দিনাজপুরে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার মামলায় ৫ বছর ১ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত পলাতক আসামি মোহাম্মদ আলী ওরফে জুয়েলকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-১৩)।
গতকাল রাত ১০টা ১৫ মিনিটে নীলফামারীর সৈয়দপুর থানার ওয়াপদা মোড়ে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার মোহাম্মদ আলী ওরফে জুয়েল দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ থানার খয়েরগুনি গ্রামের মো. আব্দুল মালেকের ছেলে। তিনি আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার একটি মামলায় ৫ বছর ১ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত এবং তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল।
বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে এসআরবি-১৩-এর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিপিএসসি, এসআরবি-১৩, রংপুরের একটি আভিযানিক দল সৈয়দপুরের ওয়াপদা মোড়ে অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এসআরবি-১৩ জানায়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ও আদালত কর্তৃক সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের আইনের আওতায় আনতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ অক্টোবর ২০২৬
দিনাজপুরে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার মামলায় ৫ বছর ১ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত পলাতক আসামি মোহাম্মদ আলী ওরফে জুয়েলকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-১৩)।
গতকাল রাত ১০টা ১৫ মিনিটে নীলফামারীর সৈয়দপুর থানার ওয়াপদা মোড়ে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার মোহাম্মদ আলী ওরফে জুয়েল দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ থানার খয়েরগুনি গ্রামের মো. আব্দুল মালেকের ছেলে। তিনি আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার একটি মামলায় ৫ বছর ১ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত এবং তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল।
বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে এসআরবি-১৩-এর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিপিএসসি, এসআরবি-১৩, রংপুরের একটি আভিযানিক দল সৈয়দপুরের ওয়াপদা মোড়ে অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এসআরবি-১৩ জানায়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ও আদালত কর্তৃক সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের আইনের আওতায় আনতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন