দিনাজপুরের বিরল সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ৫০ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। উদ্ধার করা মদের সিজার মূল্য ৭৫ হাজার টাকা।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)।
বিজিবি জানায়, সোমবার দিবাগত রাতে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দিনাজপুরের বিরল উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে এনায়েতপুর বিওপির সদস্যরা। অভিযানের একপর্যায়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ৫০ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার করা মাদকদ্রব্যের সিজার মূল্য ৭৫ হাজার টাকা। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। পাশাপাশি, চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এম জিল্লুর রহমান বলেন, সীমান্ত দিয়ে মাদকের অবৈধ অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি আপসহীন।
সীমান্ত সুরক্ষায় কঠোর নজরদারি ও কার্যকর অভিযানের মাধ্যমে চোরাচালান চক্রের অপতৎপরতা রুখে দিতে বিজিবির তৎপরতা অব্যাহত থাকবে। সীমান্তকে মাদকমুক্ত রাখতে এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে অভিযান ভবিষ্যতেও চলবে।

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ অক্টোবর ২০২৬
দিনাজপুরের বিরল সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ৫০ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। উদ্ধার করা মদের সিজার মূল্য ৭৫ হাজার টাকা।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)।
বিজিবি জানায়, সোমবার দিবাগত রাতে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দিনাজপুরের বিরল উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে এনায়েতপুর বিওপির সদস্যরা। অভিযানের একপর্যায়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ৫০ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার করা মাদকদ্রব্যের সিজার মূল্য ৭৫ হাজার টাকা। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। পাশাপাশি, চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এম জিল্লুর রহমান বলেন, সীমান্ত দিয়ে মাদকের অবৈধ অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি আপসহীন।
সীমান্ত সুরক্ষায় কঠোর নজরদারি ও কার্যকর অভিযানের মাধ্যমে চোরাচালান চক্রের অপতৎপরতা রুখে দিতে বিজিবির তৎপরতা অব্যাহত থাকবে। সীমান্তকে মাদকমুক্ত রাখতে এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে অভিযান ভবিষ্যতেও চলবে।

আপনার মতামত লিখুন