মালয়েশিয়া থেকে অস্ট্রেলিয়ায় ভালো বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে জনৈক প্রবাসীকে অবৈধ পথে ইন্দোনেশিয়ায় পাঠিয়ে জিম্মি ও নির্যাতনের অভিযোগে মানবপাচার মামলায় নরসিংদী থেকে মোস্তাকিম মিয়া ওপেল নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি যশোর।
গ্রেফতার মোস্তাকিম মিয়া ওপেল নরসিংদীর মাধবদী থানার কান্দাইল এলাকার মোল্লাপাড়ার বাসিন্দা। এ ঘটনায় গত বছরের ১১ নভেম্বর কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা হয়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী মো. জসীম উদ্দীন দীর্ঘদিন মালয়েশিয়ায় অবস্থান করতেন। এ সময় তাকে অস্ট্রেলিয়ায় ভালো বেতনের চাকরির ব্যবস্থা করে দেওয়ার কথা বলে প্রলোভন দেখানো হয়।
এ জন্য ৮ লাখ টাকার মৌখিক চুক্তি হয়। পরে ভুক্তভোগী মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত অবস্থায় অভিযুক্তদের ৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, পরবর্তীতে জসীম উদ্দীনকে অবৈধভাবে মালয়েশিয়া থেকে ইন্দোনেশিয়ায় পাঠানো হয়। সেখানে তাকে অজ্ঞাত স্থানে আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন করা হয় এবং মুক্তিপণ দাবি করা হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্বজনদের কাছ থেকে দুইটি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে মোট ১৬ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে বলে মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে। সিআইডির তদন্তে ওই দুই ব্যাংক হিসাবের তথ্যের ভিত্তিতে ইয়াসিন (২৫) ও হুমায়ুন (৩৮) নামে আরও দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। তারা আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে পলাতক আসামি মো. আতিকুর হাসানের নাম উল্লেখ করেন।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আতিকুর হাসান মালয়েশিয়া থেকে মানবপাচারের অর্থ ওই দুই ব্যাংক হিসাবে পাঠাতেন এবং দেশে তার ভাই মোস্তাকিম মিয়া ওপেল তা গ্রহণ করতেন। তদন্তে মোস্তাকিমকে এ ঘটনায় অর্থনৈতিক লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত দেশীয় এজেন্ট হিসেবে কাজ করার বিষয়ে তথ্য-প্রমাণ পায় সিআইডি।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মালয়েশিয়া থেকে অস্ট্রেলিয়ায় ভালো বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে জনৈক প্রবাসীকে অবৈধ পথে ইন্দোনেশিয়ায় পাঠিয়ে জিম্মি ও নির্যাতনের অভিযোগে মানবপাচার মামলায় নরসিংদী থেকে মোস্তাকিম মিয়া ওপেল নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি যশোর।
গ্রেফতার মোস্তাকিম মিয়া ওপেল নরসিংদীর মাধবদী থানার কান্দাইল এলাকার মোল্লাপাড়ার বাসিন্দা। এ ঘটনায় গত বছরের ১১ নভেম্বর কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা হয়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী মো. জসীম উদ্দীন দীর্ঘদিন মালয়েশিয়ায় অবস্থান করতেন। এ সময় তাকে অস্ট্রেলিয়ায় ভালো বেতনের চাকরির ব্যবস্থা করে দেওয়ার কথা বলে প্রলোভন দেখানো হয়।
এ জন্য ৮ লাখ টাকার মৌখিক চুক্তি হয়। পরে ভুক্তভোগী মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত অবস্থায় অভিযুক্তদের ৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, পরবর্তীতে জসীম উদ্দীনকে অবৈধভাবে মালয়েশিয়া থেকে ইন্দোনেশিয়ায় পাঠানো হয়। সেখানে তাকে অজ্ঞাত স্থানে আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন করা হয় এবং মুক্তিপণ দাবি করা হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্বজনদের কাছ থেকে দুইটি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে মোট ১৬ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে বলে মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে। সিআইডির তদন্তে ওই দুই ব্যাংক হিসাবের তথ্যের ভিত্তিতে ইয়াসিন (২৫) ও হুমায়ুন (৩৮) নামে আরও দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। তারা আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে পলাতক আসামি মো. আতিকুর হাসানের নাম উল্লেখ করেন।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আতিকুর হাসান মালয়েশিয়া থেকে মানবপাচারের অর্থ ওই দুই ব্যাংক হিসাবে পাঠাতেন এবং দেশে তার ভাই মোস্তাকিম মিয়া ওপেল তা গ্রহণ করতেন। তদন্তে মোস্তাকিমকে এ ঘটনায় অর্থনৈতিক লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত দেশীয় এজেন্ট হিসেবে কাজ করার বিষয়ে তথ্য-প্রমাণ পায় সিআইডি।

আপনার মতামত লিখুন