নওগাঁর পোরশা উপজেলায় চলতি বছরের এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে চরম বিপর্যয় নেমে এসেছে। প্রত্যাশিত সাফল্য না মেলা এবং পাসের হার আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়ায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কপালে চিন্তার ভাজ পড়েছে।
উপজেলার একাধিক মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার ঘোষিত ফলাফল পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবার পাসের হার এবং জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যা দুটিই ব্যাপক হ্রাস পেয়েছে। বিশেষ করে ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, যা সামগ্রিক ফলাফলে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। উপজেলার বেশ কিছু ঐতিহ্যবাহী ও নামিদামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও এবার ভরাডুবি দেখা গেছে এবংকোন কোন স্কুলে দুইটা তিনটা পাশ করেছে। যাহা আগের তুলনায় অনেক কম।
পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গণ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিভাবকদের মাঝে তীব্র হতাশা ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। সন্তানদের এমন ফলাফলে ভেঙে পড়েছেন অভিভাবকরা।
ক্ষোভ ও আক্ষেপ প্রকাশ করে একাধিক অভিভাবক জানান:"সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের আশায় সারা বছর কষ্ট করে খেয়ে না খেয়ে পড়ালেখার খরচ জুগিয়েছি। কিন্তু আজকের এই ফল দেখে চোখের পানি ধরে রাখতে পারছি না । সন্তানের ভবিষ্যৎ পড়াশোনা আর ভর্তি নিয়ে এখন চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে।"
শিক্ষা সংশ্লিষ্ট মহল ও সচেতন নাগরিকদের মতে, নিয়মিত ক্লাসের অভাব, বিষয়ভিত্তিক অভিজ্ঞ শিক্ষকের সংকট এবং প্রশাসনের দেখভালের অভাবে ফলাফলের এই চরম বিপর্যয় ঘটেছে। এ বিষয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে সামনের দিনগুলোতে উপজেলার শিক্ষার মান আরও নিচে নেমে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬
নওগাঁর পোরশা উপজেলায় চলতি বছরের এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে চরম বিপর্যয় নেমে এসেছে। প্রত্যাশিত সাফল্য না মেলা এবং পাসের হার আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়ায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কপালে চিন্তার ভাজ পড়েছে।
উপজেলার একাধিক মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার ঘোষিত ফলাফল পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবার পাসের হার এবং জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যা দুটিই ব্যাপক হ্রাস পেয়েছে। বিশেষ করে ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, যা সামগ্রিক ফলাফলে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। উপজেলার বেশ কিছু ঐতিহ্যবাহী ও নামিদামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও এবার ভরাডুবি দেখা গেছে এবংকোন কোন স্কুলে দুইটা তিনটা পাশ করেছে। যাহা আগের তুলনায় অনেক কম।
পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গণ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিভাবকদের মাঝে তীব্র হতাশা ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। সন্তানদের এমন ফলাফলে ভেঙে পড়েছেন অভিভাবকরা।
ক্ষোভ ও আক্ষেপ প্রকাশ করে একাধিক অভিভাবক জানান:"সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের আশায় সারা বছর কষ্ট করে খেয়ে না খেয়ে পড়ালেখার খরচ জুগিয়েছি। কিন্তু আজকের এই ফল দেখে চোখের পানি ধরে রাখতে পারছি না । সন্তানের ভবিষ্যৎ পড়াশোনা আর ভর্তি নিয়ে এখন চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে।"
শিক্ষা সংশ্লিষ্ট মহল ও সচেতন নাগরিকদের মতে, নিয়মিত ক্লাসের অভাব, বিষয়ভিত্তিক অভিজ্ঞ শিক্ষকের সংকট এবং প্রশাসনের দেখভালের অভাবে ফলাফলের এই চরম বিপর্যয় ঘটেছে। এ বিষয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে সামনের দিনগুলোতে উপজেলার শিক্ষার মান আরও নিচে নেমে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

আপনার মতামত লিখুন