সুনামগঞ্জ সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক ডাক্তার লিপিকা দাসের বিরুদ্ধে কমিশন বা পার্সেন্টেজের উদ্দেশ্যে রোগীদের অহেতুক ডায়াগনস্টিক টেস্টে পাঠানোর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, টেস্ট করানোর পর রিপোর্ট না দেখেই তিনি রোগীদের প্রেসক্রিপশনে ওষুধ লিখে দিচ্ছেন।
চিকিৎসার নামে রোগীদের অহেতুক হয়রানি করা হচ্ছে এবং কমিশন বাণিজ্যের স্বার্থে টেস্ট দেওয়া হচ্ছে।
কিন্তু রোগ নির্ণয়ের জন্য দেওয়া টেস্টের রিপোর্টই যদি চিকিৎসক না দেখেন, তবে সেই ওষুধের কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা নিয়ে চরম প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তদারকি বাড়ানো এবং সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সাধারণ রোগীরা।

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬
সুনামগঞ্জ সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক ডাক্তার লিপিকা দাসের বিরুদ্ধে কমিশন বা পার্সেন্টেজের উদ্দেশ্যে রোগীদের অহেতুক ডায়াগনস্টিক টেস্টে পাঠানোর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, টেস্ট করানোর পর রিপোর্ট না দেখেই তিনি রোগীদের প্রেসক্রিপশনে ওষুধ লিখে দিচ্ছেন।
চিকিৎসার নামে রোগীদের অহেতুক হয়রানি করা হচ্ছে এবং কমিশন বাণিজ্যের স্বার্থে টেস্ট দেওয়া হচ্ছে।
কিন্তু রোগ নির্ণয়ের জন্য দেওয়া টেস্টের রিপোর্টই যদি চিকিৎসক না দেখেন, তবে সেই ওষুধের কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা নিয়ে চরম প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তদারকি বাড়ানো এবং সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সাধারণ রোগীরা।

আপনার মতামত লিখুন