সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার বিশেষ আকর্ষণ কুমারী পূজা। এরই ধারাবাহিকতায় মহাষ্টমী তিথিতে দিনাজপুর রামকৃষ্ণ আশ্রমে আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে দিনাজপুর রামকৃষ্ণ আশ্রমের স্বামী অমৃতত্বানন্দ ভবন ও আশ্রম শতবর্ষ মিলনায়তনে এ পূজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে দিনাজপুর শহরের সুশান্ত মিশ্রের কন্যা অমৃতা মিশ্রকে দেবীজ্ঞানে পূজা করা হয়।
পূজায় পৌরোহিত্য করেন সঞ্জয় চক্রবর্তী ও রামকৃষ্ণ আশ্রমের অধ্যক্ষ স্বামী বিভাত্মানন্দ মহারাজ। এ সময় ঢাক-ঢোল, শঙ্খধ্বনি ও উলুধ্বনিতে আশ্রম প্রাঙ্গণে সৃষ্টি হয় ধর্মীয় আবহ।
হিন্দু শাস্ত্রীয় রীতি অনুযায়ী, সাধারণত এক থেকে সাত-আট বছর বয়সী অবিবাহিত কুমারীকে দেবীর প্রতীক হিসেবে পূজা করা হয়। শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণের শিক্ষায় কুমারীর মধ্যে ভগবতীর রূপ উপলব্ধি এবং নারীকে মাতৃজ্ঞানে শ্রদ্ধা করার বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে।
কুমারী পূজা উপলক্ষে কুমারীকে স্নান করিয়ে নতুন বস্ত্র পরানো হয়। এরপর পায়ে আলতা, সিঁথিতে সিঁদুর ও বিভিন্ন অলংকারে সাজিয়ে দেবী দুর্গার প্রতীক হিসেবে পূজা করা হয়।
রামকৃষ্ণ আশ্রমের অধ্যক্ষ স্বামী বিভাত্মানন্দ মহারাজ বলেন, কুমারী পূজার মাহাত্ম্য হলো নিজের মধ্যে থাকা অসুর মনোবৃত্তি পরিহার করা এবং নারীকে মাতৃজ্ঞানে উপলব্ধি করা।
এ পূজার মাধ্যমে নারীর প্রতি শ্রদ্ধা ও মাতৃভাব জাগ্রত করার শিক্ষা পাওয়া যায়।ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও ভক্তদের উপস্থিতিতে পূজার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ অক্টোবর ২০২৬
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার বিশেষ আকর্ষণ কুমারী পূজা। এরই ধারাবাহিকতায় মহাষ্টমী তিথিতে দিনাজপুর রামকৃষ্ণ আশ্রমে আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে দিনাজপুর রামকৃষ্ণ আশ্রমের স্বামী অমৃতত্বানন্দ ভবন ও আশ্রম শতবর্ষ মিলনায়তনে এ পূজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে দিনাজপুর শহরের সুশান্ত মিশ্রের কন্যা অমৃতা মিশ্রকে দেবীজ্ঞানে পূজা করা হয়।
পূজায় পৌরোহিত্য করেন সঞ্জয় চক্রবর্তী ও রামকৃষ্ণ আশ্রমের অধ্যক্ষ স্বামী বিভাত্মানন্দ মহারাজ। এ সময় ঢাক-ঢোল, শঙ্খধ্বনি ও উলুধ্বনিতে আশ্রম প্রাঙ্গণে সৃষ্টি হয় ধর্মীয় আবহ।
হিন্দু শাস্ত্রীয় রীতি অনুযায়ী, সাধারণত এক থেকে সাত-আট বছর বয়সী অবিবাহিত কুমারীকে দেবীর প্রতীক হিসেবে পূজা করা হয়। শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণের শিক্ষায় কুমারীর মধ্যে ভগবতীর রূপ উপলব্ধি এবং নারীকে মাতৃজ্ঞানে শ্রদ্ধা করার বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে।
কুমারী পূজা উপলক্ষে কুমারীকে স্নান করিয়ে নতুন বস্ত্র পরানো হয়। এরপর পায়ে আলতা, সিঁথিতে সিঁদুর ও বিভিন্ন অলংকারে সাজিয়ে দেবী দুর্গার প্রতীক হিসেবে পূজা করা হয়।
রামকৃষ্ণ আশ্রমের অধ্যক্ষ স্বামী বিভাত্মানন্দ মহারাজ বলেন, কুমারী পূজার মাহাত্ম্য হলো নিজের মধ্যে থাকা অসুর মনোবৃত্তি পরিহার করা এবং নারীকে মাতৃজ্ঞানে উপলব্ধি করা।
এ পূজার মাধ্যমে নারীর প্রতি শ্রদ্ধা ও মাতৃভাব জাগ্রত করার শিক্ষা পাওয়া যায়।ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও ভক্তদের উপস্থিতিতে পূজার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

আপনার মতামত লিখুন