এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় যে, সাতক্ষীরা থানাধীন গাংনিয়া সাকিনস্থ পাড়ইপাড়া ধর্মরাজ ঠাকুরের মন্দিরের সামনে কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে।
তাৎক্ষণিকভাবে মুঠোফোনে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে সত্যতা যাচাই ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ পান তিনি। এরপর সংগীয় অফিসার ও ফোর্সসহ ডিবির মাইক্রোবাসযোগে রাত নয়টা ১০ মিনিটে গাংনিয়া পাড়ইপাড়া মন্দিরের সামনে উপস্থিত হন।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টাকালে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় অভিযুক্ত ইমরান হোসেনকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয় সাক্ষীদের সামনে ধৃত আসামীর দেহ তল্লাশি করা হয়। এ সময় তার ডান হাতে থাকা একটি প্লাস্টিকের বাজার করার ব্যাগ থেকে ৫ (পাঁচ) বোতল কোডিনযুক্ত মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়। পর্যাপ্ত টর্চ ও বৈদ্যুতিক আলোর উপস্থিতিতে বিধি মোতাবেক জব্দতালিকা মূলে আলামত জব্দ করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত আসামী অবৈধ মাদকদ্রব্য বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে নিজ হেফাজতে রাখিয়া ঘটনাস্থলে অবস্থান করছিল বলে স্বীকার করে।
এ ঘটনায় আটককৃত আসামীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সাতক্ষীরা সদর থানায় গত ৩০ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে মামলা নম্বর ৬২ রুজু করা হয়েছে। সাতক্ষীরা জেলায় মাদক নির্মূলে ডিবির এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬
এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় যে, সাতক্ষীরা থানাধীন গাংনিয়া সাকিনস্থ পাড়ইপাড়া ধর্মরাজ ঠাকুরের মন্দিরের সামনে কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে।
তাৎক্ষণিকভাবে মুঠোফোনে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে সত্যতা যাচাই ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ পান তিনি। এরপর সংগীয় অফিসার ও ফোর্সসহ ডিবির মাইক্রোবাসযোগে রাত নয়টা ১০ মিনিটে গাংনিয়া পাড়ইপাড়া মন্দিরের সামনে উপস্থিত হন।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টাকালে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় অভিযুক্ত ইমরান হোসেনকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয় সাক্ষীদের সামনে ধৃত আসামীর দেহ তল্লাশি করা হয়। এ সময় তার ডান হাতে থাকা একটি প্লাস্টিকের বাজার করার ব্যাগ থেকে ৫ (পাঁচ) বোতল কোডিনযুক্ত মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়। পর্যাপ্ত টর্চ ও বৈদ্যুতিক আলোর উপস্থিতিতে বিধি মোতাবেক জব্দতালিকা মূলে আলামত জব্দ করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত আসামী অবৈধ মাদকদ্রব্য বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে নিজ হেফাজতে রাখিয়া ঘটনাস্থলে অবস্থান করছিল বলে স্বীকার করে।
এ ঘটনায় আটককৃত আসামীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সাতক্ষীরা সদর থানায় গত ৩০ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে মামলা নম্বর ৬২ রুজু করা হয়েছে। সাতক্ষীরা জেলায় মাদক নির্মূলে ডিবির এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন