বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে হিজরাপল্লীর ৫-৭ জনের বাড়িঘর ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছেন ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কসংলগ্ন উপজেলার সদরের পশ্চিম ব্রিজের সামনে ডহরপুর হিজরাপল্লীতে ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাদক কারবারিদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। ক্ষোভে ফুঁসে উঠে ওই এলাকার বসবাসকারী শান্ত, রেহেনা বেগম, নরেশ ও শিহাব হোসেনসহ আরও কয়েকজন অভিযুক্তদের বাড়িঘরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছেন বিক্ষুব্ধ জনতা। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা আত্মগোপনে রয়েছেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, হিজরাপল্লীতে বসবাসকারী অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা, হেরোইন, গাঁজা ও ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য বিক্রি করে আসছিলেন। প্রকাশ্যে মাদক বিক্রির কারণে স্থানীয় বাসিন্দারা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিলেন। মাদকের বিস্তারে এলাকার যুবসমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলেও অভিযোগ তাঁদের।
স্থানীয়দের দাবি, মাদক বিক্রি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ায় পরিস্থিতি দিন দিন আরও খারাপ হচ্ছিল। এরই জেরে বৃহস্পতিবার সকালে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
পরে বেলা ১১টার দিকে শতাধিক মানুষ ওই এলাকায় জড়ো হন। একপর্যায়ে মাদক কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের বাড়িঘরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।
আদমদীঘি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামিরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। তবে কেউ থানায় অভিযোগ করেন নি।

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ অক্টোবর ২০২৬
বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে হিজরাপল্লীর ৫-৭ জনের বাড়িঘর ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছেন ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কসংলগ্ন উপজেলার সদরের পশ্চিম ব্রিজের সামনে ডহরপুর হিজরাপল্লীতে ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাদক কারবারিদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। ক্ষোভে ফুঁসে উঠে ওই এলাকার বসবাসকারী শান্ত, রেহেনা বেগম, নরেশ ও শিহাব হোসেনসহ আরও কয়েকজন অভিযুক্তদের বাড়িঘরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছেন বিক্ষুব্ধ জনতা। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা আত্মগোপনে রয়েছেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, হিজরাপল্লীতে বসবাসকারী অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা, হেরোইন, গাঁজা ও ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য বিক্রি করে আসছিলেন। প্রকাশ্যে মাদক বিক্রির কারণে স্থানীয় বাসিন্দারা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিলেন। মাদকের বিস্তারে এলাকার যুবসমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলেও অভিযোগ তাঁদের।
স্থানীয়দের দাবি, মাদক বিক্রি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ায় পরিস্থিতি দিন দিন আরও খারাপ হচ্ছিল। এরই জেরে বৃহস্পতিবার সকালে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
পরে বেলা ১১টার দিকে শতাধিক মানুষ ওই এলাকায় জড়ো হন। একপর্যায়ে মাদক কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের বাড়িঘরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।
আদমদীঘি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামিরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। তবে কেউ থানায় অভিযোগ করেন নি।

আপনার মতামত লিখুন