মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে জয়পুরহাটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে। একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ ডা. আবুল কাশেম ময়দানে অবস্থিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় নেমে আসে মানুষের ঢল।
দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচির শুরুতে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় জেলা প্রশাসক মো. আল-মামুন মিয়াসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরে পুলিশ সুপার মিনা মাহমুদাসহ জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা শ্রদ্ধা জানান। এরপর জেলা জামায়াতের আমীর ও জয়পুরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান সাঈদ, বিএনপির নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে পর্যায়ক্রমে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, ভাষার জন্য জীবন উৎসর্গের নজির পৃথিবীর অন্য কোথাও নেই। তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে শহীদ বরকত, রফিক, জব্বার, সালামসহ ভাষা সংগ্রামীদের আত্মত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থা ইউনেস্কো দিনটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
তিনি বলেন, ভাষা আন্দোলন ছিল বৈষম্যহীন সমাজব্যবস্থা, সাম্য, ন্যায়বিচার ও গণতান্ত্রিক অধিকারের সংগ্রাম। মাতৃভাষায় কথা বলার অধিকার আদায়ের মধ্য দিয়ে যে চেতনার সূচনা হয়েছিল, তা পরবর্তী স্বাধিকার আন্দোলন ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে অনুপ্রাণিত করেছে। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে বিভিন্ন গণআন্দোলনে যাঁরা শহীদ হয়েছেন, তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দীর্ঘ গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় জনগণের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে বর্তমান সরকার গঠিত হয়েছে। তিনি জানান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)- এর চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী দিবসটি উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে দুর্নীতিমুক্ত সমাজ ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।
সরকারি কর্মকর্তাদের মূল্যায়নের প্রসঙ্গ টেনে মো. আব্দুল বারী বলেন, সততা, দক্ষতা ও মেধাই হবে মূল্যায়নের একমাত্র মানদণ্ড- এর কোনো বিকল্প নেই। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ঘোষিত নীতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশ উন্নয়ন ও সুশাসনের পথে আরও এগিয়ে যাবে। তখনই ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগসহ স্বাধীনতা যুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের শহীদদের ত্যাগ সার্থক হবে।

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে জয়পুরহাটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে। একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ ডা. আবুল কাশেম ময়দানে অবস্থিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় নেমে আসে মানুষের ঢল।
দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচির শুরুতে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় জেলা প্রশাসক মো. আল-মামুন মিয়াসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরে পুলিশ সুপার মিনা মাহমুদাসহ জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা শ্রদ্ধা জানান। এরপর জেলা জামায়াতের আমীর ও জয়পুরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান সাঈদ, বিএনপির নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে পর্যায়ক্রমে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, ভাষার জন্য জীবন উৎসর্গের নজির পৃথিবীর অন্য কোথাও নেই। তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে শহীদ বরকত, রফিক, জব্বার, সালামসহ ভাষা সংগ্রামীদের আত্মত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থা ইউনেস্কো দিনটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
তিনি বলেন, ভাষা আন্দোলন ছিল বৈষম্যহীন সমাজব্যবস্থা, সাম্য, ন্যায়বিচার ও গণতান্ত্রিক অধিকারের সংগ্রাম। মাতৃভাষায় কথা বলার অধিকার আদায়ের মধ্য দিয়ে যে চেতনার সূচনা হয়েছিল, তা পরবর্তী স্বাধিকার আন্দোলন ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে অনুপ্রাণিত করেছে। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে বিভিন্ন গণআন্দোলনে যাঁরা শহীদ হয়েছেন, তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দীর্ঘ গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় জনগণের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে বর্তমান সরকার গঠিত হয়েছে। তিনি জানান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)- এর চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী দিবসটি উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে দুর্নীতিমুক্ত সমাজ ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।
সরকারি কর্মকর্তাদের মূল্যায়নের প্রসঙ্গ টেনে মো. আব্দুল বারী বলেন, সততা, দক্ষতা ও মেধাই হবে মূল্যায়নের একমাত্র মানদণ্ড- এর কোনো বিকল্প নেই। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ঘোষিত নীতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশ উন্নয়ন ও সুশাসনের পথে আরও এগিয়ে যাবে। তখনই ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগসহ স্বাধীনতা যুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের শহীদদের ত্যাগ সার্থক হবে।

আপনার মতামত লিখুন