা থানা পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। নির্যাতনের শিকার শিশুটিকে চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য রাতে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পূর্বধলা উপজেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক এম এ মনসুর খোকন আকন্দ বলেন,আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল,তাই কোন অপ্রীতিকর ঘটনা জনতাকে করতে দেই নাই।আশা করি উপজেলা প্রশাসন আইনি যথাযথ পদক্ষেপ নিবেন এবং ভুক্তভোগী পরিবারের পাশে থাকবেন।
পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে আদালতে হাজির করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো:শফিকুল ইসলাম বলেন,আমি নিজে রাতে ঘটনাস্হলে গিয়েছি শিশুসহ তার পরিবারের সাথে কথা বলেছি ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। আইনি ব্যবস্থা গ্রহণে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন