নিহত শিক্ষার্থীর নাম সিয়াম (১৮)। তিনি ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের শহীদ রমিজ উদ্দীন কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র। আহত শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি ঝালকাঠির এন এস কামিল মাদ্রাসার একাদশ শ্রেণির ছাত্র।
পুলিশ জানায়, ঘটনার পর সিয়ামের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহত সিয়ামের খালু এবং মির্জাগঞ্জ ইয়ারিয়া আলিম মাদ্রাসার শিক্ষক মো. বাদল হাওলাদার জানান, সিয়াম ও আহত মাহমুদ সম্পর্কে খালাত ভাই। সিয়াম তিন দিন আগে পটুয়াখালীর মরিচবুনিয়া গ্রামে তার নানাবাড়িতে বেড়াতে আসে। কীভাবে এবং কী কারণে সে মির্জাগঞ্জে এসেছিল, তা পরিবার জানে না। খবর পেয়ে হাসপাতালে এসে সিয়ামের লাশ দেখতে পান এবং নিজের ছেলে মাহমুদকে গুরুতর আহত অবস্থায় জরুরি বিভাগে পান।
আহত আবদুল্লাহ আল মাহমুদ চিকিৎসকদের কাছে দেওয়া বক্তব্যে জানান, সুবিদখালী সরকারি কলেজের পেছনে বসে তারা দুজন কথা বলছিলেন। এ সময় ৩ থেকে ৪ জন যুবক এসে তাদের কাছে ১০ হাজার টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে মাদক দিয়ে পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে মারধর শুরু করে। এরপর আর কিছু মনে নেই বলে জানান তিনি।
পটুয়াখালী সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার মো. আবদুর রহমান শামীম বলেন, আনুমানিক বিকেল চারটার দিকে কয়েকজন যুবক সিয়াম ও মাহমুদকে হাসপাতালে নিয়ে আসে। এরপর তারা দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। হাসপাতালে আনার ১৫ থেকে ২০ মিনিট আগেই সিয়ামের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আ. সালাম জানান, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। পটুয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) কিশোর কুমার রায় ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন।
তিনি আরও জানান, কী কারণে এবং কারা এ হামলা চালিয়েছে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫
নিহত শিক্ষার্থীর নাম সিয়াম (১৮)। তিনি ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের শহীদ রমিজ উদ্দীন কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র। আহত শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি ঝালকাঠির এন এস কামিল মাদ্রাসার একাদশ শ্রেণির ছাত্র।
পুলিশ জানায়, ঘটনার পর সিয়ামের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহত সিয়ামের খালু এবং মির্জাগঞ্জ ইয়ারিয়া আলিম মাদ্রাসার শিক্ষক মো. বাদল হাওলাদার জানান, সিয়াম ও আহত মাহমুদ সম্পর্কে খালাত ভাই। সিয়াম তিন দিন আগে পটুয়াখালীর মরিচবুনিয়া গ্রামে তার নানাবাড়িতে বেড়াতে আসে। কীভাবে এবং কী কারণে সে মির্জাগঞ্জে এসেছিল, তা পরিবার জানে না। খবর পেয়ে হাসপাতালে এসে সিয়ামের লাশ দেখতে পান এবং নিজের ছেলে মাহমুদকে গুরুতর আহত অবস্থায় জরুরি বিভাগে পান।
আহত আবদুল্লাহ আল মাহমুদ চিকিৎসকদের কাছে দেওয়া বক্তব্যে জানান, সুবিদখালী সরকারি কলেজের পেছনে বসে তারা দুজন কথা বলছিলেন। এ সময় ৩ থেকে ৪ জন যুবক এসে তাদের কাছে ১০ হাজার টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে মাদক দিয়ে পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে মারধর শুরু করে। এরপর আর কিছু মনে নেই বলে জানান তিনি।
পটুয়াখালী সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার মো. আবদুর রহমান শামীম বলেন, আনুমানিক বিকেল চারটার দিকে কয়েকজন যুবক সিয়াম ও মাহমুদকে হাসপাতালে নিয়ে আসে। এরপর তারা দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। হাসপাতালে আনার ১৫ থেকে ২০ মিনিট আগেই সিয়ামের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আ. সালাম জানান, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। পটুয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) কিশোর কুমার রায় ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন।
তিনি আরও জানান, কী কারণে এবং কারা এ হামলা চালিয়েছে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

আপনার মতামত লিখুন