নিউইয়র্ক, ৪ আগস্ট ২০২৬: জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের উদ্যোগে একটি স্মরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন এবং তাঁদের আত্মত্যাগের স্মরণে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-জনতার সাহস ও আত্মত্যাগ এবং এর তাৎপর্য তুলে ধরা হয়। বক্তারা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এ আন্দোলনে যারা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের আত্মত্যাগ জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে একটি বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। একই সঙ্গে আন্দোলনে আহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানো এবং তাঁদের পুনর্বাসনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বক্তারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের পুনরুদ্ধার (Recovery), পুনর্বাসন (Restoration) এবং পুনর্গঠন (Reconstruction) প্রক্রিয়ার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তাঁরা বলেন, গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে বাস্তবে রূপ দিতে রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক পর্যায়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁদের স্বপ্নের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬
নিউইয়র্ক, ৪ আগস্ট ২০২৬: জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের উদ্যোগে একটি স্মরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন এবং তাঁদের আত্মত্যাগের স্মরণে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-জনতার সাহস ও আত্মত্যাগ এবং এর তাৎপর্য তুলে ধরা হয়। বক্তারা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এ আন্দোলনে যারা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের আত্মত্যাগ জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে একটি বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। একই সঙ্গে আন্দোলনে আহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানো এবং তাঁদের পুনর্বাসনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বক্তারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের পুনরুদ্ধার (Recovery), পুনর্বাসন (Restoration) এবং পুনর্গঠন (Reconstruction) প্রক্রিয়ার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তাঁরা বলেন, গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে বাস্তবে রূপ দিতে রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক পর্যায়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁদের স্বপ্নের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন