বগুড়ার নন্দীগ্রামে একটি কালীমন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুর, দানবাক্স ভেঙে টাকা চুরি এবং মন্দিরে থাকা কাঁসার বিভিন্ন সামগ্রী চুরির ঘটনা ঘটেছে। পরে মন্দিরের পাশের একটি ডোবা থেকে ভাঙচুরের শিকার প্রতিমাটি উদ্ধার করা হয়।
গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর২০২৬) রাতের যেকোনো এক সময় উপজেলার ৩ নম্বর ভাটরা ইউনিয়নের মাটির হাঁস গ্রামের ডহরপুর কালীমাতা মন্দিরে এ ঘটনা ঘটে।
মন্দিরের পুরোহিত শ্রী খগেন্দ্রনাথ প্রামাণিক (৭৫), পিতা মৃত কিষ্ট চন্দ্র প্রামাণিক, জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে মন্দিরে পূজা-আরাধনা শেষে তিনি বাড়িতে চলে যান। পরদিন শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে মন্দিরে এসে তিনি ভাঙচুরের বিষয়টি দেখতে পান।
তিনি জানান, মাটিহাঁস-হাটকড়ই আঞ্চলিক সড়কের পাশে ধানক্ষেতে একটি মূর্তি পড়ে থাকতে দেখা যায়। এছাড়া মন্দিরের পাশে থাকা দানবাক্সটি ভাঙা অবস্থায় পাওয়া যায়। মন্দিরে থাকা একটি কাঁসার ঘণ্টা, একটি ত্রিশূল, একটি কাঁসার কাঁসি ও একটি কাঁসার প্লেটও পাওয়া যায়নি।
পরে বিষয়টি স্থানীয় ইউপি সদস্যকে জানানো হলে তিনি স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে মন্দিরের পাশের একটি ডোবা থেকে প্রতিমাটি পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার খবর পেয়ে কুমিড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই মো. আমিরুল ইসলাম ও এসআই মো. ফারুক হোসেন সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বগুড়ার নন্দীগ্রামে একটি কালীমন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুর, দানবাক্স ভেঙে টাকা চুরি এবং মন্দিরে থাকা কাঁসার বিভিন্ন সামগ্রী চুরির ঘটনা ঘটেছে। পরে মন্দিরের পাশের একটি ডোবা থেকে ভাঙচুরের শিকার প্রতিমাটি উদ্ধার করা হয়।
গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর২০২৬) রাতের যেকোনো এক সময় উপজেলার ৩ নম্বর ভাটরা ইউনিয়নের মাটির হাঁস গ্রামের ডহরপুর কালীমাতা মন্দিরে এ ঘটনা ঘটে।
মন্দিরের পুরোহিত শ্রী খগেন্দ্রনাথ প্রামাণিক (৭৫), পিতা মৃত কিষ্ট চন্দ্র প্রামাণিক, জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে মন্দিরে পূজা-আরাধনা শেষে তিনি বাড়িতে চলে যান। পরদিন শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে মন্দিরে এসে তিনি ভাঙচুরের বিষয়টি দেখতে পান।
তিনি জানান, মাটিহাঁস-হাটকড়ই আঞ্চলিক সড়কের পাশে ধানক্ষেতে একটি মূর্তি পড়ে থাকতে দেখা যায়। এছাড়া মন্দিরের পাশে থাকা দানবাক্সটি ভাঙা অবস্থায় পাওয়া যায়। মন্দিরে থাকা একটি কাঁসার ঘণ্টা, একটি ত্রিশূল, একটি কাঁসার কাঁসি ও একটি কাঁসার প্লেটও পাওয়া যায়নি।
পরে বিষয়টি স্থানীয় ইউপি সদস্যকে জানানো হলে তিনি স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে মন্দিরের পাশের একটি ডোবা থেকে প্রতিমাটি পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার খবর পেয়ে কুমিড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই মো. আমিরুল ইসলাম ও এসআই মো. ফারুক হোসেন সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন