দিনাজপুরের বীরগঞ্জে মালিক সিডসের জাত উন্নয়ন ও গবেষণা কেন্দ্র (আরঅ্যান্ডডি) আয়োজিত অতি আগাম ফুলকপি ‘শ্রাবন্তী’ জাতের ফলন ও গুণগত মানের রেজাল্ট শেয়ারিং ও বিশ্লেষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এ রেজাল্ট শেয়ারিংয়ে মালিক সিডসের ডেপুটি ম্যানেজার (আরঅ্যান্ডডি) কৃষিবিদ সাহাদাত হোসেন, এএমএস মো. লুৎফর রহমান, সিনিয়র রিসার্চার মো. জহুরুল ইসলাম ও মো. দারাজ প্রধানসহ গবেষণা দলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন মালিক সিডসের ঠাকুরগাঁওয়ের সিনিয়র টিএসও মো. আল-মুনতাকিম আখতার, দিনাজপুরের টিএসও মো. মুনজুর রহমান শাকিব, ঠাকুরগাঁওয়ের লিড ফার্মার মো. মাইনুল হাসান, বীরগঞ্জের লিড ফার্মার শ্রী উত্তম সেন ও আসিফ আলী।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মেসার্স ভাই ভাই বীজ ভান্ডার ও সবুজ বাংলা নার্সারির পরিচালক মো. ইসহাক আলী, কাহারোলের মেসার্স মামুন এগ্রোর স্বত্বাধিকারী মো. আল-মামুনসহ বিভিন্ন ডিলার ও নার্সারিম্যান।
রেজাল্ট বিশ্লেষণে অংশ নেওয়া সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমান আবহাওয়া ও জলবায়ু বিবেচনায় জুন মাসেও ‘শ্রাবন্তী’ ফুলকপির বীজ বপন করা সম্ভব। পরীক্ষামূলক ফলাফলে মাত্র ৫৩ দিনে ৫০০ গ্রামের বেশি ওজনের ফুলকপি পাওয়া গেছে। পাশাপাশি ফুলকপির রং, আকৃতি ও গুণগত মানও সন্তোষজনক বলে তারা উল্লেখ করেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, বর্তমান সময়ে বাজারজাত করা গেলে এ জাতের ফুলকপি চাষ করে কৃষকরা লাভবান হওয়ার সুযোগ রয়েছে। আগামী মৌসুমে ‘শ্রাবন্তী’ জাতটি নিয়ে নিজ নিজ এলাকায় কাজ করার পাশাপাশি বাণিজ্যিকভাবে চাষ সম্প্রসারণের আশাবাদ ব্যক্ত করেন অংশগ্রহণকারীরা।

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬
দিনাজপুরের বীরগঞ্জে মালিক সিডসের জাত উন্নয়ন ও গবেষণা কেন্দ্র (আরঅ্যান্ডডি) আয়োজিত অতি আগাম ফুলকপি ‘শ্রাবন্তী’ জাতের ফলন ও গুণগত মানের রেজাল্ট শেয়ারিং ও বিশ্লেষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এ রেজাল্ট শেয়ারিংয়ে মালিক সিডসের ডেপুটি ম্যানেজার (আরঅ্যান্ডডি) কৃষিবিদ সাহাদাত হোসেন, এএমএস মো. লুৎফর রহমান, সিনিয়র রিসার্চার মো. জহুরুল ইসলাম ও মো. দারাজ প্রধানসহ গবেষণা দলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন মালিক সিডসের ঠাকুরগাঁওয়ের সিনিয়র টিএসও মো. আল-মুনতাকিম আখতার, দিনাজপুরের টিএসও মো. মুনজুর রহমান শাকিব, ঠাকুরগাঁওয়ের লিড ফার্মার মো. মাইনুল হাসান, বীরগঞ্জের লিড ফার্মার শ্রী উত্তম সেন ও আসিফ আলী।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মেসার্স ভাই ভাই বীজ ভান্ডার ও সবুজ বাংলা নার্সারির পরিচালক মো. ইসহাক আলী, কাহারোলের মেসার্স মামুন এগ্রোর স্বত্বাধিকারী মো. আল-মামুনসহ বিভিন্ন ডিলার ও নার্সারিম্যান।
রেজাল্ট বিশ্লেষণে অংশ নেওয়া সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমান আবহাওয়া ও জলবায়ু বিবেচনায় জুন মাসেও ‘শ্রাবন্তী’ ফুলকপির বীজ বপন করা সম্ভব। পরীক্ষামূলক ফলাফলে মাত্র ৫৩ দিনে ৫০০ গ্রামের বেশি ওজনের ফুলকপি পাওয়া গেছে। পাশাপাশি ফুলকপির রং, আকৃতি ও গুণগত মানও সন্তোষজনক বলে তারা উল্লেখ করেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, বর্তমান সময়ে বাজারজাত করা গেলে এ জাতের ফুলকপি চাষ করে কৃষকরা লাভবান হওয়ার সুযোগ রয়েছে। আগামী মৌসুমে ‘শ্রাবন্তী’ জাতটি নিয়ে নিজ নিজ এলাকায় কাজ করার পাশাপাশি বাণিজ্যিকভাবে চাষ সম্প্রসারণের আশাবাদ ব্যক্ত করেন অংশগ্রহণকারীরা।

আপনার মতামত লিখুন