জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার আওলাই ইউনিয়নের পাইকরদাঁড়িয়া গ্রামে জমির আইল কাটাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও মামলা হয়েছে।
ঘটনাটি মীমাংসা না হওযায় উভয় পক্ষের মধ্যে চাপা ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।এ ঘটনায় গ্রামের কৃষক মো. নুরুল হক গত ২৬ জুলাই ইউনিয়ন পরিষদে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, একই গ্রামের আশরাফুলের বিপ্লব, বিদ্যুৎ ও বিউটি তার জমির আইল কেটে ফেলেন। এতে বাধা দিলে তারা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজের একপর্যায়ে তাদের ওপর হামলা চালিয়ে আহত করেন।
পরবর্তীতে তারা মহীপুর হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।অপরদিকে, একই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিপুল হোসেন গত ৩০ জুলাই থানায় ছয়জনকে আসামি করে একটি এজাহার দায়ের করেন।
এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, সেকেন্দার আলীর ছেলে নুরুল হক (৪০), নুরনবী (৪২), নুরুল হকের ছেলে কবির হোসেন (২২), নুরনবীর স্ত্রী জেসমিন (৩৫)সহ ছয়জনের সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল।
গত ২৩ জুলাই বিকেলে তাদের জমিতে থাকা ইউক্যালিপটাস গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতন্ডা, হাতাহাতি ও মারপিটের ঘটনা ঘটে। এতে তারাও কয়েকজন আহত হন বলে তিনি দাবি করেন।
এ বিষয়ে নুরুল হকের ছেলে কবির হোসেন বলেন, সরকার ইউক্যালিপটাস গাছ লাগানো নিরুৎসাহিত করেছে। সে কারণে জমির ক্ষতি হচ্ছে বলে গাছগুলো কাটতে বলেছি। তারা তা মানেনি।
ঘটনার দিন মূলত জমির আইল নিয়ে কথাকাটাকাটি হলেও পরে গাছ কাটার অভিযোগ এনে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। ওই মামলায় পুলিশ তাদের পরিবারের ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।
এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন তিনি।অপর পক্ষের বিপ্লব বলেন, জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জের ধরে তাদের ওপর হামলা করা হয়েছে। তাই তিনি আইনগত প্রতিকার চেয়ে থানায় এজাহার দায়ের করেছেন।
এ বিষয়ে আওলাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একরামুল হক চৌধুরী তৌহিদ জানান, নুরুল হকের অভিযোগটি গ্রাম আদালতে গ্রহণ করে শুনানির জন্য উভয় পক্ষকে নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ আগস্ট ২০২৬
জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার আওলাই ইউনিয়নের পাইকরদাঁড়িয়া গ্রামে জমির আইল কাটাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও মামলা হয়েছে।
ঘটনাটি মীমাংসা না হওযায় উভয় পক্ষের মধ্যে চাপা ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।এ ঘটনায় গ্রামের কৃষক মো. নুরুল হক গত ২৬ জুলাই ইউনিয়ন পরিষদে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, একই গ্রামের আশরাফুলের বিপ্লব, বিদ্যুৎ ও বিউটি তার জমির আইল কেটে ফেলেন। এতে বাধা দিলে তারা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজের একপর্যায়ে তাদের ওপর হামলা চালিয়ে আহত করেন।
পরবর্তীতে তারা মহীপুর হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।অপরদিকে, একই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিপুল হোসেন গত ৩০ জুলাই থানায় ছয়জনকে আসামি করে একটি এজাহার দায়ের করেন।
এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, সেকেন্দার আলীর ছেলে নুরুল হক (৪০), নুরনবী (৪২), নুরুল হকের ছেলে কবির হোসেন (২২), নুরনবীর স্ত্রী জেসমিন (৩৫)সহ ছয়জনের সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল।
গত ২৩ জুলাই বিকেলে তাদের জমিতে থাকা ইউক্যালিপটাস গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতন্ডা, হাতাহাতি ও মারপিটের ঘটনা ঘটে। এতে তারাও কয়েকজন আহত হন বলে তিনি দাবি করেন।
এ বিষয়ে নুরুল হকের ছেলে কবির হোসেন বলেন, সরকার ইউক্যালিপটাস গাছ লাগানো নিরুৎসাহিত করেছে। সে কারণে জমির ক্ষতি হচ্ছে বলে গাছগুলো কাটতে বলেছি। তারা তা মানেনি।
ঘটনার দিন মূলত জমির আইল নিয়ে কথাকাটাকাটি হলেও পরে গাছ কাটার অভিযোগ এনে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। ওই মামলায় পুলিশ তাদের পরিবারের ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।
এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন তিনি।অপর পক্ষের বিপ্লব বলেন, জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জের ধরে তাদের ওপর হামলা করা হয়েছে। তাই তিনি আইনগত প্রতিকার চেয়ে থানায় এজাহার দায়ের করেছেন।
এ বিষয়ে আওলাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একরামুল হক চৌধুরী তৌহিদ জানান, নুরুল হকের অভিযোগটি গ্রাম আদালতে গ্রহণ করে শুনানির জন্য উভয় পক্ষকে নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন