স্থানীয় ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলোর উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে হিফজ সম্পন্নকারীদের পরিবার, ধর্মীয় আলেম, শিক্ষক ও স্থানীয় বাসিন্দারা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অনেকেই যুদ্ধের সময় একাধিকবার বাস্তুচ্যুত হয়েছেন বলে আয়োজকরা জানান।
অনুষ্ঠানজুড়ে কোরআন তেলাওয়াত, দোয়া ও বক্তব্যের মাধ্যমে অব্যাহত বোমাবর্ষণ, নিরাপত্তাহীনতা এবং মানবিক সংকটের মধ্যেও ধৈর্য, ঈমান ও অবিচলতার বার্তা তুলে ধরা হয়। বক্তারা বলেন, এই অর্জন কেবল ব্যক্তিগত ধর্মীয় সাফল্য নয়, বরং ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মপরিচয় ও সাংস্কৃতিক অস্তিত্ব রক্ষার প্রতীক।
আয়োজকরা জানান, নিরবচ্ছিন্ন বিমান হামলা, বিদ্যুৎ ও বিশুদ্ধ পানির সংকট, নিরাপদ আশ্রয়ের অভাব এবং স্বজন হারানোর গভীর বেদনার মধ্যেই এসব শিশু-কিশোর ও তরুণ কোরআন মুখস্থ করেছেন। অনেকেই ভিড়ঠাসা আশ্রয়কেন্দ্রে, ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িতে কিংবা অস্থায়ী শ্রেণিকক্ষে মোমবাতির আলোতে পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এক আয়োজক বলেন, “যখন ইসরাইল আমাদের জীবন, সংস্কৃতি ও ভবিষ্যৎ মুছে দিতে চায়, তখন এই হাফেজ ও হাফেজারা আল্লাহর বাণীকে নিজেদের হৃদয়ে সংরক্ষণ করে রেখেছেন। এটি আমাদের নীরব কিন্তু শক্ত প্রতিরোধ।”
উপস্থিত ধর্মীয় আলেমরা বলেন, দীর্ঘদিনের অবরোধ ও একাধিক সামরিক অভিযানের পরও গাজায় কোরআন শিক্ষার একটি সুদৃঢ় ঐতিহ্য রয়েছে। যুদ্ধের সময় বহু হিফজ কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হলেও স্বেচ্ছাসেবী উদ্যোগ ও পারিবারিক সহযোগিতার মাধ্যমে অনানুষ্ঠানিকভাবে এই শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
অভিভাবকেরা জানান, বোমা পড়ার বিকট শব্দ ও অনিশ্চিত জীবনের মধ্যে তাদের সন্তানরা মানসিক শান্তি ও সাহস পাওয়ার জন্য কোরআনের আশ্রয় নিয়েছে। তাদের মতে, এই কঠিন সময়ে কোরআনই শিশুদের শক্তি ও আশার প্রধান উৎস হয়ে উঠেছে।

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫
স্থানীয় ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলোর উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে হিফজ সম্পন্নকারীদের পরিবার, ধর্মীয় আলেম, শিক্ষক ও স্থানীয় বাসিন্দারা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অনেকেই যুদ্ধের সময় একাধিকবার বাস্তুচ্যুত হয়েছেন বলে আয়োজকরা জানান।
অনুষ্ঠানজুড়ে কোরআন তেলাওয়াত, দোয়া ও বক্তব্যের মাধ্যমে অব্যাহত বোমাবর্ষণ, নিরাপত্তাহীনতা এবং মানবিক সংকটের মধ্যেও ধৈর্য, ঈমান ও অবিচলতার বার্তা তুলে ধরা হয়। বক্তারা বলেন, এই অর্জন কেবল ব্যক্তিগত ধর্মীয় সাফল্য নয়, বরং ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মপরিচয় ও সাংস্কৃতিক অস্তিত্ব রক্ষার প্রতীক।
আয়োজকরা জানান, নিরবচ্ছিন্ন বিমান হামলা, বিদ্যুৎ ও বিশুদ্ধ পানির সংকট, নিরাপদ আশ্রয়ের অভাব এবং স্বজন হারানোর গভীর বেদনার মধ্যেই এসব শিশু-কিশোর ও তরুণ কোরআন মুখস্থ করেছেন। অনেকেই ভিড়ঠাসা আশ্রয়কেন্দ্রে, ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িতে কিংবা অস্থায়ী শ্রেণিকক্ষে মোমবাতির আলোতে পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এক আয়োজক বলেন, “যখন ইসরাইল আমাদের জীবন, সংস্কৃতি ও ভবিষ্যৎ মুছে দিতে চায়, তখন এই হাফেজ ও হাফেজারা আল্লাহর বাণীকে নিজেদের হৃদয়ে সংরক্ষণ করে রেখেছেন। এটি আমাদের নীরব কিন্তু শক্ত প্রতিরোধ।”
উপস্থিত ধর্মীয় আলেমরা বলেন, দীর্ঘদিনের অবরোধ ও একাধিক সামরিক অভিযানের পরও গাজায় কোরআন শিক্ষার একটি সুদৃঢ় ঐতিহ্য রয়েছে। যুদ্ধের সময় বহু হিফজ কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হলেও স্বেচ্ছাসেবী উদ্যোগ ও পারিবারিক সহযোগিতার মাধ্যমে অনানুষ্ঠানিকভাবে এই শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
অভিভাবকেরা জানান, বোমা পড়ার বিকট শব্দ ও অনিশ্চিত জীবনের মধ্যে তাদের সন্তানরা মানসিক শান্তি ও সাহস পাওয়ার জন্য কোরআনের আশ্রয় নিয়েছে। তাদের মতে, এই কঠিন সময়ে কোরআনই শিশুদের শক্তি ও আশার প্রধান উৎস হয়ে উঠেছে।

আপনার মতামত লিখুন