জয়পুরহাট    শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Daily Joypur Barta

কুড়িগ্রাম সীমান্ত দিয়ে পাট পাচার বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন



কুড়িগ্রাম সীমান্ত দিয়ে পাট পাচার বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন
ছবি: প্রতিনিধি

পাটের ন্যায্য দাম নিশ্চিত এবং সীমান্ত দিয়ে পাট পাচার বন্ধের দাবিতে কুড়িগ্রামের যাত্রাপুরে মানববন্ধন করেছেন পাট ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, কৃষকের কাছ থেকে কম দামে পাট কিনে সীমান্ত এলাকায় বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে। পরে এসব পাট বিভিন্ন সীমান্তপথে ভারতে পাচার করা হচ্ছে বলে তাদের অভিযোগ। 

শনিবার দুপুরের দিকে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে পাটহাটে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।


মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, উৎপাদন খরচ বাড়লেও স্থানীয় হাটে পাটের ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না কৃষকেরা। যাত্রাপুর হাটে প্রতি মণ পাট ৩ হাজার ৮০০ থেকে ৪ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ সীমান্তবর্তী এলাকায় একই পাট ৫ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে। এ কারণে কৃষকেরা স্থানীয় হাটে পাট না এনে সীমান্ত এলাকার ফড়িয়াদের কাছে বিক্রি করছেন।

পাটচাষি আবুল কাশেম বলেন, পাখিউড়া, কালারচর, চৌদ্দকুড়ি, নারায়ণপুর, শৌলমারী ও তেরিরহাট এলাকায় পাটের দাম বেশি পাওয়া যায়। তাঁর দাবি, এসব এলাকার ফড়িয়াদের মাধ্যমে কেনা পাট পরে ভারতের ধুবরি ও পাটামারিহাট এলাকায় পাচার করা হচ্ছে।


স্থানীয় ব্যবসায়ী উজ্জল মিয়া অভিযোগ করেন, গত জুন থেকে প্রতিদিন পাট বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতে পাচার হচ্ছে। দ্রুত পাচার বন্ধ না হলে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হবেন ব্যবসায়ীরা।

যাত্রাপুর পাটহাটের ইজারাদারের প্রতিনিধি শাহানুর আলী বলেন, একসময় এ হাটে সপ্তাহে প্রায় ১০ হাজার মণ পাট বেচাকেনা হতো। এখন কৃষকেরা পাট নিয়ে আসছেন না। 

আপনার মতামত লিখুন

Daily Joypur Barta

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬


কুড়িগ্রাম সীমান্ত দিয়ে পাট পাচার বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬

featured Image

পাটের ন্যায্য দাম নিশ্চিত এবং সীমান্ত দিয়ে পাট পাচার বন্ধের দাবিতে কুড়িগ্রামের যাত্রাপুরে মানববন্ধন করেছেন পাট ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, কৃষকের কাছ থেকে কম দামে পাট কিনে সীমান্ত এলাকায় বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে। পরে এসব পাট বিভিন্ন সীমান্তপথে ভারতে পাচার করা হচ্ছে বলে তাদের অভিযোগ। 

শনিবার দুপুরের দিকে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে পাটহাটে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।


মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, উৎপাদন খরচ বাড়লেও স্থানীয় হাটে পাটের ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না কৃষকেরা। যাত্রাপুর হাটে প্রতি মণ পাট ৩ হাজার ৮০০ থেকে ৪ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ সীমান্তবর্তী এলাকায় একই পাট ৫ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে। এ কারণে কৃষকেরা স্থানীয় হাটে পাট না এনে সীমান্ত এলাকার ফড়িয়াদের কাছে বিক্রি করছেন।

পাটচাষি আবুল কাশেম বলেন, পাখিউড়া, কালারচর, চৌদ্দকুড়ি, নারায়ণপুর, শৌলমারী ও তেরিরহাট এলাকায় পাটের দাম বেশি পাওয়া যায়। তাঁর দাবি, এসব এলাকার ফড়িয়াদের মাধ্যমে কেনা পাট পরে ভারতের ধুবরি ও পাটামারিহাট এলাকায় পাচার করা হচ্ছে।


স্থানীয় ব্যবসায়ী উজ্জল মিয়া অভিযোগ করেন, গত জুন থেকে প্রতিদিন পাট বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতে পাচার হচ্ছে। দ্রুত পাচার বন্ধ না হলে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হবেন ব্যবসায়ীরা।

যাত্রাপুর পাটহাটের ইজারাদারের প্রতিনিধি শাহানুর আলী বলেন, একসময় এ হাটে সপ্তাহে প্রায় ১০ হাজার মণ পাট বেচাকেনা হতো। এখন কৃষকেরা পাট নিয়ে আসছেন না। 


Daily Joypur Barta



কপিরাইট © ২০২৬ Daily Joypur Barta । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত