জয়পুরহাট    শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Daily Joypur Barta

অসুস্থ স্বামী সন্তান নিয়ে দিশেহারা স্ত্রী



অসুস্থ স্বামী সন্তান নিয়ে দিশেহারা স্ত্রী
ছবি: প্রতিনিধি

জয়পুরহাটের পাঁচবিবির বাগজানা মাষ্টার পাড়ার সজল চন্দ্র মহন্ত শ্রমিকের কাজ করে দুই সন্তানের সংসার চালাত। 

বাপ-দাদার কোনো সম্পত্তি ছিল না বিধায় ভিটেমাটি ছাড়া আর কিছুই নেই তার। অভাবের সংসার হলেও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে সুখেই সংসার চালাত সজল।

বছর খানেক আগে হঠাৎ ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয় সজল। এরপর ধীরে ধীরে প্যারালাইসিস আক্রান্তে চলাফেরা করতে না পারে ঘরবন্দি হয়। সজল কথা বলতে পারে না, এবং কিছু মনেও রাখতে পারে না। দিন দিন শরীরের শক্তিও কমে যাচ্ছে। 

প্রথমে বগুড়ায় চিকিৎসা করলেও এখন টাকার অভাবে বন্ধ হয়েছে। পাঁচবিবি-হিলি পাকা রাস্তা সংলগ্ন বাড়িতেই হাজার টাকার কম পুঁজির ছোট্ট একটি দোকানই এখন সংসারের সম্বল। ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ায় সজলের পরিবার ও জীবনটা পুরো পাল্টে গেছে।

সজলের অসুস্থতার পর সংসারের পুরো হাল ধরতে হয়েছে স্ত্রী বৃষ্টি রানী মহন্তকে। মেয়ে মানুষ হয়ে ছোট দুটি সন্তান নিয়ে একা সংসার চালাতে গিয়ে তিনিও হাঁপিয়ে উঠেছেন। ছোট দোকানের আয় দিয়েই ওষুধ, খাবার আর সংসার কোনোমতে সামলে নিচ্ছেন বৃষ্টি। এরমধ্যেই বড় ছেলের পড়ালেখা প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম।

বৃষ্টি রানী কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, "স্বামীর চিকিৎসার জন্য সরকারি-বেসরকারি,কোনো স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বা সমাজের বিত্তবনরা যদি একটু সাহায্য করলে আমার স্বামী আবার সুস্থ হয়ে উঠতে পারত। চলাফেরার জন্য যদি একটা হুইলচেয়ার পেতাম, তাহলে আরো ভাল হত।

৪'জনের ছোট্ট সংসার এখন চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন। একসময়ের কর্মক্ষম সজল আজ সবার বোঝা হয়েছে শুধু টাকার অভাবে চিকিৎসা করতে না পারায় ধুঁকে ধুঁকে জীবনটা শেষ হয়ে যাচ্ছে।

সজলের চিকিৎসা ও অসহায় পরিবাটির পাশে দাঁড়াতে সমাজের হৃদয়বান ব্যক্তি, সামাজিক সংগঠন ও প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বৃষ্টি রানী তার ফোন নং দেন ০১৭৮২-৯২৫১৬১ (বিকাশ/নগদ)।


আপনার মতামত লিখুন

Daily Joypur Barta

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬


অসুস্থ স্বামী সন্তান নিয়ে দিশেহারা স্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬

featured Image

জয়পুরহাটের পাঁচবিবির বাগজানা মাষ্টার পাড়ার সজল চন্দ্র মহন্ত শ্রমিকের কাজ করে দুই সন্তানের সংসার চালাত। 

বাপ-দাদার কোনো সম্পত্তি ছিল না বিধায় ভিটেমাটি ছাড়া আর কিছুই নেই তার। অভাবের সংসার হলেও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে সুখেই সংসার চালাত সজল।

বছর খানেক আগে হঠাৎ ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয় সজল। এরপর ধীরে ধীরে প্যারালাইসিস আক্রান্তে চলাফেরা করতে না পারে ঘরবন্দি হয়। সজল কথা বলতে পারে না, এবং কিছু মনেও রাখতে পারে না। দিন দিন শরীরের শক্তিও কমে যাচ্ছে। 

প্রথমে বগুড়ায় চিকিৎসা করলেও এখন টাকার অভাবে বন্ধ হয়েছে। পাঁচবিবি-হিলি পাকা রাস্তা সংলগ্ন বাড়িতেই হাজার টাকার কম পুঁজির ছোট্ট একটি দোকানই এখন সংসারের সম্বল। ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ায় সজলের পরিবার ও জীবনটা পুরো পাল্টে গেছে।

সজলের অসুস্থতার পর সংসারের পুরো হাল ধরতে হয়েছে স্ত্রী বৃষ্টি রানী মহন্তকে। মেয়ে মানুষ হয়ে ছোট দুটি সন্তান নিয়ে একা সংসার চালাতে গিয়ে তিনিও হাঁপিয়ে উঠেছেন। ছোট দোকানের আয় দিয়েই ওষুধ, খাবার আর সংসার কোনোমতে সামলে নিচ্ছেন বৃষ্টি। এরমধ্যেই বড় ছেলের পড়ালেখা প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম।

বৃষ্টি রানী কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, "স্বামীর চিকিৎসার জন্য সরকারি-বেসরকারি,কোনো স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বা সমাজের বিত্তবনরা যদি একটু সাহায্য করলে আমার স্বামী আবার সুস্থ হয়ে উঠতে পারত। চলাফেরার জন্য যদি একটা হুইলচেয়ার পেতাম, তাহলে আরো ভাল হত।

৪'জনের ছোট্ট সংসার এখন চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন। একসময়ের কর্মক্ষম সজল আজ সবার বোঝা হয়েছে শুধু টাকার অভাবে চিকিৎসা করতে না পারায় ধুঁকে ধুঁকে জীবনটা শেষ হয়ে যাচ্ছে।

সজলের চিকিৎসা ও অসহায় পরিবাটির পাশে দাঁড়াতে সমাজের হৃদয়বান ব্যক্তি, সামাজিক সংগঠন ও প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বৃষ্টি রানী তার ফোন নং দেন ০১৭৮২-৯২৫১৬১ (বিকাশ/নগদ)।



Daily Joypur Barta



কপিরাইট © ২০২৬ Daily Joypur Barta । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত