প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে সাড়া দিয়ে বান্দরবানের থানচিতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়ন বাড়াতে অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে থানচি উপজেলা জোত মালিক সমিতি। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল ১১টায় থানচি বাজার প্রাঙ্গণে স্থানীয় কৃষক, বাগানচাষি, অসহায় পরিবার ও আগ্রহীদের হাতে ৭ শতাধিক বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়।
এই কর্মসূচির আওতায় রূপালি আম, আমড়া, মিষ্টি তেঁতুল, বারি-৪ আম, বরইসহ নানা জাতের ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা প্রদান করা হয়। আয়োজকরা জানান, স্বাধীনতার পর এই প্রথম জোত মালিক সমিতির পক্ষ থেকে এত বড় পরিসরে সাধারণ মানুষের কাছে গাছের চারা পৌঁছে দেওয়ার এমন উদ্যোগ নেওয়া হলো।
অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ও জোত মালিক সমিতির সভাপতি শৈবাথোয়াই মারমা উপস্থিত থেকে স্থানীয়দের হাতে এসব চারা তুলে দেন। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মংহাইসিং মারমা, সমিতির সাধারণ সম্পাদক মংছোরী মারমা, সহসভাপতি মংসাগ্য মারমা, হ্লাচিংমং মেম্বার, মংপ্রুসে মারমাসহ সমিতির অন্যান্য সদস্য ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
উদ্যোগটি সম্পর্কে জোত মালিক সমিতির সভাপতি শৈবাথোয়াই মারমা বলেন, “পাহাড়ি এলাকার প্রাকৃতিক পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য ও বনভূমি রক্ষার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য। শুধু চারা রোপণ করলেই হবে না, রোপণের পর নিয়মিত পরিচর্যা ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে।”
অনুষ্ঠানে উপস্থিত অন্যান্য বক্তারা বলেন, পাহাড়ে নির্বিচারে গাছ কাটা ও বন উজাড়ের ফলে পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় বেশি বেশি গাছ লাগানোর পাশাপাশি সেগুলোর নিয়মিত পরিচর্যা করতে স্থানীয় জনগণকে এগিয়ে আসতে হবে।
সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, মানুষের হাতে পৌঁছে দেওয়া এই চারাগুলো যথাযথভাবে রোপণ ও পরিচর্যা করা হলে থানচির পাহাড়ি প্রকৃতি আরও সবুজ, সমৃদ্ধ ও প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে। ভবিষ্যতেও এমন পরিবেশবান্ধব কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান তারা।

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে সাড়া দিয়ে বান্দরবানের থানচিতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়ন বাড়াতে অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে থানচি উপজেলা জোত মালিক সমিতি। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল ১১টায় থানচি বাজার প্রাঙ্গণে স্থানীয় কৃষক, বাগানচাষি, অসহায় পরিবার ও আগ্রহীদের হাতে ৭ শতাধিক বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়।
এই কর্মসূচির আওতায় রূপালি আম, আমড়া, মিষ্টি তেঁতুল, বারি-৪ আম, বরইসহ নানা জাতের ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা প্রদান করা হয়। আয়োজকরা জানান, স্বাধীনতার পর এই প্রথম জোত মালিক সমিতির পক্ষ থেকে এত বড় পরিসরে সাধারণ মানুষের কাছে গাছের চারা পৌঁছে দেওয়ার এমন উদ্যোগ নেওয়া হলো।
অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ও জোত মালিক সমিতির সভাপতি শৈবাথোয়াই মারমা উপস্থিত থেকে স্থানীয়দের হাতে এসব চারা তুলে দেন। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মংহাইসিং মারমা, সমিতির সাধারণ সম্পাদক মংছোরী মারমা, সহসভাপতি মংসাগ্য মারমা, হ্লাচিংমং মেম্বার, মংপ্রুসে মারমাসহ সমিতির অন্যান্য সদস্য ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
উদ্যোগটি সম্পর্কে জোত মালিক সমিতির সভাপতি শৈবাথোয়াই মারমা বলেন, “পাহাড়ি এলাকার প্রাকৃতিক পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য ও বনভূমি রক্ষার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য। শুধু চারা রোপণ করলেই হবে না, রোপণের পর নিয়মিত পরিচর্যা ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে।”
অনুষ্ঠানে উপস্থিত অন্যান্য বক্তারা বলেন, পাহাড়ে নির্বিচারে গাছ কাটা ও বন উজাড়ের ফলে পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় বেশি বেশি গাছ লাগানোর পাশাপাশি সেগুলোর নিয়মিত পরিচর্যা করতে স্থানীয় জনগণকে এগিয়ে আসতে হবে।
সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, মানুষের হাতে পৌঁছে দেওয়া এই চারাগুলো যথাযথভাবে রোপণ ও পরিচর্যা করা হলে থানচির পাহাড়ি প্রকৃতি আরও সবুজ, সমৃদ্ধ ও প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে। ভবিষ্যতেও এমন পরিবেশবান্ধব কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান তারা।

আপনার মতামত লিখুন