সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলা সদরে সিলেট-সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের প্রায় দুই কিলোমিটার অংশ চার লেনে উন্নীতকরণের কাজ মন্থর গতিতে চলায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী ও পথচারীরা। প্রায় ৭৫ কোটি ৯৩ লাখ ২৮ হাজার ২৫২ টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পে দীর্ঘসূত্রতার পাশাপাশি ধূলিদূষণে স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন।
সরজমিনে দেখা যায়, কাজের অংশ হিসেবে সড়কের বিভিন্ন স্থানে মাটি খুঁড়ে রাখা হলেও অনেক স্থানে কাজের কোনো গতি নেই। উন্মুক্ত স্থানে বালু ও নির্মাণসামগ্রী ফেলে রাখার কারণে ছোট-বড় যানবাহন চলাচলের সময় চারপাশ ধুলাবালিতে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ছে। এই ধুলা উড়ে গিয়ে ছড়িয়ে পড়ছে পাশের দোকানপাট ও বাসা-বাড়িতে, যার ফলে কেনাবেচা বিঘ্নিত হওয়ার পাশাপাশি চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন পথচারী ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। দুর্ভোগ কমাতে কাজ দ্রুত শেষ করার পাশাপাশি নিয়মিত সড়কে পানি ছিটানো এবং স্বাভাবিক চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রকল্পটির ব্যয় নির্ধারণের পর 'এম এম বিল্ডার্স ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড' নামক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়। গত বছরের অক্টোবরে কাজ শুরু করা প্রতিষ্ঠানটির সাথে চুক্তি অনুযায়ী ২০২৭ সালের জুনের মধ্যে সম্পূর্ণ নির্মাণকাজ শেষ করার কথা রয়েছে।
প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ও সময়সীমা প্রসঙ্গে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রজেক্ট ম্যানেজার প্রকৌশলী সাকিব আল হাসান জানান, তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
অন্যদিকে, সুনামগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী আতাউর রহমান কাজের গুণগত মান নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে জানান, শান্তিগঞ্জের দুই কিলোমিটারের চার লেনের কাজটি নান্দনিক ও দৃষ্টিনন্দন রূপ দিতে নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে। আশা প্রকাশ করছি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সব কাজ সম্পন্ন হবে।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলা সদরে সিলেট-সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের প্রায় দুই কিলোমিটার অংশ চার লেনে উন্নীতকরণের কাজ মন্থর গতিতে চলায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী ও পথচারীরা। প্রায় ৭৫ কোটি ৯৩ লাখ ২৮ হাজার ২৫২ টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পে দীর্ঘসূত্রতার পাশাপাশি ধূলিদূষণে স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন।
সরজমিনে দেখা যায়, কাজের অংশ হিসেবে সড়কের বিভিন্ন স্থানে মাটি খুঁড়ে রাখা হলেও অনেক স্থানে কাজের কোনো গতি নেই। উন্মুক্ত স্থানে বালু ও নির্মাণসামগ্রী ফেলে রাখার কারণে ছোট-বড় যানবাহন চলাচলের সময় চারপাশ ধুলাবালিতে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ছে। এই ধুলা উড়ে গিয়ে ছড়িয়ে পড়ছে পাশের দোকানপাট ও বাসা-বাড়িতে, যার ফলে কেনাবেচা বিঘ্নিত হওয়ার পাশাপাশি চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন পথচারী ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। দুর্ভোগ কমাতে কাজ দ্রুত শেষ করার পাশাপাশি নিয়মিত সড়কে পানি ছিটানো এবং স্বাভাবিক চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রকল্পটির ব্যয় নির্ধারণের পর 'এম এম বিল্ডার্স ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড' নামক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়। গত বছরের অক্টোবরে কাজ শুরু করা প্রতিষ্ঠানটির সাথে চুক্তি অনুযায়ী ২০২৭ সালের জুনের মধ্যে সম্পূর্ণ নির্মাণকাজ শেষ করার কথা রয়েছে।
প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ও সময়সীমা প্রসঙ্গে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রজেক্ট ম্যানেজার প্রকৌশলী সাকিব আল হাসান জানান, তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
অন্যদিকে, সুনামগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী আতাউর রহমান কাজের গুণগত মান নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে জানান, শান্তিগঞ্জের দুই কিলোমিটারের চার লেনের কাজটি নান্দনিক ও দৃষ্টিনন্দন রূপ দিতে নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে। আশা প্রকাশ করছি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সব কাজ সম্পন্ন হবে।

আপনার মতামত লিখুন