স্বামীর সঙ্গে মোটরসাইকেলে করে রাজশাহী থেকে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন শিক্ষিকা জয়া রানী (৩০)। কিন্তু বাড়ি ফেরা আর হলো না তাঁর। পথেই মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন তিনি। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন তাঁর স্বামী ব্যাংক কর্মকর্তা বাবলা দাস (৩১)।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কের দুপচাঁচিয়া উপজেলার তিশিগাড়ী মোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত জয়া রানী ও তাঁর স্বামী বাবলা দাস বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার কিচক এলাকার বাসিন্দা।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে রাজশাহী থেকে মোটরসাইকেলে করে শিবগঞ্জের নিজ বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন জয়া রানী ও বাবলা দাস। পথে দুপচাঁচিয়ার তিশিগাড়ী মোড় এলাকায় পৌঁছালে পেছন দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির ট্রাক তাঁদের মোটরসাইকেলটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়।
এতে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে ছিটকে পড়ে। এ সময় মোটরসাইকেলের পেছনে থাকা জয়া রানী ছিটকে মহাসড়কের ওপর পড়ে যান। ঠিক তখনই বিপরীত দিক থেকে আসা আরেকটি ট্রাক তাঁকে চাপা দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন স্বামী বাবলা দাস। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত দুপচাঁচিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
দুপচাঁচিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তাজমিলুর রহমান জানান, এ ঘটনায় কোনো অভিযোগ না থাকায় প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহত জয়া রানীর মরদেহ সৎকারের জন্য পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬
স্বামীর সঙ্গে মোটরসাইকেলে করে রাজশাহী থেকে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন শিক্ষিকা জয়া রানী (৩০)। কিন্তু বাড়ি ফেরা আর হলো না তাঁর। পথেই মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন তিনি। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন তাঁর স্বামী ব্যাংক কর্মকর্তা বাবলা দাস (৩১)।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কের দুপচাঁচিয়া উপজেলার তিশিগাড়ী মোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত জয়া রানী ও তাঁর স্বামী বাবলা দাস বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার কিচক এলাকার বাসিন্দা।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে রাজশাহী থেকে মোটরসাইকেলে করে শিবগঞ্জের নিজ বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন জয়া রানী ও বাবলা দাস। পথে দুপচাঁচিয়ার তিশিগাড়ী মোড় এলাকায় পৌঁছালে পেছন দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির ট্রাক তাঁদের মোটরসাইকেলটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়।
এতে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে ছিটকে পড়ে। এ সময় মোটরসাইকেলের পেছনে থাকা জয়া রানী ছিটকে মহাসড়কের ওপর পড়ে যান। ঠিক তখনই বিপরীত দিক থেকে আসা আরেকটি ট্রাক তাঁকে চাপা দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন স্বামী বাবলা দাস। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত দুপচাঁচিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
দুপচাঁচিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তাজমিলুর রহমান জানান, এ ঘটনায় কোনো অভিযোগ না থাকায় প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহত জয়া রানীর মরদেহ সৎকারের জন্য পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন