দীর্ঘ ছয় মাসের বিছানাবন্দী জীবনের অবসান ঘটিয়ে অবশেষে একটি হুইলচেয়ারের সহায়তা পেলেন ৬৭ বছর বয়সী প্যারালাইজড ও পার্কিনসন আক্রান্ত মনোয়ারা বেগম। ‘রক্ত বন্ধন ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে এবং এক উদার হৃদয়ের শুভাকাঙ্ক্ষীর অর্থায়নে এই হুইলচেয়ারটি প্রদান করা হয়।
গত রমজান মাসে স্ট্রোক করার পর থেকেই বিছানাগত ছিলেন মনোয়ারা বেগম। এতে তাঁর শরীরের বাম পাশ অবশ হয়ে যায় এবং ডান হাত অনবরত কাঁপতে থাকে, যা পার্কিনসনের লক্ষণ প্রকাশ করে।
সারাদিন একপাশ হয়ে শুয়ে থাকায় তাঁর সারা শরীরে প্রচণ্ড ব্যথাও তৈরি হয়েছিল। রোগীর মেয়ে একসময় বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় থাকলেও অসুস্থতার কারণে খেলা ছেড়ে দেন।
পরবর্তীতে মানুষের সহায়তায় দেশের বাইরে মায়ের চিকিৎসা করালেও বর্তমানে আনসারে চাকরি করে স্বল্প আয়ে সংসার ও মায়ের চিকিৎসার খরচ চালাতে তিনি চরম হিমশিম খাচ্ছিলেন। এমন অসহায় পরিস্থিতিতে মায়ের জন্য একটি হুইলচেয়ারের আবেদন করা হলে রক্ত বন্ধন ফাউন্ডেশন বিষয়টি পর্যালোচনা করে সহায়তার উদ্যোগ নেয়।
প্রতিষ্ঠানটির একজন শুভাকাঙ্ক্ষী একটি হুইলচেয়ারের সম্পূর্ণ অর্থায়ন করেন। এর মাধ্যমে রক্ত বন্ধন ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে মোট ২৬তম হুইলচেয়ার প্রদান করা হলো।
ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে রোগীর পরিবার ও সহায়তাকারী দাতার জন্য সকলের দোয়া কামনা করা হয়েছে, যেন ভবিষ্যতেও তারা মানুষের কল্যাণে এভাবে পাশে দাঁড়াতে পারে।

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দীর্ঘ ছয় মাসের বিছানাবন্দী জীবনের অবসান ঘটিয়ে অবশেষে একটি হুইলচেয়ারের সহায়তা পেলেন ৬৭ বছর বয়সী প্যারালাইজড ও পার্কিনসন আক্রান্ত মনোয়ারা বেগম। ‘রক্ত বন্ধন ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে এবং এক উদার হৃদয়ের শুভাকাঙ্ক্ষীর অর্থায়নে এই হুইলচেয়ারটি প্রদান করা হয়।
গত রমজান মাসে স্ট্রোক করার পর থেকেই বিছানাগত ছিলেন মনোয়ারা বেগম। এতে তাঁর শরীরের বাম পাশ অবশ হয়ে যায় এবং ডান হাত অনবরত কাঁপতে থাকে, যা পার্কিনসনের লক্ষণ প্রকাশ করে।
সারাদিন একপাশ হয়ে শুয়ে থাকায় তাঁর সারা শরীরে প্রচণ্ড ব্যথাও তৈরি হয়েছিল। রোগীর মেয়ে একসময় বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় থাকলেও অসুস্থতার কারণে খেলা ছেড়ে দেন।
পরবর্তীতে মানুষের সহায়তায় দেশের বাইরে মায়ের চিকিৎসা করালেও বর্তমানে আনসারে চাকরি করে স্বল্প আয়ে সংসার ও মায়ের চিকিৎসার খরচ চালাতে তিনি চরম হিমশিম খাচ্ছিলেন। এমন অসহায় পরিস্থিতিতে মায়ের জন্য একটি হুইলচেয়ারের আবেদন করা হলে রক্ত বন্ধন ফাউন্ডেশন বিষয়টি পর্যালোচনা করে সহায়তার উদ্যোগ নেয়।
প্রতিষ্ঠানটির একজন শুভাকাঙ্ক্ষী একটি হুইলচেয়ারের সম্পূর্ণ অর্থায়ন করেন। এর মাধ্যমে রক্ত বন্ধন ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে মোট ২৬তম হুইলচেয়ার প্রদান করা হলো।
ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে রোগীর পরিবার ও সহায়তাকারী দাতার জন্য সকলের দোয়া কামনা করা হয়েছে, যেন ভবিষ্যতেও তারা মানুষের কল্যাণে এভাবে পাশে দাঁড়াতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন