জয়পুরহাটের কালাইয়ে মালবোঝাই ট্রাকের ধাক্কায় ইজিবাইকের দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ইজিবাইকের চালকসহ দুজন গুরুতর আহত হন। তাঁদের মধ্যে চালক এনামুল হকের (৬০) ডান পা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল।
দুর্ঘটনার পর তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে রাত আটটার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়। অপর আহত যাত্রী সোহরাব আলী (৫৫) গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
দুর্ঘটনার পর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাকটি সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। এ সময় ট্রাকের চালক ও সহকারী পালিয়ে যান।শনিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে জয়পুরহাট-বগুড়া মহাসড়কের কালাই উপজেলার পুনট কোল্ড স্টোরেজের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন কালাই উপজেলার পুনট ইউনিয়নের আফলাপাড়া গ্রামের মৃত নায়েব আলীর ছেলে নুরনবী (৬০) এবং একই গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে ইজিবাইকচালক এনামুল হক (৬০)। আহত সোহরাব আলী একই গ্রামের মো. ইউসুফ আলীর ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যায় কাজ শেষে ইজিবাইক নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন এনামুল হক। তাঁর ইজিবাইকে যাত্রী হিসেবে ছিলেন নুরনবী ও সোহরাব আলী। তাঁরা কালাই থেকে নিজ গ্রাম আফলাপাড়ার দিকে যাচ্ছিলেন।
পথে পুনট কোল্ড স্টোরেজের সামনে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মালবোঝাই ট্রাক ইজিবাইকটিকে অতিক্রম করার সময় পেছন দিক থেকে ধাক্কা দেয়। এতে ইজিবাইকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যায়।
চালক ও দুই যাত্রী সড়কের ওপর ছিটকে পড়েন। এ সময় ট্রাকের পেছনের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই নুরনবীর মৃত্যু হয়। ইজিবাইকচালক এনামুলের ডান পা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। গুরুতর আহত হন অপর যাত্রী সোহরাব আলীও।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আহত দুজনকে উদ্ধার করে কালাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁদের অবস্থা গুরুতর দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত আটটার দিকে এনামুল হকের মৃত্যু হয়।
এদিকে দুর্ঘটনার পর ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। ট্রাকের চালক ও তাঁর সহকারী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। খবর পেয়ে কালাই থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহত নুরনবীর মরদেহ উদ্ধার করে। পরে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুল আলম বলেন, ট্রাকের ধাক্কায় ইজিবাইক থেকে ছিটকে পড়ে একজন নিহত এবং দুজন আহত হয়েছিলেন। আহতদের বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল। পরে ইজিবাইকচালক এনামুল হক সেখানে মারা গেছেন বলে জানতে পেরেছি।
দুর্ঘটনার পর ট্রাকটি খাদে পড়ে রয়েছে। চালক ও তাঁর সহকারী পালিয়ে গেছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় প্রথম নিহত নুরনবীর মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬
জয়পুরহাটের কালাইয়ে মালবোঝাই ট্রাকের ধাক্কায় ইজিবাইকের দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ইজিবাইকের চালকসহ দুজন গুরুতর আহত হন। তাঁদের মধ্যে চালক এনামুল হকের (৬০) ডান পা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল।
দুর্ঘটনার পর তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে রাত আটটার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়। অপর আহত যাত্রী সোহরাব আলী (৫৫) গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
দুর্ঘটনার পর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাকটি সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। এ সময় ট্রাকের চালক ও সহকারী পালিয়ে যান।শনিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে জয়পুরহাট-বগুড়া মহাসড়কের কালাই উপজেলার পুনট কোল্ড স্টোরেজের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন কালাই উপজেলার পুনট ইউনিয়নের আফলাপাড়া গ্রামের মৃত নায়েব আলীর ছেলে নুরনবী (৬০) এবং একই গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে ইজিবাইকচালক এনামুল হক (৬০)। আহত সোহরাব আলী একই গ্রামের মো. ইউসুফ আলীর ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যায় কাজ শেষে ইজিবাইক নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন এনামুল হক। তাঁর ইজিবাইকে যাত্রী হিসেবে ছিলেন নুরনবী ও সোহরাব আলী। তাঁরা কালাই থেকে নিজ গ্রাম আফলাপাড়ার দিকে যাচ্ছিলেন।
পথে পুনট কোল্ড স্টোরেজের সামনে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মালবোঝাই ট্রাক ইজিবাইকটিকে অতিক্রম করার সময় পেছন দিক থেকে ধাক্কা দেয়। এতে ইজিবাইকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যায়।
চালক ও দুই যাত্রী সড়কের ওপর ছিটকে পড়েন। এ সময় ট্রাকের পেছনের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই নুরনবীর মৃত্যু হয়। ইজিবাইকচালক এনামুলের ডান পা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। গুরুতর আহত হন অপর যাত্রী সোহরাব আলীও।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আহত দুজনকে উদ্ধার করে কালাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁদের অবস্থা গুরুতর দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত আটটার দিকে এনামুল হকের মৃত্যু হয়।
এদিকে দুর্ঘটনার পর ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। ট্রাকের চালক ও তাঁর সহকারী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। খবর পেয়ে কালাই থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহত নুরনবীর মরদেহ উদ্ধার করে। পরে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুল আলম বলেন, ট্রাকের ধাক্কায় ইজিবাইক থেকে ছিটকে পড়ে একজন নিহত এবং দুজন আহত হয়েছিলেন। আহতদের বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল। পরে ইজিবাইকচালক এনামুল হক সেখানে মারা গেছেন বলে জানতে পেরেছি।
দুর্ঘটনার পর ট্রাকটি খাদে পড়ে রয়েছে। চালক ও তাঁর সহকারী পালিয়ে গেছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় প্রথম নিহত নুরনবীর মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন