শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৭টায় মহাসপ্তমীর পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব। বগুড়ার দুপচাঁচিয়া মহাশ্মশান কালীবাড়ি কেন্দ্রীয় মন্দিরে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ভক্তি ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে মহাসপ্তমীর পূজা।
দেবী দুর্গার আরাধনাকে কেন্দ্র করে মন্দির প্রাঙ্গণে বিরাজ করছে পবিত্রতা ও উৎসবের আমেজ। পূজার বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নিচ্ছেন ভক্ত-অনুরাগীরা। দেবীর চরণে দেশ, জাতি ও সমগ্র মানবজাতির মঙ্গল, শান্তি, সমৃদ্ধি এবং কল্যাণ কামনা করছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।
শারদীয় দুর্গোৎসবকে ঘিরে ভক্তদের মধ্যে দেখা দিয়েছে আনন্দ ও উৎসাহের আবহ। ঢাকের বাদ্য, পূজার আনুষ্ঠানিকতা এবং ভক্তদের উপস্থিতিতে মন্দির প্রাঙ্গণ হয়ে উঠেছে উৎসবমুখর।
শুধু ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানই নয়, শারদীয় দুর্গোৎসব সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক ভালোবাসার এক অনন্য মিলনমেলা। এ উৎসব মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করার পাশাপাশি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ঐক্যের বার্তা বহন করে।
উৎসবের এ আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়ুক—এমন প্রত্যাশায় দেবী দুর্গার কাছে প্রার্থনা করছেন ভক্তরা। শান্তি, সম্প্রীতি ও কল্যাণের মধ্য দিয়ে সবার জীবন আনন্দময় হয়ে উঠুক—এটাই এবারের দুর্গোৎসবের প্রত্যাশা।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬
শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৭টায় মহাসপ্তমীর পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব। বগুড়ার দুপচাঁচিয়া মহাশ্মশান কালীবাড়ি কেন্দ্রীয় মন্দিরে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ভক্তি ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে মহাসপ্তমীর পূজা।
দেবী দুর্গার আরাধনাকে কেন্দ্র করে মন্দির প্রাঙ্গণে বিরাজ করছে পবিত্রতা ও উৎসবের আমেজ। পূজার বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নিচ্ছেন ভক্ত-অনুরাগীরা। দেবীর চরণে দেশ, জাতি ও সমগ্র মানবজাতির মঙ্গল, শান্তি, সমৃদ্ধি এবং কল্যাণ কামনা করছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।
শারদীয় দুর্গোৎসবকে ঘিরে ভক্তদের মধ্যে দেখা দিয়েছে আনন্দ ও উৎসাহের আবহ। ঢাকের বাদ্য, পূজার আনুষ্ঠানিকতা এবং ভক্তদের উপস্থিতিতে মন্দির প্রাঙ্গণ হয়ে উঠেছে উৎসবমুখর।
শুধু ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানই নয়, শারদীয় দুর্গোৎসব সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক ভালোবাসার এক অনন্য মিলনমেলা। এ উৎসব মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করার পাশাপাশি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ঐক্যের বার্তা বহন করে।
উৎসবের এ আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়ুক—এমন প্রত্যাশায় দেবী দুর্গার কাছে প্রার্থনা করছেন ভক্তরা। শান্তি, সম্প্রীতি ও কল্যাণের মধ্য দিয়ে সবার জীবন আনন্দময় হয়ে উঠুক—এটাই এবারের দুর্গোৎসবের প্রত্যাশা।

আপনার মতামত লিখুন