রংপুরে বদরগঞ্জে রাধানগর ইউনিয়ন ধোতরারপাড় গ্রামে দীর্ঘ দিন থেকে চিকলী নদীর বালু ও পাড়ের মাটি প্রভাবশালী একটি চক্র লুট করে নিয়ে যাচ্ছে। এতে নদীর অব্যাহত ভাঙ্গনে আবাদি জমির বিলীন হয়ে যাচ্ছে । পাশাপাশি সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
রবিবার ২৬ সেপ্টেম্বর সকালে সরজমিনে যেয়ে দেখা যায় ধোতরারপাড় পাটোয়ারী পাড়া গ্রামে কোল ঘেষে চিকলী নদীতে অবৈধভাবে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু ও পাড়ের মাটি উত্তোলন করছেন।পরে উত্তোলনকৃত বালু মাটি বিক্রি করে ট্রাক্টর ভর্তি করে নিয়ে যাচ্ছে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত ১৫ টি ট্রাক্টর গাড়ি বালু লোড করতে দেখা যায়।পাটোয়ারী পাড়া গ্রামে নাম প্রকাশ না শর্তে কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, স্হানীয় কয়েকজন ব্যাক্তি মসজিদ নাম ব্যবহার করে প্রতিদিন লক্ষাধিক টাকার বালু তুলে বিক্রি করে ভাগাভাগি করে নেন।
কয়েকদিন আগে মসজিদ নাম ব্যবহার করে কয়েক লক্ষ টাকা বালু তুলেছেন এ চক্র।কিছু টাকা মসজিদ দান করে আর বাকি টাকা সবাই মিলে ভাগাভাগি করে নেন।
যুবদলের এক নেতা বলেন,যারা বালু তুলেছেন মসজিদ নাম ভাঙ্গিয়ে তারা,এটা কে ব্যবসায় পরিনত করেছেন।ধোতরারপাড় গ্রামে এক প্রবীন ব্যাক্তি বলেন, প্রশাসনকে ম্যানেজ করে বালু উত্তোলন করছেন।তা না হলে এরা সাহস পায় কিভাবে।
পুলিশ আসে কিন্তু অজ্ঞাত কারণে আবার চলেও যায় কিছুক্ষন পর।তারাও প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আয় করছেন। বালু ও মাটি বহনকারী গাড়িগুলো গ্রামীণ রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় রাস্তা ভেঙ্গে যাচ্ছে।
এবং ধুলায় আচ্ছন্ন হচ্ছে গ্রামীণ পরিবেশ। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন ট্রাক্টর চলক বলেন, ভাই আমরা প্রতি গাড়ি চালিয়ে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পাই।আর বাকি টাকা খায় যারা মাটি ও বালু বিক্রি করছে।
ধতরারপাড় গ্রামে দু'জন গৃহবধূ বলেন,গাড়িগুলো দিনে যায় আবার রাতেও যায়।রাতে যাওয়ার সময় অনেক শব্দ হয়।এতে ছেলে মেয়ে ঘুমাতে পারেনা।দিনের বেলা মাটির গাড়ি যাওয়ার সময় রাস্তা ভেঙে যাচ্ছে। ধুলায় চোখ মুখ অন্ধকার হয়ে যায়।প্রশাসন যদি এর ব্যবস্হা না নেয় তাহলে আমাদের গ্রামে সব জমি নদীতে চলে যাবে।
ইউপি সদস্য সিরাজুল ইসলাম বলেন, বালুবাহী গাড়িগুলো রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় রাস্তার বারোটা বেজে ওঠে। এবং ধুলায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হলে তারা কোন ব্যবস্হা,নেয়না।
রাধানগর ইউনিয়ন তশিলদার আব্দুল মান্নান বলেন, অবৈধ বালু উত্তোলনে কর্মকান্ড যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসন আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে । ধোতরারপাড় গ্রামের বালু উত্তোলন বিষয়টি ইউএনও ও এসিল্যান্ড স্যারকে অবগত করেছি।

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রংপুরে বদরগঞ্জে রাধানগর ইউনিয়ন ধোতরারপাড় গ্রামে দীর্ঘ দিন থেকে চিকলী নদীর বালু ও পাড়ের মাটি প্রভাবশালী একটি চক্র লুট করে নিয়ে যাচ্ছে। এতে নদীর অব্যাহত ভাঙ্গনে আবাদি জমির বিলীন হয়ে যাচ্ছে । পাশাপাশি সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
রবিবার ২৬ সেপ্টেম্বর সকালে সরজমিনে যেয়ে দেখা যায় ধোতরারপাড় পাটোয়ারী পাড়া গ্রামে কোল ঘেষে চিকলী নদীতে অবৈধভাবে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু ও পাড়ের মাটি উত্তোলন করছেন।পরে উত্তোলনকৃত বালু মাটি বিক্রি করে ট্রাক্টর ভর্তি করে নিয়ে যাচ্ছে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত ১৫ টি ট্রাক্টর গাড়ি বালু লোড করতে দেখা যায়।পাটোয়ারী পাড়া গ্রামে নাম প্রকাশ না শর্তে কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, স্হানীয় কয়েকজন ব্যাক্তি মসজিদ নাম ব্যবহার করে প্রতিদিন লক্ষাধিক টাকার বালু তুলে বিক্রি করে ভাগাভাগি করে নেন।
কয়েকদিন আগে মসজিদ নাম ব্যবহার করে কয়েক লক্ষ টাকা বালু তুলেছেন এ চক্র।কিছু টাকা মসজিদ দান করে আর বাকি টাকা সবাই মিলে ভাগাভাগি করে নেন।
যুবদলের এক নেতা বলেন,যারা বালু তুলেছেন মসজিদ নাম ভাঙ্গিয়ে তারা,এটা কে ব্যবসায় পরিনত করেছেন।ধোতরারপাড় গ্রামে এক প্রবীন ব্যাক্তি বলেন, প্রশাসনকে ম্যানেজ করে বালু উত্তোলন করছেন।তা না হলে এরা সাহস পায় কিভাবে।
পুলিশ আসে কিন্তু অজ্ঞাত কারণে আবার চলেও যায় কিছুক্ষন পর।তারাও প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আয় করছেন। বালু ও মাটি বহনকারী গাড়িগুলো গ্রামীণ রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় রাস্তা ভেঙ্গে যাচ্ছে।
এবং ধুলায় আচ্ছন্ন হচ্ছে গ্রামীণ পরিবেশ। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন ট্রাক্টর চলক বলেন, ভাই আমরা প্রতি গাড়ি চালিয়ে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পাই।আর বাকি টাকা খায় যারা মাটি ও বালু বিক্রি করছে।
ধতরারপাড় গ্রামে দু'জন গৃহবধূ বলেন,গাড়িগুলো দিনে যায় আবার রাতেও যায়।রাতে যাওয়ার সময় অনেক শব্দ হয়।এতে ছেলে মেয়ে ঘুমাতে পারেনা।দিনের বেলা মাটির গাড়ি যাওয়ার সময় রাস্তা ভেঙে যাচ্ছে। ধুলায় চোখ মুখ অন্ধকার হয়ে যায়।প্রশাসন যদি এর ব্যবস্হা না নেয় তাহলে আমাদের গ্রামে সব জমি নদীতে চলে যাবে।
ইউপি সদস্য সিরাজুল ইসলাম বলেন, বালুবাহী গাড়িগুলো রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় রাস্তার বারোটা বেজে ওঠে। এবং ধুলায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হলে তারা কোন ব্যবস্হা,নেয়না।
রাধানগর ইউনিয়ন তশিলদার আব্দুল মান্নান বলেন, অবৈধ বালু উত্তোলনে কর্মকান্ড যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসন আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে । ধোতরারপাড় গ্রামের বালু উত্তোলন বিষয়টি ইউএনও ও এসিল্যান্ড স্যারকে অবগত করেছি।

আপনার মতামত লিখুন