গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই সনদ কার্যকর এবং জুলাইয়ের হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে গণমিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে একটি গণমিছিল পৌর শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে পৌর শহরের শিবদীঘী জুলাই চত্বরে অনুষ্ঠিত হয় সমাবেশ।
আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমির মিজানুর রহমান মাস্টার। আরও বক্তব্য রাখেন জামায়াতের আমির রফিকুল ইসলাম,সেক্রেটারি মিন্নাতুল্লাহ পাঠান, শ্রমিককল্যাণ ফেডারেশনের জেলা সভাপতি মতিউর রহমান, উপজেলা যুব বিভাগের সভাপতি মোকাররম হোসাইন, জেলা ছাত্র শিবিরের সভাপতি আনিশ আহমেদ।
এ সময় বক্তারা বলেন, যেখানে দেশের ৭০ ভাগ মানুষ গণভোটের পক্ষে রায় দিয়েছে, যাদের ফলে স্বাধীনভাবে কথা বলার অধিকার পেয়েছি সেই জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য আন্দোলন করতে হবে এমনটা আমাদের আশা ছিল না। যারা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে চায় না তার ফ্যাসিবাদের দালাল। যারা দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব মানতে চায় না, যারা জুলুম নির্যাতনের ধারা অব্যাহত রাখতে চায়, তারাই গণভোটের রায় মানতে চায় না।
বক্তারা আরও বলেন,৫২ এর আন্দোলন শুরু হয়েছিলো শেষ হয়েছে, ৭১ এ আন্দোলন শুরু হয়েছিলো শেষ হয়েছে, ঠিক একই আন্দোলন ২৪ এ শুরু হয়েছিলো সফল ভাবে শেষ হয়েছে। তাই সাবধান হয়ে যান, জুলাইয়ের সাথে গাদ্দারী, গণভোটের সাথে গাদ্দারী করলে ফলাফল ভালো হবে না। ছাত্র শিবির আন্দোলন শুরু করেছে জয়ী হয়ে আমরা সবাই ঘরে ফিরবো।
তাই আপনাদের প্রতি উদ্বাত্ত্ব আহবান রায়ের প্রতি সম্মান দেখিয়ে জুলাই সনদ মেনে নেওয়ার। মনে রাখবেন এ দাবি না মানলে জামায়াতে ইসলামী কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করবে।

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই সনদ কার্যকর এবং জুলাইয়ের হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে গণমিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে একটি গণমিছিল পৌর শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে পৌর শহরের শিবদীঘী জুলাই চত্বরে অনুষ্ঠিত হয় সমাবেশ।
আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমির মিজানুর রহমান মাস্টার। আরও বক্তব্য রাখেন জামায়াতের আমির রফিকুল ইসলাম,সেক্রেটারি মিন্নাতুল্লাহ পাঠান, শ্রমিককল্যাণ ফেডারেশনের জেলা সভাপতি মতিউর রহমান, উপজেলা যুব বিভাগের সভাপতি মোকাররম হোসাইন, জেলা ছাত্র শিবিরের সভাপতি আনিশ আহমেদ।
এ সময় বক্তারা বলেন, যেখানে দেশের ৭০ ভাগ মানুষ গণভোটের পক্ষে রায় দিয়েছে, যাদের ফলে স্বাধীনভাবে কথা বলার অধিকার পেয়েছি সেই জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য আন্দোলন করতে হবে এমনটা আমাদের আশা ছিল না। যারা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে চায় না তার ফ্যাসিবাদের দালাল। যারা দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব মানতে চায় না, যারা জুলুম নির্যাতনের ধারা অব্যাহত রাখতে চায়, তারাই গণভোটের রায় মানতে চায় না।
বক্তারা আরও বলেন,৫২ এর আন্দোলন শুরু হয়েছিলো শেষ হয়েছে, ৭১ এ আন্দোলন শুরু হয়েছিলো শেষ হয়েছে, ঠিক একই আন্দোলন ২৪ এ শুরু হয়েছিলো সফল ভাবে শেষ হয়েছে। তাই সাবধান হয়ে যান, জুলাইয়ের সাথে গাদ্দারী, গণভোটের সাথে গাদ্দারী করলে ফলাফল ভালো হবে না। ছাত্র শিবির আন্দোলন শুরু করেছে জয়ী হয়ে আমরা সবাই ঘরে ফিরবো।
তাই আপনাদের প্রতি উদ্বাত্ত্ব আহবান রায়ের প্রতি সম্মান দেখিয়ে জুলাই সনদ মেনে নেওয়ার। মনে রাখবেন এ দাবি না মানলে জামায়াতে ইসলামী কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করবে।

আপনার মতামত লিখুন