জয়পুরহাট    শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Daily Joypur Barta

পোরশায় এসএসসি ও সমমানের ফলাফলে ধস: দিশেহারা অভিভাবকরা



পোরশায় এসএসসি ও সমমানের ফলাফলে ধস: দিশেহারা অভিভাবকরা
ছবি: প্রতিনিধি

নওগাঁর পোরশা উপজেলায় চলতি বছরের এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে চরম বিপর্যয় নেমে এসেছে। প্রত্যাশিত সাফল্য না মেলা এবং পাসের হার আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়ায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কপালে চিন্তার ভাজ পড়েছে।

উপজেলার একাধিক মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার ঘোষিত ফলাফল পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবার পাসের হার এবং জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যা দুটিই ব্যাপক হ্রাস পেয়েছে। বিশেষ করে ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, যা সামগ্রিক ফলাফলে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। উপজেলার বেশ কিছু ঐতিহ্যবাহী ও নামিদামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও এবার ভরাডুবি দেখা গেছে এবংকোন কোন স্কুলে দুইটা তিনটা পাশ করেছে। যাহা আগের তুলনায় অনেক কম।

পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গণ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিভাবকদের মাঝে তীব্র হতাশা ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। সন্তানদের এমন ফলাফলে ভেঙে পড়েছেন অভিভাবকরা।

ক্ষোভ ও আক্ষেপ প্রকাশ করে একাধিক অভিভাবক জানান:"সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের আশায় সারা বছর কষ্ট করে খেয়ে না খেয়ে পড়ালেখার খরচ জুগিয়েছি। কিন্তু আজকের এই ফল দেখে চোখের পানি ধরে রাখতে পারছি না । সন্তানের ভবিষ্যৎ পড়াশোনা আর ভর্তি নিয়ে এখন চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে।"

শিক্ষা সংশ্লিষ্ট মহল ও সচেতন নাগরিকদের মতে, নিয়মিত ক্লাসের অভাব, বিষয়ভিত্তিক অভিজ্ঞ শিক্ষকের সংকট এবং প্রশাসনের দেখভালের অভাবে ফলাফলের এই চরম বিপর্যয় ঘটেছে। এ বিষয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে সামনের দিনগুলোতে উপজেলার শিক্ষার মান আরও নিচে নেমে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

আপনার মতামত লিখুন

Daily Joypur Barta

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬


পোরশায় এসএসসি ও সমমানের ফলাফলে ধস: দিশেহারা অভিভাবকরা

প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

নওগাঁর পোরশা উপজেলায় চলতি বছরের এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে চরম বিপর্যয় নেমে এসেছে। প্রত্যাশিত সাফল্য না মেলা এবং পাসের হার আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়ায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কপালে চিন্তার ভাজ পড়েছে।

উপজেলার একাধিক মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার ঘোষিত ফলাফল পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবার পাসের হার এবং জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যা দুটিই ব্যাপক হ্রাস পেয়েছে। বিশেষ করে ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, যা সামগ্রিক ফলাফলে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। উপজেলার বেশ কিছু ঐতিহ্যবাহী ও নামিদামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও এবার ভরাডুবি দেখা গেছে এবংকোন কোন স্কুলে দুইটা তিনটা পাশ করেছে। যাহা আগের তুলনায় অনেক কম।

পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গণ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিভাবকদের মাঝে তীব্র হতাশা ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। সন্তানদের এমন ফলাফলে ভেঙে পড়েছেন অভিভাবকরা।

ক্ষোভ ও আক্ষেপ প্রকাশ করে একাধিক অভিভাবক জানান:"সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের আশায় সারা বছর কষ্ট করে খেয়ে না খেয়ে পড়ালেখার খরচ জুগিয়েছি। কিন্তু আজকের এই ফল দেখে চোখের পানি ধরে রাখতে পারছি না । সন্তানের ভবিষ্যৎ পড়াশোনা আর ভর্তি নিয়ে এখন চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে।"

শিক্ষা সংশ্লিষ্ট মহল ও সচেতন নাগরিকদের মতে, নিয়মিত ক্লাসের অভাব, বিষয়ভিত্তিক অভিজ্ঞ শিক্ষকের সংকট এবং প্রশাসনের দেখভালের অভাবে ফলাফলের এই চরম বিপর্যয় ঘটেছে। এ বিষয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে সামনের দিনগুলোতে উপজেলার শিক্ষার মান আরও নিচে নেমে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।


Daily Joypur Barta



কপিরাইট © ২০২৬ Daily Joypur Barta । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত