বগুড়ার দুপচাঁচিয়া সিও অফিস বাসস্ট্যান্ড এলাকায় উন্মুক্ত ডাস্টবিনের ঠিক পাশেই গড়ে উঠেছে বেশ কয়েকটি ফাস্টফুডের দোকান। প্রতিদিন বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত এসব দোকানে জমজমাট বেচাকেনা চললেও খাবার প্রস্তুত ও পরিবেশনের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় ভোক্তা ও সচেতন নাগরিকরা।
সরেজমিনে দেখা যায়, দুপচাঁচিয়া সিও অফিস বাসস্ট্যান্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল এলাকায় ফাস্টফুডের দোকানগুলোর পাশেই রয়েছে উন্মুক্ত ডাস্টবিন। কোনো ধরনের ঢাকনা বা সুরক্ষা ব্যবস্থা ছাড়াই ওই পরিবেশের কাছাকাছি ভাজাপোড়া ও বিভিন্ন ধরনের খাবার প্রস্তুত ও বিক্রি করা হচ্ছে। ডাস্টবিন থেকে ছড়ানো দুর্গন্ধের পাশাপাশি মশা-মাছির উপদ্রবও রয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
বিশেষ করে শিশু ও পথচারীরা আকর্ষণীয় এসব খাবার নিয়মিত কিনে খাচ্ছেন। ফলে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে প্রস্তুত ও পরিবেশিত খাবার থেকে খাদ্যবাহিত রোগসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
সচেতন ভোক্তাদের অভিযোগ, জনস্বাস্থ্যের বিষয়টি বিবেচনায় না নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এমন পরিবেশে খাদ্য বিক্রি করা হচ্ছে। খাদ্য প্রস্তুত ও পরিবেশনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি এবং নিরাপদ খাদ্যসংক্রান্ত নিয়মকানুন যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারির আওতায় আনা প্রয়োজন বলেও মনে করছেন তারা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জনবহুল একটি বাসস্ট্যান্ডের পাশে উন্মুক্ত ডাস্টবিন থাকায় পথচারী ও ব্যবসায়ী উভয়েই দুর্ভোগে পড়ছেন। একই সঙ্গে ডাস্টবিনের পাশে খাবারের দোকান থাকায় বিষয়টি জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এ অবস্থায় দ্রুত ওই এলাকা পরিদর্শন করে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য বিক্রির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, উন্মুক্ত ডাস্টবিন অপসারণ বা যথাযথভাবে ঢেকে রাখার ব্যবস্থা এবং খাদ্য বিক্রেতাদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যবসা পরিচালনা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন নাগরিকরা।
তাদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বগুড়ার দুপচাঁচিয়া সিও অফিস বাসস্ট্যান্ড এলাকায় উন্মুক্ত ডাস্টবিনের ঠিক পাশেই গড়ে উঠেছে বেশ কয়েকটি ফাস্টফুডের দোকান। প্রতিদিন বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত এসব দোকানে জমজমাট বেচাকেনা চললেও খাবার প্রস্তুত ও পরিবেশনের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় ভোক্তা ও সচেতন নাগরিকরা।
সরেজমিনে দেখা যায়, দুপচাঁচিয়া সিও অফিস বাসস্ট্যান্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল এলাকায় ফাস্টফুডের দোকানগুলোর পাশেই রয়েছে উন্মুক্ত ডাস্টবিন। কোনো ধরনের ঢাকনা বা সুরক্ষা ব্যবস্থা ছাড়াই ওই পরিবেশের কাছাকাছি ভাজাপোড়া ও বিভিন্ন ধরনের খাবার প্রস্তুত ও বিক্রি করা হচ্ছে। ডাস্টবিন থেকে ছড়ানো দুর্গন্ধের পাশাপাশি মশা-মাছির উপদ্রবও রয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
বিশেষ করে শিশু ও পথচারীরা আকর্ষণীয় এসব খাবার নিয়মিত কিনে খাচ্ছেন। ফলে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে প্রস্তুত ও পরিবেশিত খাবার থেকে খাদ্যবাহিত রোগসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
সচেতন ভোক্তাদের অভিযোগ, জনস্বাস্থ্যের বিষয়টি বিবেচনায় না নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এমন পরিবেশে খাদ্য বিক্রি করা হচ্ছে। খাদ্য প্রস্তুত ও পরিবেশনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি এবং নিরাপদ খাদ্যসংক্রান্ত নিয়মকানুন যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারির আওতায় আনা প্রয়োজন বলেও মনে করছেন তারা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জনবহুল একটি বাসস্ট্যান্ডের পাশে উন্মুক্ত ডাস্টবিন থাকায় পথচারী ও ব্যবসায়ী উভয়েই দুর্ভোগে পড়ছেন। একই সঙ্গে ডাস্টবিনের পাশে খাবারের দোকান থাকায় বিষয়টি জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এ অবস্থায় দ্রুত ওই এলাকা পরিদর্শন করে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য বিক্রির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, উন্মুক্ত ডাস্টবিন অপসারণ বা যথাযথভাবে ঢেকে রাখার ব্যবস্থা এবং খাদ্য বিক্রেতাদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যবসা পরিচালনা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন নাগরিকরা।
তাদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।

আপনার মতামত লিখুন