ফরিদপুরের ভাঙ্গা দুধ বাজার নদীর ঘাটে হিন্দু সম্প্রদায়ের দুই পক্ষের প্রতিমা বিসর্জন নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় নারী পুরুষ সহ ১০ জন লোক আহত হয়েছে। এদের মধ্যে তিনজন ভাঙ্গা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও এক জনকে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ভাঙ্গা বাজার চালপট্টি হরিমন্দির যুব সংঘের উদ্যোগে এবং কুমারপট্টি তরুন সংঘের উদ্যোগে পাশাপাশি দুটি পূজা মন্ডপে শান্তিপূর্ণভাবে পূজা সম্পন্ন হয়। রাতে প্রথমে হরি মন্দির যুব সংঘের লোকজন প্রতিমা বিসর্জন দিতে নদীর ঘাটে গেলে কুমারপট্টির তরুণ সংঘের লোকজনও প্রতিমা বিসর্জন দিতে যায়।
এ সময় প্রতিমা রাখা নিয়ে দু,পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি এবং একপর্যায়ে কুমার পুট্টি তরুন সংঘের ২০/৩০ জন্য লোকজন লাঠিসোটা নিয়ে হরিমন্দির যুব সংঘের লোকজন উপর অতর্কিত হামলা চালায়।
হামলায় হরি মন্দির যুব সংঘের সভাপতি তপন দাস সহ ১০ জন নারী পুরুষ আহত হয়। ঘটনার পর তরুণ সংঘের লোকজন গা ঢাকা দিয়েছে। এ ঘটনায় হরিমন্দিরের সভাপতি স্বপন দাস তিনি সহ তার স্ত্রী, ভাই সহ ১০-১২ জন লোক আহত হয়েছে বলে জানান তিনি ।
এ ব্যাপারে ভাঙ্গা থানার ওসি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সংবাদ পেয়ে রাতে ঘটনা স্থলে উপস্থিত হই এবং উভয় পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করি। তবে এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ অক্টোবর ২০২৬
ফরিদপুরের ভাঙ্গা দুধ বাজার নদীর ঘাটে হিন্দু সম্প্রদায়ের দুই পক্ষের প্রতিমা বিসর্জন নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় নারী পুরুষ সহ ১০ জন লোক আহত হয়েছে। এদের মধ্যে তিনজন ভাঙ্গা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও এক জনকে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ভাঙ্গা বাজার চালপট্টি হরিমন্দির যুব সংঘের উদ্যোগে এবং কুমারপট্টি তরুন সংঘের উদ্যোগে পাশাপাশি দুটি পূজা মন্ডপে শান্তিপূর্ণভাবে পূজা সম্পন্ন হয়। রাতে প্রথমে হরি মন্দির যুব সংঘের লোকজন প্রতিমা বিসর্জন দিতে নদীর ঘাটে গেলে কুমারপট্টির তরুণ সংঘের লোকজনও প্রতিমা বিসর্জন দিতে যায়।
এ সময় প্রতিমা রাখা নিয়ে দু,পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি এবং একপর্যায়ে কুমার পুট্টি তরুন সংঘের ২০/৩০ জন্য লোকজন লাঠিসোটা নিয়ে হরিমন্দির যুব সংঘের লোকজন উপর অতর্কিত হামলা চালায়।
হামলায় হরি মন্দির যুব সংঘের সভাপতি তপন দাস সহ ১০ জন নারী পুরুষ আহত হয়। ঘটনার পর তরুণ সংঘের লোকজন গা ঢাকা দিয়েছে। এ ঘটনায় হরিমন্দিরের সভাপতি স্বপন দাস তিনি সহ তার স্ত্রী, ভাই সহ ১০-১২ জন লোক আহত হয়েছে বলে জানান তিনি ।
এ ব্যাপারে ভাঙ্গা থানার ওসি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সংবাদ পেয়ে রাতে ঘটনা স্থলে উপস্থিত হই এবং উভয় পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করি। তবে এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে

আপনার মতামত লিখুন