জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী যোদ্ধাদের এমআইএস অন্তর্ভুক্তি, গেজেট প্রকাশ এবং দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা ফাইল দ্রুত নিষ্পত্তির দাবিতে জয়পুরহাটে অবস্থান কর্মসূচি ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
রোববার দুপুর ২টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে জেলা শহীদ পরিবার ও আহত জুলাই যোদ্ধারা এই কর্মসূচি পালন করেন। পরে ‘তারুণ্যের জুলাই ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একটি গণস্বাক্ষরযুক্ত স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়।
এসময় সংগঠনের প্রতিনিধি ও জুলাই যোদ্ধা আরাফাত হোসেনের নেতৃত্বে স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন জুলাই যোদ্ধা রিমন হোসেন, সাফি সরদার, জিসান আহমেদ, সৌরভ সরকার, আরিফুল ইসলাম প্রমুখ।
স্মারকলিপিতে পাঁচটি দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- প্রায় দুই বছর ধরে অসম্পন্ন থাকা আবেদনগুলোর এমআইএস অন্তর্ভুক্তির কার্যক্রম আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে নিষ্পত্তি করা এবং যাচাই-বাছাই সম্পন্ন যোদ্ধাদের দ্রুত গেজেট প্রকাশ করা।
এছাড়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়সহ স্বাস্থ্য, স্বরাষ্ট্র ও মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ে আটকে থাকা আবেদনগুলোর বর্তমান অবস্থা চিহ্নিত করে দ্রুত নিষ্পত্তি করার কথা বলা হয়েছে।
কোনো ফাইলে কাগজপত্রের ঘাটতি থাকলে তা আবেদনকারীকে লিখিতভাবে জানানো এবং প্রকৃত যোদ্ধাদের স্বীকৃতি নিশ্চিতে যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবিও জানানো হয়। এসব দাবি মানবিক ও জরুরি বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন জুলাই যোদ্ধারা।

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী যোদ্ধাদের এমআইএস অন্তর্ভুক্তি, গেজেট প্রকাশ এবং দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা ফাইল দ্রুত নিষ্পত্তির দাবিতে জয়পুরহাটে অবস্থান কর্মসূচি ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
রোববার দুপুর ২টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে জেলা শহীদ পরিবার ও আহত জুলাই যোদ্ধারা এই কর্মসূচি পালন করেন। পরে ‘তারুণ্যের জুলাই ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একটি গণস্বাক্ষরযুক্ত স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়।
এসময় সংগঠনের প্রতিনিধি ও জুলাই যোদ্ধা আরাফাত হোসেনের নেতৃত্বে স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন জুলাই যোদ্ধা রিমন হোসেন, সাফি সরদার, জিসান আহমেদ, সৌরভ সরকার, আরিফুল ইসলাম প্রমুখ।
স্মারকলিপিতে পাঁচটি দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- প্রায় দুই বছর ধরে অসম্পন্ন থাকা আবেদনগুলোর এমআইএস অন্তর্ভুক্তির কার্যক্রম আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে নিষ্পত্তি করা এবং যাচাই-বাছাই সম্পন্ন যোদ্ধাদের দ্রুত গেজেট প্রকাশ করা।
এছাড়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়সহ স্বাস্থ্য, স্বরাষ্ট্র ও মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ে আটকে থাকা আবেদনগুলোর বর্তমান অবস্থা চিহ্নিত করে দ্রুত নিষ্পত্তি করার কথা বলা হয়েছে।
কোনো ফাইলে কাগজপত্রের ঘাটতি থাকলে তা আবেদনকারীকে লিখিতভাবে জানানো এবং প্রকৃত যোদ্ধাদের স্বীকৃতি নিশ্চিতে যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবিও জানানো হয়। এসব দাবি মানবিক ও জরুরি বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন জুলাই যোদ্ধারা।

আপনার মতামত লিখুন